কুরিয়ার সার্ভিস - বাংলাদেশ
হ্যালো বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই ??? আশা করি সবাই অনেক ভাল আছেন। আমাদের কমিউনিটির সকল মেম্বারদের কোয়ালিটি যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে আমরা ভীষণ খুশি। আমরা চাইবো প্রত্যেকটি মেম্বার যেন তার নিজের অবস্থানকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরে রাখে। মনে রাখবেন এটা শুধু অর্থ উপার্জনের জায়গা না। এটা আপনার ক্রিয়েটিভিটি প্রকাশের সুযোগ করে দেয়। সেই সুযোগটা হাতছাড়া করবেন না। সবার জন্যই আমাদের তরফ থেকে সবসময় ই শুভকামনা থাকে।
যাইহোক, আজ আমি একটা ভিন্ন রকম টপিক নিয়ে আলোচনা করতে যাচ্ছি। আমরা কমবেশি সবাই কুরিয়ার সার্ভিস এর সাথে পরিচিত। আমি বাজি ধরে বলতে পারি আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটির বাংলাদেশি মেম্বারদের মধ্যে ৮০% মেম্বার কখনো না কখনো কুরিয়ার সার্ভিসের সেবা নিয়েছে। কারন অনেক আগে থেকেই কুরিয়ার সার্ভিসের পপুলারিটি রয়েছে দেশজুড়ে । কুরিয়ার সার্ভিস একটি প্রতিষ্ঠানের হতে পারে অথবা কোন ব্যক্তি হতে পারে অথবা কোন দল হতে পারে। এই সার্ভিসটি মূলত কোন বার্তা বা কোন ফিজিক্যাল বস্তু বা প্রাণী একটি স্থান থেকে অন্য স্থানে পৌঁছে দেয়। এর বিনিময়ে তারা কিছু অর্থ নিয়ে থাকে।
আমি আমার জীবনের প্রথম কুরিয়ার সার্ভিসের সেবা নিতে দেখেছি আমার পরিবারকে। আমার আপুর বিয়ে হয়েছিল অন্য একটি জেলায়। বিয়ের কিছুদিন পর আমার আপুর শ্বশুরবাড়িতে আপুর প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পেপারস, সার্টিফিকেট পাঠাতে হয়েছিল। আর আমার বাবা পাঠিয়ে দিয়েছিল সেগুলো সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসে। আমি তখন একটু অবাক হয়েছিলাম। আমি ভেবেছিলাম এমন মূল্যবান পেপারস গুলো অন্য কারোর হাতে দিয়ে দিলো, আর তারা এখানে নিয়ে এসে পৌঁছে দিল। বাহ্ কি চমৎকার।
আমি যখন বড় হয়েছি, বাসা থেকে দূরে কোথাও থাকতে শুরু করেছি তারপর থেকে অনেকবারই আমার এই সার্ভিস ব্যবহার করা হয়েছে। বাংলাদেশে অনেকগুলো কুরিয়ার সার্ভিস রয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস এবং এস এ পরিবহন ৷ এ দুটি সবচেয়ে পপুলার। তবে ইদানিং এসএ পরিবহনের পপুলারিটি বেশি মনে হচ্ছে। যেটা মনে হচ্ছে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস এবং এস এ পরিবহন একজন আরেকজনের কম্পিটিটর হয়ে মার্কেটে কাজ করছে এখন। তবে এটি সাধারন পাবলিকের জন্য ভালো। মার্কেটে কোম্পানিগুলোর যত বেশি কম্পিটিশন হবে ততো বেটার সার্ভিস পাবে সাধারণ জনগণ। সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস এবং এস এ পরিবহন ছাড়াও বাংলাদেশে আরও কয়েকটি কুরিয়ার সার্ভিস প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে কন্টিনেন্টাল কুরিয়ার সার্ভিস এবং করতোয়া কুরিয়ার এন্ড পার্সেল।
সত্যি কথা বলতে এদের কার্যক্রম আমার এখন পর্যন্ত চোখে পড়েনি। হতে পারে আমার শহরে এদের সার্ভিস এখনো চালু হয়নি তবে, বহির্বিশ্বের কুরিয়ার সার্ভিসগুলো যেভাবে উন্নতি সাধন করছে, সেখানে বাংলাদেশের কুরিয়ার সার্ভিসগুলোকে যদি পাবলিক এখনো না চেন তাহলে তাদের ভবিষ্যৎ কেমন হতে পারে।
ইউটিউব ফেসবুক এর কল্যাণে যতটুকু জানি অন্যান্য দেশের কুরিয়ার সার্ভিসগুলো পণ্য ডেলিভারির জন্য ম্যান এর পাশাপাশি এখন রোবট, ড্রোন ইত্যাদির ব্যবহার শুরু করেছে । আর সেখানে বাংলাদেশের অবস্থা চিন্তা করলে দেখা যায় এখানে ডেলিভারি ম্যান হিসেবে যারা কাজ করে তারা খুবই অদক্ষ । তাদের ট্রেনিং এর কোনো এক্সট্রা ব্যবস্থা রাখেনি কোম্পানি কর্তৃক। তাদের কোন ট্রেনিং দেওয়া হয় না। কুরিয়ার সার্ভিস প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে সাধারণ জনগণের ফিজিক্যালি যোগাযোগটি হচ্ছে ওই কোম্পানির ডেলিভারি ম্যান এর মাধ্যমে। এখন ডেলিভারি ম্যান যদি অদক্ষ এবং অপেশাদার আচরণ করে জনগণের সাথে তাহলে সরাসরি কোম্পানির সাথে জনগণের একটি নেগেটিভ দূরত্ব তৈরি হবে। যেটা কোম্পানির জন্য খুবই বাজে ব্যাপার। এ বিষয়গুলোর দিকে প্রতিষ্ঠানগুলোর নজর রাখতে হবে। যেন কাস্টমার স্যাটিসফ্যাকশনে কোন ত্রুটি না থাকে।
এখন আমাদের দেশের কুরিয়ার সার্ভিস গুলোর কোয়ালিটি উন্নয়নের জন্য যে সকল কাজ গুলো তাদের করতে হবে বলে আমি মনে করি, তা হলোঃ- প্রথমে তাদের উচিত পণ্য পরিবহনের কোয়ালিটি বাড়ানো। অনেক সময় দেখা যায় যেভাবে একটি জিনিস তাদের কাছে দেওয়া হয়, হাতে পাওয়ার সময় সেটার অবস্থা বারোটা বেজে যায়। এজন্য পরিবহন ব্যবস্থায় উন্নতি আনতে হবে। এরপর মাঠ পর্যায়ে যারা কাজ করে অর্থাৎ সরাসরি জনগণের সাথে যারা কাজ করে তাদের ট্রেনিং এর মাধ্যমে দক্ষ করে তুলতে হবে। এর পরের ব্যাপারটি হলো প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধীরেধীরে টেকনোলজি নির্ভর হতে হবে। এই তিনটি বিষয়ে উন্নতি সাধন করতে পারলে সার্ভিসগুলো আরো অনেক বেশি মানসম্মত হবে এবং জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পাবে।
আমি যে বিষয়গুলো উল্লেখ করলাম এটা সম্পূর্ণ আমার নিজের মতামত। আমি কুরিয়ার সার্ভিসের একজন কাস্টমার হিসেবে উপরোক্ত বিষয়গুলো অনুধাবন করতে পারছি, আর এজন্যই বিষয়গুলো সম্পর্কে আলোচনা করলাম।
আমি বিশ্বাস করি যে কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা শুরু করলে একটা ভালো ফলাফল আশা করা যায় ফিউচারের জন্য। পরিশেষে বলবো, এ বিষয়গুলো নিয়ে যেহেতু আমার বেশি ধারণা নেই, তাই আলোচনায় অনেক ভুল-ভ্রান্তি থাকতে পারে। তবে আমি একটা বিষয় জোর দিয়ে বলতে পারব যে, বর্তমানে বাংলাদেশের কুরিয়ার সার্ভিস প্রতিষ্ঠানগুলোর মান যথেষ্ট খারাপ। তাদের এখনই সময় নিজেদের মানোন্নয়নে সচেষ্ট হওয়া। ধন্যবাদ। আল্লাহ্ হাফেজ।
250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |

ভাই কিছু করেন নাই উন্নত মানের কান্ট্রি গুলোতে যা এখন হচ্ছে তা আমাদের দেশে 50 থেকে 100 বছর পরে হয়ে থাকে। আমরা অনেক কিছুতেই আসলে পিছিয়ে থাকি তার একটি কারণ হচ্ছে আমাদের যারা বুদ্ধিজীবী তারা নিজেরাই কতটুকু বুঝে তারা নিজেরাও জানেনা হাহাহাহা। আমি যেহেতু অনলাইন ভিত্তিক কাজ করি আমার কুরিয়ার সার্ভিস এর সাথে খুব বেশি সম্পর্ক রয়েছে। এস এ পরিবহনে একটু টাকা বেশি লাগে তবে ওদের সার্ভিস টা খুবই চমৎকার। তবে অনেক দিক বিবেচনা করে আমার কাছে সুন্দরবন এর সার্ভিসটা বেশি ভালো লাগে কারণ ওদের এখানে ঝামেলা খুবই কম থাকে
আসলে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের সাথে পরিচিত আমাদের দেশের মানুষ অনেক আগে থেকেই। এরা যদি নিজেদের মান উন্নয়নের দিকে যথেষ্ট নজর দেয় তাহলে জনপ্রিয়তার শীর্ষে থেকে এদেরকে কেউ নামাতে পারবেনা। কারণ ব্রান্ড ভ্যালুর দিক থেকে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস অনেক এগিয়ে ।
আমার ভাই ও রাজশাহী থাকে,তার প্রয়োজনীয় পেপার আদান প্রদান করা হয় সুন্দর বন কুরিয়ার। মাঝে মাঝে কিছু লোকেশনের ব্যবহার এত খারাপ হয়,মনে হয় তারা ফ্রি তে কাজ করছে।তবে আমি মনে করি কুরিয়ার এর ক্যালানে গ্রীস্মের সময় রাজশাহী,চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর সুস্বাদু আম এবং লিচু খেতে পারি, ঢাকায় বসে।
হ্যাঁ এটা আমাদের অনেক উপকারে আসে। কিন্তু এটার সার্ভিস আরো উন্নতি করা প্রয়োজন।
জি ভাইয়া আপনি ঠিকই বলেছেন তবে কুরিয়ার সার্ভিসগুলো আসলে সে ভাবে তাদের মানোন্নয়নে কোনরকম পদক্ষেপ নেয় না। বর্তমানে তারা জনগণের কথা চিন্তা না করে শুধু নিজেদের প্রফিটের কথাই চিন্তা করে, যার কারণে তাদের দিনদিন সার্ভিসের কোয়ালিটি খারাপ হয়ে যাচ্ছে। এটা খুবই খারাপ একটা ব্যাপার। এই কিছুদিন আগে আমাকে একটা লোক বলছিল যে ভাই এসএ পরিবহনে কিছু কাগজপত্র পাঠিয়ে ছিলাম কিন্তু কাগজগুলো সময় মতো তো দূরের কথা আর পেলামই না। তারাও তাদের এখানে খুঁজে পাই নাই। মাঝে মধ্যে এরকম অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাগুলো ঘটে থাকে যেগুলো কোনোভাবেই কাম্য নয়। এত গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট যদি না পাওয়া যায় সেটা তাদের হয়তো কোনো সমস্যা নেই, কিন্তু সেই কাস্টমার গুলো পাঠিয়েছে তার জন্য বিরাট একটা ক্ষতি হয়ে দাঁড়াতে পারে। অসংখ্য ধন্যবাদ খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
কাস্টমারের পেপারস হারিয়ে ফেলার বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। এ বিষয়ে তাদের আরো সতর্ক হওয়া উচিত।
আপনি যথার্থই বলেছেন শ্রদ্ধেয়, গতানুগতিক বিশ্বের কুরিয়ার এর সাথে আমাদের দেশের কুরিয়ার ব্যবস্থা খুবই লাজুক। যদিও অনেক কুরিয়ার দক্ষতার সাথে কাজ করে যাচ্ছে তবুও বেশিরভাগ কুরিয়ার থেকেই সন্তোষজনক সেবা পাওয়া যাচ্ছে না। বিশেষ করে ডেলিভারিম্যানের আচরণ প্রশ্নবিদ্ধ। এ সকল প্রতিষ্ঠানের মানোন্নয়ন করা এখন সময় উপযোগী প্রশ্ন। আপনি ব্যক্তিগতভাবে যেসকল মতামত দিয়েছেন সেটার অনুশীলন প্রতিটি কুরিয়ার কোম্পানির জন্যেই জরুরী। ধন্যবাদ শ্রদ্ধেয়, বাংলাদেশ কুরিয়ার সার্ভিস নিয়ে খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনা করার জন্য।
জি ভাই,,, আপনি সঠিক বলেছেন। এখনই সময় তাদের মানোন্নয়নের দিকে নজর দেওয়ার।
ধন্যবাদ শ্রদ্ধেয়, পরামর্শমূলক এমন গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করার জন্য।
এই কুরিয়ার সার্ভিস আমাদের বর্তমান সময়ের জন্যে অনেক বেশি উপকারী। দূর দূরান্তের কোনো পণ্য আমরা সহজেই হাতের কাছে পেয়ে যায়। তবে এর উপকারিতা কথা চিন্তা করে অবশ্যই আরো উন্নত করা উচিত।
ঠিক বলেছেন আপু।।। এদের কোয়ালিটি কে উন্নতি করা এখন খুবই জরুরী ।
আমি সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস ব্যবহার করিনি কখনো। তবে আমি একটা সার্ভিস ব্যবহার করেছি সেইটা হচ্ছে রেড এক্স। এই সার্ভিস ব্যবহার করতে গিয়ে প্রচুর ভুগান্তিতে পড়েছিলাম। আমার পন্য হাতে পেতে ৯ দিন সময় লেগেছিলো। যেখানে সর্বোচ্চ দুই দিনে ডেলিভারি দেওয়ার কথা ছিলো। এই বিষয় টা তখনই খারাপ লাগে যখন কোনো সার্ভিস করার পর আশানুরূপ ফল না পাওয়া যায়।
আসলে আমিও আপনার কথার সাথে একমত বাংলাদেশের কুরিয়ার সার্ভিসগুলোর কাজের মান বাড়াতে হবে। অন্য দেশের সাথে তুলনা করলে বাংলাদের এই সব সার্ভিসগুলো খুবই বাজে বলা যেতে পারে। আর হ্যা, সব সময় দক্ষ্য কর্মী দিয়ে কাজ সম্প্রদান করতে হবে।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ খুবই সুন্দর একটি বিষয় আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বর্তমানে কুরিয়ার সার্ভিস বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। তবে অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের কুরিয়ার সার্ভিস এখনো ততটা উন্নত হয়ে ওঠেনি। আমি আপনার মতামতের সাথে একমত যে যারা কুরিয়ার সার্ভিসে কর্মী হিসেবে রয়েছে তাদেরকে অবশ্যই দক্ষ হতে হবে। কারণ ভালো দক্ষতা থাকলে ভাল সেবা প্রদান করতে সক্ষম হবে। কুরিয়ার সার্ভিসে টেকনোলজি ব্যবহার করলে আরও বেশি উন্নত হবে। এর ফলে জনগণ ভালো সেবা পাবে এবং সন্তুষ্ট থাকবে। যত বেশি কুরিয়ার সার্ভিস প্রতিষ্ঠান চালু হবে সার্ভিসের গুনগতমান ধীরে ধীরে আরও বেশি বৃদ্ধি পাবে। কারণ এই প্রতিযোগিতার বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে নিজেদের কোয়ালিটি অবশ্যই বাড়াতে হবে। অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি ভাইয়া।
হ্যাঁ ভাইয়া আপনি সব সময় ভালো কিছুই আমাদেরকে উপহার হিসেবে দিয়ে আসেন এবং কি নতুন কিছু টপিকস নিয়ে আসেন। আপনার টপিকস থাকে আমার বাংলা ব্লগের আমার মত সদস্যদের জন্য শিক্ষণীয় কিছু বিষয়, হ্যাঁ ভাই আপনি ঠিকই বলেছেন আমিও কুরিয়ার সার্ভিস এর সুবিধা ভোগ করেছি। এবং ভোগান্তিও সৃষ্টি হয়েছিল। আর আপনার কথাই ১০০% সত্য কুরিয়ার সার্ভিসে অনেক সময় অনেক মালামাল মানসম্পন্ন থাকেনা অবস্থা খুবই খারাপ থাকে যা দেখে নিজের কাছে হতবাক হয়ে যেতে হয়। আর বিশেষত্ব প্রথম প্রথম তারা যেভাবে কাস্টমারের মাল এবং কাস্টমারকে মূল্যায়ন করেছে বর্তমানে এর অবস্থা খুবই খারাপ। আর আপনি কুরিয়ার সার্ভিস ডেভলপের জন্য যে বিষয়গুলো সম্পর্কে আলোচনা করেছেন সেগুলো যদিও কোম্পানিগুলো নজরে আসে এবং ওই পদক্ষেপগুলো নেয় তাহলে কাস্টমারদের আগ্রহ যেমন বাড়বে তেমনি কুরিয়ার সার্ভিসের কোম্পানীর জন্য অনেক লাভবান হবে। আর এত সুন্দর একটি টপিকস আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপনার প্রতি রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা এবং ভালোবাসা অবিরাম।
এক দিক দিয়ে বলতে গেলে আমাদের জীবনের গতিপথে এই কুরিয়ার সার্ভিস অনেক উপকারী হয়ে গেছে।দূরদূরান্তের পণ্য আমাদের নিকট অতি সহজে পৌছে দিচ্ছে।আপনার আজকের পোস্ট পড়ে মনে হলো যে সত্যিই আমরা কতটা উন্নতি লাভ করলাম,ভবিষ্যতেও এভাবে আরও উন্নত দেশ গড়তে পারব।ধন্যবাদ ভাইয়া,আমাদের সাথে এই বিষয়টি শেয়ার করার জন্য।