জীববৈচিত্র্য
হ্যালো বন্ধুরা, সবাই কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভালো আছেন। সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের ব্লগটি শুরু করছি। |
---|

Image Created by OpenAI
আজকে আপনাদের সাথে একটি সাধারণ লেখা শেয়ার করে নেবো। লেখাটা শিক্ষণীয় বটে। আসলে আজকে আপনাদের সাথে আমাদের পৃথিবীর জীববৈচিত্র্যের অবস্থা নিয়ে লেখা শেয়ার করবো। জীববৈচিত্র্য বলতে আমরা উদ্ভিদ, প্রাণী সবকিছুকেই বোঝাই। কিন্তু বর্তমানে আসলে সত্যি বলতে গেলে সবকিছুই একটা হুমকি বা বিপদের সম্মুখীনে রয়েছে। আমাদের পৃথিবীতে অসংখ্য প্রজাতির উদ্ভিদ এবং প্রাণী রয়েছে, যা আসলে কোনোদিন বলে শেষ করা যাবে না। কিন্তু এইসব প্রজাতিগুলোর মধ্যে অনেকাংশ ধংস বা বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে। আর যা আছে তাও যেন হুমকির মুখে পড়ে আছে। আসলে এইসব যদি আমরা না রক্ষা করি, তাহলে পরবর্তীতে অস্তিত্ব থাকবেনা এইসবের। কিন্তু এইসব জীববৈচিত্র্যের মধ্যে উদ্ভিদ বা প্রাণী, সবকিছুই কিন্তু আমাদের প্রয়োজনে আসে।
জীববৈচিত্র্যের গুরুত্ব অপরিসীম পৃথিবীতে, আর এখন বর্তমানে যা পরিস্থিতি তাতে করে আরো প্রয়োজন প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রাখতে গেলে। কারণ প্রকৃতির যে একটা নিজস্ব ভারসাম্য আছে, তা ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে আর তার প্রমান আমরা হাতেনাতে পাচ্ছি। আমাদের জীবনযাত্রায় এইসব বলতে গেলে একদম অতোপ্রতোভাবে জড়িত। এই যে বর্তমানে বিভিন্ন ধরণের উদ্ভিদ ধংস করা হচ্ছে, এইগুলো আসলে ক্ষতিটা কাদের করছে, নিজেদেরই কিন্তু ক্ষতি করছে যারা এইসব ধংস লীলায় মেতে উঠেছে আর তাদের সাথে সাথে সবাই সেই ক্ষতির ভাগিদার হচ্ছে। গাছপালা, প্রাণী আমাদের বিভিন্ন কাজে লাগে, যেমন, ওষুধ, খাদ্য, বস্ত্র ইত্যাদি সবকিছুই আমরা পেয়ে থাকি এইসবের থেকে। তাছাড়া জীবাশ্ম জ্বালানির উপর যে আমরা নির্ভরশীল, সেটা কিন্তু অনেকটা কমিয়ে আনা যায়।
তাছাড়া একটি সুন্দর, সুষম পরিবেশ থাকতে গেলে এই উদ্ভিদ, প্রাণীর অস্তিত্ব থাকা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এই যে বর্তমানে উদ্ভিদ কেটে বন উজাড় করছে, তারপর বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণীদের শিকার করছে, এতে প্রকৃতির যে জলবায়ু আছে, তা ধীরে ধীরে পরিবর্তন হচ্ছে আর তাতে অনেক সমস্যার কবলেও পড়তে হচ্ছে সবার। আসলে এইসব করা নিষেধ আছে আইনত, কিন্তু তাও এইসব অবৈধ ভাবে সব নিজের স্বার্থে করেই চলেছে। ওই যে বললাম প্রাকৃতিকভাবে কোনো পরিবেশের ভারসাম্য টিকিয়ে রাখায় উদ্ভিদ এবং প্রাণীর একটা গভীর সম্পর্ক রয়েছে। কারণ দেখুন আমরা সবাই জানি যে উদ্ভিদ আমাদের অক্সিজেন প্রদান করে থাক, কিন্তু এই অক্সিজেন যেমন আমরা সহ বিভিন্ন প্রজাতিকূল স্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যমে গ্রহণ করে থাকি, তেমনি প্রাণীরা যে কার্বন ডাইঅক্সাইড উৎপন্ন করে, সেটা কিন্তু আবার উদ্ভিদের ফটোসিন্থেসিসের কাজে লাগে।
উদ্ভিদের ফটোসিন্থেসিস বলে একটা বিষয় আছে, যেটা আপনারা এই বিষয়ে পড়েছেন, তারা বুঝতে পারবেন বিষয়গুলো। কিন্তু মধ্যে কথা হলো সবকিছু বর্তমানে হারিয়ে যেতে বসেছে, অনেক প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে ধীরে ধীরে। এখন থেকে যদি এই শিকার করা, উদ্ভিদ কেটে বনভূমি ধংস করা না থামানো যায়, তাহলে বড়ো সংকট ভবিষ্যতে। অবৈধভাবে শিকার করার জন্য যেমন প্রাণীকুলের অস্তিত্ব নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, তেমনি এইসব বনভূমি ধংসের কারণে যে জলবায়ুর ব্যাপক পরিবর্তন ঘটছে তার বিরূপ প্রতিক্রিয়ার ফলেও ধংস হয়ে যাচ্ছে প্রাণিকুল। এইসব একমাত্র আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার মাধ্যমে বা সচেতনতা বৃদ্ধি করে প্রতিরোধ করা যায়। কারণ এইসব প্রকৃতির সম্পদ, সেটাই আমরা নিজেরাই যদি নিজেদের হাতে ধংস করে চলি, তাহলে কোনো কিছুর অস্তিত্ব থাকবে না পৃথিবীতে।
শুভেচ্ছান্তে, @winkles
250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |




Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
জীব বৈচিত্র্য নিয়ে সুন্দর কিছু অনুভূতি আজ শেয়ার করেছেন দাদা।জীব বৈচিত্র্যের মধ্যে উদ্ভিদ ও প্রানী দুটোকেই বোঝায়।এদের বৈচিত্র্য আমাদেরকে মুগ্ধ করে।এদেরকে টিকিয়ে রাখা আমাদের ই কাজ।এদের অস্তিত্ব কে টিকিয়ে রাখলে আমাদের ও জীবনযাত্রা সুন্দর ভাবে কাটবে এটা বলার অপেক্ষা রাখে না।চমৎকার ভাবে বিষয়টি তুলে ধরার জন্য অনেক ধন্যবাদ দাদা।প্রতিনিয়ত ভিন্ন ভিন্ন ব্লগ পড়ে আমরা অনেক কিছুই জানতে পারছি।ভালো থাকবেন সব সময়।
বাহ্! বেশ শিক্ষণীয় একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন দাদা। আমরা যেভাবে উদ্ভিদ এবং প্রাণী ধ্বংস করছি,এতে করে ভবিষ্যতে আমাদেরকে কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হবে। কারণ প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় উদ্ভিদ এবং প্রাণীর গুরুত্ব অপরিসীম। তাই ভবিষ্যতে অন্ততপক্ষে নিজেদের ভালো থাকার জন্য হলেও উদ্ভিদ এবং প্রাণীদেরকে রক্ষা করতে হবে। যাইহোক পোস্টটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
জীববৈচিত্র্য নিয়ে সুন্দর আলোচনা করেছেন দাদা।আসলেই প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক রয়েছে।তবে আধুনিক যুগে এই সুন্দর প্রকৃতিকে আমরা নিঃশেষ করে ফেলছি যেটা ভবিষ্যতের জন্য খুবই ভয়াবহ।ধন্যবাদ আপনাকে ও।