গ্ৰাম্য মেলায় একদিন
আমি @riyadx2 বাংলাদেশ থেকে
শুক্রবার, ০৭ ই মার্চ ২০২৫ ইং
গ্ৰামের মেলা একটু ভিন্ন রকম হয়ে থাকে।আর শহরের তুলনায় গ্ৰামের মেলা একটু বেশি জমজমাট হয়ে উঠে। যারা গ্ৰাম এলাকার মধ্যে বসবাস করে থাকেন তারা হয়তো প্রত্যেকেই এই বিষয়ে অবগত আছেন। যারা এখন পর্যন্ত কোন দিন গ্ৰামীন মেলা গুলোর মধ্যে যাননি তারা অবশ্যই গ্ৰামের মধ্যে অনুষ্ঠিত হ ওয়া মেলা গুলোর মধ্যে যাওয়ার চেষ্টা করবেন।গ্ৰামের মেলা গুলোর মধ্যে গ্ৰামের সর্বস্তরের মানুষ মেলা গুলো উপভোগ করার চেষ্টা করে।গ্ৰামের এলাকার কৃষক থেকে শুরু করে চাকুরীজীবি মানুষ পর্যন্ত এই মেলা গুলোর মধ্যে অংশগ্রহণ করে। এটা আসলেই আমার কাছে অনেক বেশি ভালো লাগে। আমাদের দেশের গ্ৰাম এলাকা গুলোর মধ্যে খুবই কম পরিমাণে মেলা অনুষ্ঠিত হয়।আর যে কয়েকটি মেলা গ্ৰাম এলাকার মধ্যে অনুষ্ঠিত হয় সেসব মেলা বেশ দারুন জমে উঠে।
বেশ কিছুদিন আগে আমাদের এলাকার পাশে একটি মাজার শরীফের মধ্যে একটি বাৎসরিক প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছিল। প্রায় প্রতি বছরই এই মাজারের মধ্যে বাৎসরিক প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়। তবে, করোনা ভাইরাসের কারণে বেশ কয়েকটি বছর হয়নি। তবে, অনেক কয়েকটি বছর পর এবার হয়েছিল বাৎসরিক প্রোগ্রাম টি। যাইহোক, আমাদের রংপুর জেলার মধ্যে যে কয়েকটি বড় বড় মাজার শরীফ রয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে এই মাজার শরীফ টি।গত কয়েকদিন আগে আমরা গিয়েছিলাম এই মাজারের বাৎসরিক প্রোগ্রামের মধ্যে। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও বেশ জমজমাট হয়ে উঠেছিল এই মাজারের বাৎসরিক প্রোগ্রাম টি। আসলে এই মাজার শরীফ টি গ্ৰামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবস্থিত।
প্রতি বছর যখন এই মাজারে বাৎসরিক প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয় , তখন এই মাজারের একপাশে একটি বিশাল মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে যায়। মেলা অনুষ্ঠিত করার জন্য মাজার কতৃপক্ষ একটি বিশাল বড় জমি রেখেছেন। সেখানে শুধু মাত্র প্রতি বছর মাজারের মেলা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া মাঝে মাঝে এই জমির মধ্যে বিভিন্ন ধরনের খেলা ধুলা ও হয়। যাইহোক, দীর্ঘ দিন পর এই জায়গার মধ্যে মেলা অনুষ্ঠিত হ ওয়ায় আমরা গিয়েছিলাম ঘুরতে। মূলত আমরা গিয়েছিলাম মাগরিবের পর। গিয়ে দেখতে পারলাম প্রচুর পরিমাণে মানুষের ভীড় জমে গিয়েছে এই মেলার মধ্যে। আসলে এই প্রোগ্রামের মধ্যে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে লোক আসে।তাই অনেক বেশি ভীড় জমে যায়।
যাইহোক, আমরা মানুষের ভীড় ঠেলে মেলায় প্রবেশ করলাম। মেলায় প্রবেশ করে দেখতে পারলাম বিভিন্ন ধরনের দোকান খামার বসেছে। আমরা প্রথমে বেশ কিছু সময় নিয়ে পুরো মেলার মধ্যে ঘোরাঘুরি করার চেষ্টা করলাম। মেলার ভিতরে ও অনেক টা ভীড় জমে গিয়েছিল। তবু ও আমরা মানুষের ভীড় ঠেলে ঘোরাঘুরি করার চেষ্টা করছিলাম। যেহেতু আমরা সেখানে গিয়েছিলাম ঘোরাঘুরি করার জন্য, তাই ভীড় ঠেলে ঘোরাঘুরি করছিলাম। বেশ কিছুক্ষণ সময় নিয়ে পুরো মেলার মধ্যে ঘোরাঘুরি করার পর বুঝতে পারলাম গত কয়েক বছরের তুলনায় এবছর তুলনামূলক কম দোকান বসেছে। আসলে এবছর তেমন একটা প্রচার হয়নি, তাই খুব একটা বেশি দোকান আসতে পারেনি।
আসলে সেদিন পুরো মাঠের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ধুলোবালি ছিল।আর মেলার মাঠে ঘোরাঘুরি করার সময় আমাদের পুরো শরীরে প্রচুর ধুলোবালি দিয়ে শেষ হয়ে গিয়েছিল। যাইহোক, বেশ কিছুক্ষণ সময় ঘোরাঘুরি করার পর আমাদের পা ব্যথা হয়ে গিয়েছিল।তাই আমরা ভাবলাম যে কিছু খাওয়া দাওয়া করে বাসায় চলে আসবো। এরপর আমরা একটি ভালো হোটেল খোঁজাখুঁজি করতে শুরু করলাম। অবশেষে আমরা একটি খিচুড়ির হোটেল পেয়ে গেলাম। সেখানে প্রায় সব ধরনের খাবার ছিল। আমরা যেহেতু চারজন ছিলাম।তাই আমরা চারজনে চার প্লেট খিচুড়ি অর্ডার করলাম। অল্প কিছু সময়ের মধ্যে আমাদের খিচুড়ি চলে আসে। খাওয়া দাওয়া শেষ করে আমরা বাসায় চলে আসি।
সবাই কে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
Device | iPhone 11 |
---|---|
Camera | 11+11 MP |
County | Bangladesh |
Location | Rangpur, Bangladesh |
Vote@bangla.witness as witness
https://x.com/Riyadx2P/status/1897889350685458513?t=c4aroL5cE61AJCuSQN6hVQ&s=19
আপনারা চারজন মিলে একটা গ্রাম্য মেলায় ঘুরতে গিয়েছেন দেখে ভালো লাগলো। এ ধরনের মেলাগুলোতে কখনো যাওয়া হয়নি। বিভিন্ন রকম বেলুনের ফটোগ্রাফি খুব সুন্দর ভাবে ক্যাপচার করেছেন। শেষে সবাই মিলে খিচুড়ি খেয়েছেন। ঘুরাঘুরির পর একটু খাওয়া দাওয়া করলে ভালোই লাগে। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর মুহূর্তগুলো শেয়ার করার জন্য।
গ্রাম্য এরকম সুন্দর মেলা গুলোতে গিয়ে সময় কাটালে সত্যি খুব ভালো লাগে। আপনি তো দেখছি বেশ ভালোই মুহূর্ত অতিবাহিত করেছিলেন মেলায় গিয়ে। ঘুরাঘুরি করার পাশাপাশি অনেক সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি করেছিলেন দেখছি। সব মিলিয়ে আমার কাছে অনেক বেশি ভালো লেগেছে আপনার কাটানো পুরো মুহূর্তটা।
গ্রাম্য মেলার বর্ণনা পড়ে মনে হলো যেন আমি নিজেই সেই মেলার মাঝে হেঁটে বেড়াচ্ছি! রঙিন দোকান, লোকজ সংগীত এবং গ্রামীণ খাবারের গন্ধ যেন লেখার মাধ্যমে ফুটে উঠেছে। আপনার লেখায় গ্রামীণ জীবনের সৌন্দর্য সত্যিই প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে। সর্বোপরি ধন্যবাদ আপনাকে এতো সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
খুব সুন্দরময় দৃশ্যগুলো আপনি ফটোগ্রাফি করেছেন। এই ফটোগ্রাফি ও বর্ণনা পড়ে অনেক ভালো লাগলো। শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
ঠিক বলেছেন শহরের তুলনায় গ্রামের মেলাগুলো বেশি জমজমাট হয়। কারণ গ্রামের পরিবেশ থাকা অন্যরকম। এটা শুনে ভালো লাগলো আপনাদের ওইখানে কয়েক বছর পরে মেলাটি হল। আর এসব মেলাগুলোতে মানুষের বিড থাকলেও ঘুরতে বেশ ভালই লাগে। আর মেলাতে গেলে বিভিন্ন জিনিস দেখা যায় এবং ভালো অভিজ্ঞতা হয়। ভালো লাগলো আপনার পোস্টটি দেখে।
অনেকদিন মেলায় যাওয়া হয়নি। আজকে আপনার পোষ্টের টাইটেলে মেলা লেখা দেখে ঢুকে পড়েছি। গ্রাম্য মেলা গুলো আমার ভীষণ ভালো লাগে।। মেলায় দেখছি অনেক মানুষ। সব থেকে বেশি ভালো লাগলো প্রথম ফটোগ্রাফি তে ঝিলিমিলি বেলুন গুলো। আপনারা এত ভিড়ের মধ্যেও ঘোরাঘুরি করেছেন জেনে ভালো লাগছে। আমিও কোথাও ঘুরতে গেলে বেশি মানুষ থাকলেও চারিদিকটা দেখার কমতি রাখি না। খুবই ভালো লাগলো ভাইয়া আপনার পোস্ট ধন্যবাদ।
গ্রাম্য মেলার ব্যাপার টাই আলাদা থাকে। যদিও এখন মেলার সেই ঐতিহ্য আর নেই। বেশ দারুণ লাগল আপনার গ্রাম্য মেলার পোস্ট টা। খুবই সুন্দর করেছেন। এবং চমৎকার উপস্থাপন করেছেন পোস্ট টা। সবমিলিয়ে চমৎকার ছিল। ধন্যবাদ আপনাকে।।