মেয়ের জন্মদিনের পায়েস রেসিপি❤️
হ্যালো
তো চলুন দেখা যাক রেসিপিটি কেমন।
আজ আমার মেয়ের জন্মদিন। আর সনাতনীদের জন্মদিন মানেই মায়ের হাতের পায়েস দিয়ে জন্মদিন পালন।কালের পরিবর্তনে এখন কেক কেটে জন্মদিন পালন করে থাকি আমরা সবাই।আনন্দ উদযাপন করি কিন্তুু প্রথমে কিন্তুু মায়ের হাতের পায়েসটি মুখে তুলি।তাই আমিও ছোটবেলা থেকে দেখেও শুনে এসেছি যা তাই করি মেয়ের জন্মদিনে। প্রথমে ওকে পায়েস খাওয়াই।তারপর বাকি সব আয়োজন।
পায়েসর চাল |
---|
পাটালিগুড় |
দুধ |
কাজু বাদাম |
কিসমিস |
প্রথম ধাপ
প্রথমে গরুর খাটি দুধ নিয়েছি এর পর একটি পাত্রে দুধ গুলো দিয়ে চুলায় বসিয়েছি ও দুধ গুলো ফুটিয়ে নিয়েছি।
দ্বিতীয় ধাপ
দুধ গুলো ভালো করে ফুঁটানো হয়ে গেছে তাই আগে থেকে পায়েসের জন্য ধুয়ে রাখা চাল গুলো দিয়েছি দুধে।
তৃতীয় ধাপ
চাল গুলো সব দেয়ার পর নারাচারা করে নিয়ে কাঁজু বাদাম গুলো দিয়েছি।
চতুর্থ ধাপ
এখন নারাচারা করে করে চাল গুলো সিদ্ধ করে নিয়েছি এবং পাটালিগুড় ও কিসমিস দিয়ে ভালো করে নারাচারা করে মিশিয়ে নিয়েছি গুড় গুলো।
পঞ্চম ধাপ
এই তো পুরাপুরি ভাবে হয়ে গেলো মেয়ের জন্য তৈরি করা পাটালিগুড়ের পায়েস রেসিপিটি।তাই নামিয়ে নিয়েছি।
পরিবেশ
এই ছিলো আমার মেয়ের জন্মদিনের মজাদার পায়েস রেসিপি।আশা করছি আপনাদের ভালো লাগবে।আজ এখানেই শেষ করছি।আবারও দেখা হবে অন্য কোন পোষ্টের মাধ্যমে সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন নিরাপদে থাকুন।
টাটা
পোস্ট | বিবরণ |
---|---|
পোস্ট তৈরি | @shapladatta |
শ্রেণী | রেপিসি |
ডিভাইস | OppoA95 |
লোকেশন | গাইবান্ধা, বাংলাদেশ |
আমি হৈমন্তী দত্ত। আমার স্টিমিট আইডিরঃshapladatta. জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী। শখঃবাগান করাও নিরবে গান শোনা,শপিং করা। ভালো লাগে নীল দিগন্তে কিংবা জোস্না স্নাত খোলা আকাশের নিচে বসে থাকতে।কেউ কটূক্তি করলে হাসি মুখে উড়িয়ে দেই গায়ে মাখি না।পিছু লোকে কিছু বলে এই কথাটি বিশ্বাস করি ও সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি।বিপদকে ও অসুস্থতার সাথে মোকাবেলা করার সাহস রাখি সহজে ভেঙ্গে পরি না। সবাইকে নিয়ে ভালো থাকার চেষ্টা করি আর মনে প্রাণে বিশ্বাস করি পর হিংসা আপন ক্ষয়। ধন্যবাদ ।
প্রথমে আপনার মেয়ের জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন জানাই । পায়েস আমার খুব পছন্দের। আসলে পায়েস খেতে আমার খুব ভালো লাগে। আজ আপনি খুব সুন্দর করে অত্যন্ত চমৎকার ভাবে পায়েস তৈরি করেছেন বেশ দুর্দান্ত হয়েছে। রন্ধন প্রক্রিয়া চমৎকার ভাবে উপস্থাপন করেছেন। বিশেষ করে পাটালিগুড় এবং কাজু বাদাম দেওয়াতে খেতে বেশ মজাদার এবং সুস্বাদু হবে। এত সুন্দর রেসিপি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।
আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ।
আপনার মেয়েকে জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা দিদি। আসলেই জন্মদিনে পায়েস মাস্ট, ওটা থাকতেই হবে খাবারের তালিকায়। পাটালি গুড় দিয়ে খুব সুন্দর ভাবে পায়েসের রেসিপিটি তৈরি করেছেন দিদি। খুব লোভনীয় দেখাচ্ছে রেসিপিটি। আপনার মেয়ের নিশ্চয়ই খুব ভালো লেগেছিল এটি খেতে।
উপলক্ষ মেয়ের কিন্তুু খেতে হয়েছে আমাকে কিচ্ছু খেতে চায় না।
প্রথমে আপনার মেয়েকে জানাই তার জন্মদিন এর অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
আজকে তার জন্মদিন উপলক্ষে আপনি যে পায়েস তৈরি করেছেন তা দেখে অনেক সুস্বাদু মনে হচ্ছে৷ পায়েস খেয়েছি অনেক দেরি হয়েছে৷ আজকে আপনার কাছ থেকে এই পায়েসের রেসিপিটি দেখে মুখে পানি চলে আসলো৷ অসংখ্য ধন্যবাদ এই রেসিপিটি শেয়ার করার জন্য৷
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ সুন্দর কমেন্ট করার জন্য ও জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানোর জন্য।
প্রথমেই আপনার মেয়েকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাই আপু।মেয়ের জন্মদিনে পায়েস রান্না করেছেন আপু। গুড়ের তৈরি পায়েস গুলো খেতে ভালো লাগে আমার।দুধের পরিমাণ টাও ঠিক আছে।দেখে মনে হচ্ছে খেতে সুস্বাদু ছিল অনেক পায়েস টি।ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
আপনাকেও ধন্যবাদ।হ্যাঁ অনেক সুস্বাদু হয়েছিল পায়েস।
মেয়ের জন্মদিন উপলক্ষে পায়েস রান্না করেছেন জেনে ভালো লাগলো, পায়েস ঘোরাঘুরি আমার কাছে অনেক বেশি সুস্বাদু লাগে। বিশেষ করে এই পায়েস শীতের সময় খেতে সবথেকে বেশি সুস্বাদু আর ফ্রিজে রেখে খেলে তো আর কোন কথাই নেই। ধন্যবাদ আপনাকে মজাদার এই পায়েস রান্নার রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
ঠিক বলেছেন আপনি ফ্রিজে রেখে খেতে খুব ভালো লাগে খেজুর গুড়ের পায়েস।
পাটালিগুড় ও খাটি গরুর দুধ দিয়ে পায়েস রান্না করেছেন। দেখতে এত বেশি লোভনীয় লাগছে যে দেখেই খেতে ইচ্ছে করছে। আপনার মেয়ে জন্মদিন উপলক্ষে পায়েস রান্না করেছেন দেখে খুবই ভালো লাগলো। পায়েস খেতে আমার অনেক বেশি ভালো লাগে। আপনার পায়েসের মধ্যে পাটালিগুড় দেওয়াতে অনেক বেশি সুস্বাদু লাগছে।
হ্যাঁ পাটালিগুড় দেয়াতে খুব সুস্বাদু হয়েছিল পায়েস গুলো।
অনেকদিন হলো গুড়ের পায়েস খাওয়া হয়না। আপনার রেসিপি দেখে খুবই খেতে ইচ্ছে করছে বেশ লোভনীয় লাগছে। মেয়ের জন্য অনেক অনেক শুভকামনা এবং ভালোবাসা রইলো।