আমার সেন্টমার্টিন বেড়াতে যাওয়ার অভিজ্ঞতা
হ্যালো বন্ধুরা আমার নাম আশীষ বড়ুয়া। আমার বাড়ি চট্টগ্রাম জেলার, রাঙ্গুনিয়া থানার, কলকুরমাই গ্রামে অবস্থিত। আমি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করি। চাকরির সুবাদে আমার পরিবার নিয়ে আমি কক্সবাজার ছিলাম। তখন আমার পরিবার অর্থাৎ আমার স্ত্রী সন্তান এবং আমার ভাইরা মিলে আমি সেন্টমার্টিন বেড়াতে যায়। যেহেতু সেন্টমার্টিন যেতে হলে টেকনাফ হয়ে যেতে হয়, আমি ছিলাম কক্সবাজার তাই এই মাঝখানের পথ অতিক্রম করার জন্য খুব সকালে কক্সবাজার থেকে রওনা করতে হয়। আমি এর আগের দিনই একটি গাড়ি ভাড়া করেছিলাম কক্সবাজার থেকে টেকনাফ যাওয়ার জন্য। আমরা যথারীতি খুব সকালবেলা আমাদের গন্তব্যে রওনা হই এবং সকাল আনুমানিক 8.30 এর দিকে টেকনাফ গিয়ে পৌঁছি।
https://www.youtube.com/shorts/xjoXn1HWpOg
সেখান থেকে জাহাজ 9.00 টা বাজে রওনা করি সেন্টমার্টিন উদ্দেশ্যে। রওনা করার পর এক পাশে মায়ানমার আর এক পাশে বাংলাদেশে, মাঝখান দিয়ে আমাদের জাহাজ সেন্টমার্টিন উদ্দেশ্যে রওনা করল। প্রায় দেড় ঘন্টার মত জাহাজ চলার পর আমরা মেইন সমুদ্রে গিয়ে পৌঁছে যাওয়ার পর দেখি জাহাজের চারপাশে পানি আর পানি। আর জাহাজের চারপাশে অতিথি পাখিরা শুধু খাবারের জন্য উড়াউড়ি করছে। কেউ তাদেরকে চিপস কিনে দিচ্ছে কেউ তাদেরকে বিস্কুট বা অন্য কোন খাবার। আমি ও পাখিদের চিপস খাওয়ালাম। পাখিগুলো এত শিকারি যে খাবার দিলে তারা ছুমেরে উপর থেকে নিয়ে যেতে পারে। আর আমরা যতক্ষণ জাহাজে ছিলাম পাখিগুলো আমাদের সাথে ছিল। জাহাজে মাঝেমধ্যে এমন ভাবে সমুদ্রের পানির ঢেউ এসে লাগে পানি, জাহাজের উপরে উঠে আসে। তখন মনে হয় এই বুঝি জাহাজ ভেঙে পড়ে গেলাম। মনের মধ্যে ভয় লেগে ওঠে। আমার পরিবার ভাইয়েরা সবাইকে নিয়ে খোদার অশেষ রহমতে বারোটার সময় সেন্টমার্টিন গিয়ে পৌঁছি।
সেন্ট মার্টিন কি জন্য বিখ্যাত
সেন্টমার্টিন হচ্ছে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ প্রবাল দ্বীপ। এখানে প্রবাল দেখার জন্য পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গা থেকে দর্শনার্থীরা সেন্টমার্টিন আসে। অথচ আমরা অনেকেই আমাদের এই বাংলাদেশ থেকেও তা দেখার সুযোগ মেলে না। কারণ কথায় আছে (ঘরের গরু ঘরের পাশে রাস্তার ঘাস খায়না)। আমাদের দেশে অবস্থিত তাই যাব যাব করে আর যাওয়া হয় না।
সেখানে পৌঁছার পর আমাদের টাইম বলে দেয় আপনারা তিন ঘন্টা বেড়াতে পারবেন। আমরা ওখানে যাওয়ার পর হোটেলে সমুদ্রের বিভিন্ন প্রকার মাছ খেলাম। শুটকি কিনলাম যারা সেন্টমার্টিন গিয়ে সমুদ্রের মাছ খাইনি বা শুটকি খাই নি তারা সেন্ট মার্টিনটাকে উপভোগ করতে পারে নাই। এরপর আমরা সবাই মিলে সমুদ্রে স্নান করলাম। প্রবাল পাথরের উপর দিয়া হাটলাম ছবি উঠালাম। ছাতার নিচে বসে আমরা সবাই দুপুরের লাঞ্চ খেলাম। এখানে বলে রাখা ভাল আমরা সেন্টমার্টিনে দুপুরে খাওয়ার জন্য বাসা থেকে বিরিয়ানি রান্না করে নিয়ে গিয়েছিলাম।
ছবি উঠানো ও গোসল করতে করতে কখন যে সময় পেরিয়ে গেল বুঝতেও পারি নাই হঠাৎ করে দেখি আর মাত্র ৩০ মিনিট বাকি আছে। তখন তাড়াহুড়া করে জাহাজের উদ্দেশে রওনা করলাম। আমরা জাহাজে পৌঁছার আগে আগে জাহাজ থেকে ফোন দিয়েছিল, বলছিল তাড়াতাড়ি আসেন না হলে আমাদেরকে রেখে চলে যাব। আমরা তখন দৌড়ে গিয়ে জাহাজে উঠি। আর যদি এক মিনিট দেরি হতো তাহলে হয়তো আমরা জাহাজে করে ফিরতে পারতাম না। তাই আমাদের সকলের উচিত, যদি সেন্টমার্টিন বেড়াতে যায় তাহলে সময় নিয়ে যেতে হবে যেন একদিন সেন্টমার্টিন রাত্রি যাপন করতে পারে। তাহলে ভালোমতো সেন্টমাটিন ভালো করে দেখা সম্ভব। অন্যতায় তাড়াহুড়ো করে কোনটাই ভালো করে দেখা হবেনা। শুধু যাওয়া এবং আসা টাই হবে।
ধন্যবাদ।
ক্যামেরা পরিচিতি
tecno spark mobile
Thank you for sharing such an interesting content with us. Stay active – write posts, comment, interact with others and enjoy .
JOIN WITH US ON DISCORD SERVER:
I've been trying to fill out the captcha for a while but to no avail. New captchas are coming again and again. What is the reason for this? What do I do now?
ও ভাই মারো মুজে। সেন্টমার্টিনে আপনারা মাত্র তিন ঘন্টার জন্য গিয়েছিলেন। আপনারা তো সেখানকার প্রাকৃতিক দৃশ্য এবং দর্শনীয় জায়গা এবং ছেঁড়া দ্বীপ ভ্রমণ করতে পারেননি। আমরা সেখানে তিন দিন ছিলাম এবং সেন্টমার্টিনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করেছিলাম। যাইহোক আপনার ভ্রমণ কাহিনী অনেক সুন্দর ছিল।
সেইটাই তো বুঝতে ভুল করেছি। তাই থাকতে পারিনি।
এক টিকিটে যাওয়া আসা। ১দিনের রুম ভারা ১৫০০ টাকা, দুই দিন থাকলে অনেক জায়গা ঘুরতে পারতেন। আমরা মনে করেছিলাম এটা মনে হয় ছোট দ্বিপ। আসলে ওটা একটা বড় ইউনিয়ন, আমরা ৩ দিনেও ভালো ভাবে ঘুরতে পারিনাই।
বুঝতে পারি নাই, তাই এভাবে মিস করলাম।
সমস্যা নাই আবারো হবে
জি, দোয়া করবেন।
গেলে আমাক বলবেন আমিও যাবো। ক্যামেরা মেনের কাছে৩০ টাকা পাবো।🥺🥺🥺🥺🥺
😃😃
অনেক সুন্দর কিছু মূহূর্ত কাটিয়েছেন সেন্টমার্টিনে। শুভকামনা রইল !
ধন্যবাদ