লেখার মান নির্ধারণের পদ্ধতি।(Way of evaluating the writing skills)
লেখার শুরুতেই বলে রাখা ভালো আমি নিজেকে এখনও একজন ছাত্রী মনে করি, শিক্ষিকা নই।
আমি প্রতিদিন নিত্যনতুন বিষয় শেখার প্রয়াস করি নিজেকে উন্নত করার জন্য।
এই কমিউনিটিতে যারা কর্মরত তারা সকলেই জানেন আমার লেখা পড়ার অভ্যেসের কথা, এবং সময় সময় সেটা আমি আমার কথায় এবং কাজেও প্রমাণ করেছি।
আগের মত মন্তব্য করার সময় পাই না বটে, তবে খুব ভালো লাগে যে সকল লেখা সেই লেখায় এখনও মন্তব্য করবার প্রয়াস করি।
এই যে কথাটা লিখলাম, খুব ভালো লাগে যে লেখা!
তার অর্থ আমার দৃষ্টিভঙ্গিতে যে লেখাকে আমার মানসম্মত বলে হয়।
আমার ভালো লেগেছে মানেই লেখাটি উন্নত মনে হবে সকলের এর পিছনে যেমন যুক্তি নেই, তেমনি এটাও সঠিক এখন লেখা পড়ে লেখার মূল্যায়ন করার মতো মানুষ এই প্ল্যাটফর্মে হাতে গুনে কয়েকজন আছেন। তাদের মধ্যে নিজেকে একজন বলে গণ্য করি।
অন্যের বিষয় সম্পর্কে এখানে আলোচনা করতে আমি আসিনি, কাজেই আমি নিজের দৃষ্টিভঙ্গির কথাই এখানে তুলে ধরতে চাই।
শুরুতেই বলেছি আমি কোনো বিজ্ঞ ব্যক্তিত্ব নই, তবে এতগুলো বছর কাজ করে, বিভিন্ন ধরনের লেখা পড়ে যেটুকু অভিজ্ঞতা হয়েছে তার নিরিখেই আজকের এই বিষয়বস্তু তুলে ধরা।
- আমি কিভাবে লেখার মান নির্ধারণ করি?
বাকিদের কথা জানিনা, তবে আমি কিন্তু লেখা পড়ি, হ্যাঁ! একদম সঠিক।
আমার সমর্থন দেবার পালা আসলে আমি লেখা পড়ি।
সেটা যে ভাষাতেই লেখা থাকুক না কেনো।
আর ঠিক সেই কারণে,
একজন লেখিকা ইউক্রেনিয়ান ভাষায় নিজের নাতনি সম্পর্ক এত সুন্দর পোস্ট লিখেছিলেন যেটা আমার আজও মনে আছে।
আরেকজন নিজের বাড়িতে ছোট্ট পার্টির আয়োজন করেছিলেন এবং সেখানে চেরি ফল গুলো খুব একটা ভালো ছিল না, তাই তিনি সেগুলো দিয়ে পুডিং বানিয়ে ফেলেছিলেন।আবার স্প্যানিশ ভাষায় লেখা পোস্ট এর মধ্যেও বেশ ভালো মানের পোস্ট পড়েছি।
কাউকে তার জীবনসঙ্গিনী বিয়োগের বিষয় নিয়ে লিখতে দেখেছি, আবার কাউকে দেখেছি জল সাশ্রয় করে কিভাবে সেটা লেখা সহ ছবির মাধ্যমে দেখিয়েছেন।ইন্দোনেশিয়ান ভাষায় একজন শিক্ষিকার দৃষ্টিভঙ্গি পড়ার সুযোগ পেয়েছি।
বাংলা ছাড়াও আমি বিভিন্ন ভাষায় লেখা শুরু থেকে এখনও পর্যন্ত পড়ি।
কাজেই, এত বছর লেখা পড়ার অভ্যেসের কারণে আজকের লেখার বিষয়বস্তু নির্বাচন।
যেকোনো ভাষার লেখা পড়তে হলে তাকে নিজের সহজলভ্য বোধগম্য ভাষায় তর্জমা করতে হয়, কিন্তু এক্ষেত্রে যার সাহায্য আমরা সকলে নিয়ে থাকি সেটা হলো,
এইবার ট্রান্সলেটর একেবারেই আপনাকে একশো শতাংশ সঠিক তর্জমা উপহার দিতে অক্ষম, বরঞ্চ উল্টো দৃশ্য দেখা যায় বেশ কিছু সময়। যেমন ছেলে হয়ে যায় মেয়ে আবার উল্টোটাও।
আমি লেখার নিরিখে, অর্থাৎ যে লেখা শুধু দৃষ্টি আকর্ষক নয়, হৃদয় স্পর্শ করতে সক্ষম সেই লেখা আমার নির্ধারিত মানের সবচাইতে উর্ধ্বে থাকে।
সবাই ক্রিপ্টো সম্পর্কে জানবে, বুঝবে এমন কোনো কথা নেই, আবার সবাই রবীন্দ্রনাথ হবে এই আশা করাও বোকামি।
আমার সবচাইতে খারাপ লাগা কাজ করে এখন
- মজার লেখা কেউ লেখে না!
মানুষকে কাঁদানো সহজ কিন্তু হাসাতে পারা কঠিন কাজ।
লেখা পড়ার অভ্যেস নেই বলেই অনেকেই ডায়েরী গেম এর বাইরে বেরোতে চায় না।
আর সমর্থন যে লেখায় অধিক পাওয়া যাবে , সবাই সেই বিষয় নিয়েই লিখবে এটাই স্বাভাবিক।
যেহেতু ডায়েরি গেম সহজ, এবং সমর্থন অধিক মেলে তাই খুঁজলে দেখা যাবে গোটা প্ল্যাটফর্মে চ্যালেঞ্জ বাদ দিয়ে(এখন তো চ্যালেঞ্জের বিষয়তেও ডায়েরি গেম অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেছে) ৭০% লেখা ডায়েরি গেম!
আচ্ছা, এই ডায়েরি গেম এর মধ্যেও অনেক বৈচিত্র্য দেখতে পাওয়া যায়, তারমধ্যে বেশকিছু আছে যেগুলো মানসম্মত।
তবে একটি বিষয়কে আকড়ে ধরে কি সত্যি ভালো লেখা প্রতিদিন উপহার দেওয়া সম্ভব?
এখানে আমি যারা লেখেন তাদের দোষ দেখিনা, বরঞ্চ যারা লেখা পড়েন না, দোষ তাদের।
একটা বাস্তব অস্বীকারের জায়গা নেই, আর সেটা হলো সকলেই কম বেশি সমর্থনের আশা নিয়ে নিজেদের লেখা এখানে ভাগ করে নেয়।
তবে একদিক থেকে দেখতে গেলে এটাও সঠিক যে, কিছু লেখা সত্যি সমর্থনের যোগ্যতা বহির্ভূত।
যেমন তেমন লেখা, অর্থ বিহীন শব্দের সাথে কিছু আকর্ষণীয় ছবির সমাহার।
- লেখা যেটি আপনাকে শেষ পর্যন্ত পড়তে বাধ্য করে।
- লেখা যেটা আপনাকে কিছু শিখতে সাহায্য করে।
- লেখা যেটা আপনার হৃদয় স্পর্শ করে।
- লেখা যেটা আপনার মনোরঞ্জনে সহায়ক।
বাস্তবধর্মী হোক বা কাল্পনিক
শিক্ষামূলক হোক বা মনোরঞ্জক।
একটা বিষয় হলো লেখা সেটা যে বিষয় নিয়েই হোক যেনো সেখানে উপলব্ধির জায়গা থাকে যে,
লেখাটি মনোযোগ দিয়ে লেখার প্রয়াস করা হয়েছে।
একটা লেখা রোজ লিখতে হবে বলে দায়সারা কাজ করলে, সেটা থেকে কখনো হটাৎ করে সমর্থন পাওয়া গেলেও আত্মতৃপ্তি যেমন পাওয়া অসম্ভব তেমনি যে সমর্থন পাওয়া গেলো সেটাও কিন্তু যোগ্য সমর্থন বলে গণ্য করা যায় না নিজের আত্মার কাছে।
একটা ভালো লেখায় সমর্থন না পেলেও অন্ততপক্ষে নিজের মনের মধ্যে ভালো লাগা কাজ করে, আমি আমার সবটুকু দিয়ে লেখাটা লিখেছি।
মানুষ মূল্যায়নে অসমর্থ হলেও এই ভাবে লেখা প্রতিদিন লিখে গেলে একদিন সৃষ্টিকর্তার নজর ঠিক পড়বে।
আমি নিজে শুরুতে একেবারেই লিখতে জানতাম না, আর আজকে লেখা পড়ার অভ্যেসের কারণে আপনাদের মাঝে একটা গোটা লেখা নিয়ে হাজির হতে পেরেছি।
Congratulations!
Your post has been upvoted by @steemladies.
The community where the Steemian ladies can be free to express themselves, be creative, learn from each other, and give support to their fellow lady Steemians.
Manually curated by patjewell for Steem For Ladies
Upvoted. Thank You for sending some of your rewards to @null. It will make Steem stronger.
দিদি একজন লেখক যখন তার লিখার মধ্য দিয়ে পাঠকের মন জয় করতে পারবে এবং পাঠক লিখাটি পড়ে হাসবে, কাঁদবে নয়তো নতুন কিছু শিখবে জানবে তবেই তো সে লিখা স্বার্থক হবে। আমরা অনেকেই লিখি কিন্তু লিখার মধ্যে অনেক কিছুরই অভাব থাকে যা আমরা নিজেরাও বুজি না। আমিও এদের মধ্যে একজন। তবে এখন লিখার মান উন্নত করতে আমিও অন্যের লিখা বেশি বেশি পড়ছি। তবে বিদেশি ভাষার লিখাগুলো এখনো পড়া শুরু করিনি।
দিদি আমার জন্য আশীর্বাদ করবেন যাতে অন্যের লিখা বেশি বেশি পড়ে আরো জ্ঞান অর্জন করতে পারি। কেননা আমি এখনো কিছুই জানি না। এখনো প্রতিনিয়তই শিখছি। শুভকামনা রইলো । ভালো থাকবেন।
দিদি সত্যি আপনার লেখাগুলো যখন পড়ি কেমন যেন শুধু পড়তেই মনে চায়, আপনি যে কথাগুলো বলেছেন একদমই বাস্তব কথাগুলো তুলে ধরেছেন।
আমি আমার নিজের কথাই বলছি, আমি মোটামুটি এখন অন্যদের লেখা পড়তে শুরু করেছি, কিন্তু আমি নিজে যেকোনো বিষয়ে লিখতে সাহস পায় না। শুধু মনে হয় কিভাবে লিখব আর কোথায় শেষ হবে? থাক আজকে ডায়েরি গেম লিখে দিই অন্যদিন অন্য বিষয়ে লিখব, কিন্তু সেদিনও ডাইরি গেম ছাড়া আর কোন লেখা আসে না।
আর অন্য ভাষার লেখাগুলো ট্রান্সলেট করা ছাড়া পড়তে পারি না, আর ট্রান্সলেট করে পড়তে গেলে বুঝতে পারি না।
আসলেই আমাদের এমন লেখাগুলো লেখার দরকার যেগুলো পড়ে মানুষ কিছু জানতে পারবে শিখতে পারবে বুঝতে পারবে।
ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।
কখনোই না। কারণ এটা এক বা দুইদিনে হয় নি। যার জন্য আমাদের চেনা জানার বাইরেও অনেক স্টিমিয়ান সেরা লেখিকা হিসেবে বাৎসরিক steemit award 2023 এ আপনাকেই মনোনীত করেছেন।
বাকি রইলো মান, মনোরঞ্জন বা মানুষকে হাসানো এটা তখনই সম্ভব হবে যখন কোনো লেখক বা লেখিকা তাদের বিষয়বস্তু উপস্থাপন করবেন যথাযথভাবে। এখানে অনেকেই ৩৫০ শব্দ লিখতে হবে এই ধারনাতেই নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেন। যার ফলে একটি লেখা পূর্ণতাই পায় না।
স্টিমিট প্ল্যাটফর্মে একজন স্টিমিয়ানের পরিচয় বহন করে তাঁর লেখা। সেই বিষয়বস্তু অনুসারে এই লেখাটি শুধুমাত্র এখন নয় পূর্বে এবং ভবিষ্যতের জন্য ও তথ্যবহুল দিকনির্দেশনা বহন করে।
ম্যাডাম, দীর্ঘদিন যাবৎ এই প্ল্যাটফর্মে কাজ করার সুবাদ আপনি বিভিন্ন লেখা পড়েছেন এবং আপনি অনেক অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন আর এখন আপনি নির্ধারণ করতে পারেন ভালো মানের লেখা, সবার জ্ঞান হয়তোবা সমান নয় আপনাকে এই প্ল্যাটফর্মে কারো সাথে তুলনা করা সম্ভব নয় আপনি সবদিক থেকেই পারদর্শী।
যে লেখা শুধু দৃষ্টি আকর্ষক নয়, হৃদয় স্পর্শ করতে সক্ষম সেই লেখা আপনার নির্ধারিত মানের সবচাইতে উর্ধ্বে থাকে । আমি ঠিক এমন একটি লাইন উল্লেখ করেছিলাম কয়েকদিন আগে একটি প্রতিযোগিতায় যেখানে আপনাকে বেস্ট লেখা হিসেবে নির্বাচিত করেছিলাম।
তবে আজকে নতুন একটি বিষয় শিখছি আপনার লেখাটি পড়ে লেখার ভিতর মনোরঞ্জন যে কোন বিষয় উল্লেখ করতে পারি। এটা ঠিক যে মানুষের কাঁদানো খুবই সহজ কিন্তু হাসানো অনেক কঠিন।
সহজ পদ্ধতিতে মানুষের হাসানো যায় সেটা হল যদি আমার গ্রাম্য ভাষায় কিছু লাইন কবিতা আকারে উল্লেখ করি। আমি এখন থেকে লেখার ভেতরে এমন কিছু লাইন এ্যাড করবো যাতে করে অন্যকে আমি হাসাতে পারি।
ম্যাডাম আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ খুব সুন্দর একটি বিষয় আমাদের কাছে শেয়ার করার জন্য আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল ভালো থাকবেন।
দিদি আপনার মত লেখিকা পাওয়া আমার মনে হয় এই স্টিমিট প্লাটফর্মে খুবই কম রয়েছে ৷ কারন আপনি পোস্ট পড়ে পড়ে যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন সেটার প্রমাণ আজকে আপনি ঠিকই দিচ্ছেন ৷ আসলে এটা সত্যি যে ভালো মানের পোস্ট আর উন্নত মানের পোস্ট লিখতে গেলে আগে অবশ্যই অন্যান্যদের পোস্ট পড়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় ৷ আর এটাও ঠিক বলেছেন যে মানুষকে কাদানো খুব সহজ কিন্তু হাসানো অনেক কঠিন ৷
আমাদের এখনো অনেক কিছু শেখার বাকি রয়েছে আমরা আমাদের নিজের ভাষায় সঠিক মানের পোস্ট করতে শিখিনি তবে আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাবো নতুন কিছু শেখার এবং নতুন কিছু উপলদ্ধি করার ৷
যাই হোক দিদি আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি লেখা আমাদের উপহার দেওয়ার জন্য ৷ ভালো থাকবেন ,, দিনটি আপনার শুভ হোক ৷🙏🎊
আমার কাছে মনে হয় আমরা লেখা যত পড়ি তত আমাদের জ্ঞান অর্জন হয়। এবং আমরা বিভিন্ন ধরনের শব্দ চয়ন এই লেখাপড়ার মাধ্যমে শিখতে পারি। বিশেষ করে আপনার লেখা আমি যখন পড়ি, তখন আপনি নতুন নতুন শব্দচায়ন করার চেষ্টা করেন। আপনার লেখার মধ্যে আমি সেগুলো নিজের মধ্যে আয়ত্ত করার চেষ্টা করি। হয়তোবা সঠিকভাবে পারি না কিন্তু চেষ্টা করি করার জন্য এটা আমার কাছে ভালো লাগে।
অবশ্যই আমাদের প্রত্যেকের উচিত এমন লেখা প্রকাশ করা। যে লেখা একজন লেখক এর মন ছুয়ে যাবে যে লেখা পড়লে একজন মানুষ অনেক কিছু শিখতে পারবে। যে লেখা একজন মানুষকে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখাবে। আমি জানি আমি ভালো লিখতে পারি না। কিন্তু আপনার পোস্ট পড়লে অনেক বেশি অনুপ্রাণিত হই। আমি ঠিক জানিনা আপনার মত করে কখনো লিখতে পারবো কিনা। তবে ইনশাল্লাহ অবশ্যই চেষ্টা করব। ধন্যবাদ আপনাকে, লেখার মান উন্নত করার ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো আমাদের মাথায় রাখা উচিত। সেই বিষয়গুলো আমাদের সাথে উপস্থাপন করার জন্য ভালো থাকবেন।
আপনি একদম সত্যি কথা বলেছেন দিদি মানুষকে কাঁদানোর সহজ কিন্তু হাসাতে পারা কঠিন। মজার লেখা কেউই লিখে না।। প্রকৃতপক্ষে অত্যন্ত রস্যবোধ সম্পন্ন ব্যক্তিত্ব না হলে মজার লেখা তার ভেতর থেকে আসবেও না। আমি অনেকের লেখা দেখলে মনে হয় যেন লিখতে হয় হয় বলে তারা লিখে। ফলে এইসব লেখা থেকে ভালো কিছু আশা করা কঠিন।
এছাড়া সমর্থন পাওয়ার আশায় ডেইলি ডায়েরি গেমে এত বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে যে লেখার মূল উদ্দেশ্যটায় হারিয়ে যাচ্ছে। নিজের ভেতরের ভাবনাগুলো, নিজের সৃজনশীলতাকে প্রকাশ করার যে লক্ষ্য নিয়ে লিখতে বসার কথা ছিল তা কোন না কোন ক্ষেত্রে ব্যাহত হচ্ছে বলে আমার মনে হয়।
তবে এতকিছুর ভিড়ে ও মাঝে মাঝে সত্যিই কিছু চমৎকার লেখা চোখে পড়ে। তখন খুব ভালো লাগে। তখন মনে হয় যেন ষ্টিমিটে না থাকলে এই লেখাগুলো আমার কখনো পড়া হতো না।
যাইহোক দিদি চমৎকার একটি লেখা আপনি আমাদের সাথে ভাগ করে নিয়েছেন। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।