অনাকাঙ্ক্ষিত সড়ক দুর্ঘটনা
দুর্ঘটনা আসলে বলে আসে না, হঠাৎ করেই অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে হয়ে যায়। প্রতিনিয়তই প্রয়োজনের তাগিদে রাস্তাঘাটে চলাচল করতে হয়, তবে সত্যিকার অর্থে প্রধান সড়ক গুলো যেন একেকটা মৃত্যু ফাঁদ। কখন কে পা পিছলে সেই ফাঁদে পড়ে যাবে তা বলা ভীষণ মুশকিল।
তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে আবার আমরা নিজেরাই সড়ক গুলোকে মৃত্যু ফাঁদে পরিণত করি। তাছাড়া যথেষ্ট সচেতনতার অভাব কিংবা সড়ক ব্যবস্থার বিষয় আর নাইবা বললাম, সেটা আপনারা খুব ভালোভাবেই জানেন। থাক সেসব কথা, মূল ঘটনায় চলে আসি।
গতকাল সন্ধ্যা বেলার দিকে, আমি আর ছোট সাফি মোটর বাইকে চড়ে যখন প্রধান সড়ক দিয়ে বাড়িতে ফিরছিলাম , তখন যাত্রাপথে হঠাৎই অনাকাঙ্ক্ষিত সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হই। যেহেতু আমাদের দুজনের মাথায় হেলমেট পড়া ছিল তাই তেমন আঘাত পাইনি মাথায়, তবে শরীরের অন্যান্য অংশ বেশ ভালই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে । যদিও কোথাও ভেঙে যায়নি, তবে কাটাছেঁড়া হয়েছে কয়েক জায়গায়।
ধীর গতিতেই বাইক নিয়ে আসছিলাম, যেহেতু মোটরবাইক খুব একটা ভালো চালাতে পারি না, তাই সাফি চালাচ্ছিল। রাস্তার উপর যে সরিষা শুকাতে দেওয়া হয়েছিল, তা আর কেউ খেয়াল করিনি। হঠাৎ করে ব্রেক কষতেই, একদম চাকা পিছলে মোটরবাইকের ব্যালেন্স হারিয়ে সজোরে রাস্তার উপর পড়ে যাই।
মুহূর্তের মধ্যেই ঘটে যায় এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। কোনরকমে রাস্তায় দাঁড়িয়ে নিজেদের অবস্থা যখন দেখার চেষ্টা করছিলাম, তখন ভীষণ খারাপ লাগছিল। আমার থেকে সাফি আরও বেশি আঘাত পেয়েছে , অবশেষে ওকে নিয়ে দ্রুত হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম এবং ট্রিটমেন্ট নিয়ে পরে বাড়ি ফিরে এসেছিলাম।
আমি অবাক হয়ে যাই, এত জায়গা থাকতে রাস্তার উপরে কেনো সরিষা শুকাতে দিতে হবে। যদিও পরবর্তীতে যারা রাস্তার উপরে সরিষা শুকাতে দিয়েছিল, তাদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেছিলাম, তবে তাদের কথা বলার ধরন দেখে মনে হল, তারা যে রাস্তার উপর সরিষা শুকাতে দিয়েছে এই বিষয়টা খুবই স্বাভাবিক। ভীষণ ব্যথিত হয়ে গিয়েছি, রাস্তার উপর সরিষা শুকাতে দেওয়া মানুষের আক্কেল জ্ঞান দেখে।
ডিসকর্ড লিংক
https://discord.gg/VtARrTn6ht
250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |

VOTE @bangla.witness as witness

OR
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
এমনি রাস্তাঘাটে দুর্ঘটনা এড়ানো যাচ্ছে না। তার উপর আবার যদি রাস্তার উপরে সরিষা শুকাতে দেয়, তাহলে বিষয়টা এমন হলো আগুনে ঘী ঢেলে দেওয়ার মত। মানুষের আর আক্কেল জ্ঞান হবে না। আপনার দুর্ঘটনার কথা শুনে ব্যাতিত হলাম। আশা করি তারাতারি সুস্থ হয়ে যাবেন।
আপনার মন্তব্যের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি ভাই।
এই ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা সত্যিই দুঃখজনক এবং চিন্তার বিষয়। রাস্তায় এমন অসচেতনতা যে কত বড় বিপদের কারণ হতে পারে, তা অনেকেই বুঝতে চায় না। প্রশাসনের উচিত এ ধরনের অসচেতন কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া। আশা করি, আপনি ও সাফি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন।আল্লাহ আপনাদের মঙ্গল করুক।আপনাদের জন্য শুভকামনা রইল ভাই।
এসব মানুষের আসলে কখনই আক্কেল হবে না ভাই, ওদের যুক্তি দেখলে মাথা খারাপ হয়ে যাবে।
কিছু কিছু মানুষের আক্কেল জ্ঞান দেখলে আসলেই অবাক হয়ে যাই। দুনিয়ার মধ্যে এতো জায়গা থাকতে রাস্তার মধ্যে সরিষা শুঁকানোর দরকার কি ছিলো সেটাই বুঝলাম না। আসলে তারা রাস্তা ঘাট গুলোকে একান্ত নিজের মনে করে। তাই তাদেরকে কিছু বলতে গেলেও জ্বালা। যাইহোক পরবর্তীতে বাইক নিয়ে বের হলে আরও সতর্কতা অবলম্বন করবেন ভাই। আপনার জন্য শুভকামনা রইলো।
হ্যাঁ ভাই, একদম সচেতন ও সতর্ক থাকার কোন বিকল্প নেই।
আসলে রাস্তা তো কারোর ব্যক্তিগত না৷ তাই মানুষ যেমন খুশি তেমনই ব্যবহার করে৷ আমাদের গ্রামের দিকেও এই দৃশ্য দেখা যায়৷ কি করা যাবে বাঙালির কিচ্ছু স্বভাব কোনভাবেই বদলায় না৷ কিন্ত এর ফলে আপনাদের ক্ষতি হল দেখে খুবই খারাপ লাগছে৷ সরষের ওপর দিয়ে বাইক তো স্কিট করবেই। সাবধানে থাকুন। তাড়াতাড়ি ভালো হয়ে যান৷
বেশ ভালোই আঘাত পেয়েছি, সুস্থ হতে কিছুটা তো সময় লাগবেই, আপনার মন্তব্যে বেশ যুক্তি আছে।
গ্রাম দিকে এমন অনেক কিছুই রাস্তায় শুকাতে দেখা যায়। কেন তারা এমনটা করেন আমার জানা নেই।যাক মাথায় হেলমেট পরা ছিল বলে তেমন ক্ষতি হয়নি।দুজনের সুস্থতা কামনা করছি।
ওহ ভাইয়া ,এখনকার মানুষের যে কি পরিমাণ বুদ্ধি আপনি কল্পনা করতে পারবেন না ভাইয়া!আসলে ওই মানুষগুলো সরিষাগুলি এমনি এমনি রোদ দেয়নি,শুকানোর সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন যানবাহনের নীচে পড়ে যাতে মাড়াইও হয়ে যায় সেজন্যও দিয়ে থাকে ভাইয়া।আমাদের এখানেও কিছু মানুষ মেইন রোডের উপর ধানসহ বিচুলি রোদ দিয়ে থাকে।এতে যে কারো ক্ষতি হতে পারে তাতে তাদের বিন্দুমাত্র ভাবনায় আসে না, যাইহোক কাটাছেঁড়ার উপর দিয়ে গিয়েছে এটাই ঈশ্বরের কৃপা।শুভকামনা রইলো ভাইয়া আপনার জন্য।