টিভি সিরিজ : দ্য উইচার - হোয়াট ইজ লস্ট
নমস্কার বন্ধুরা,
সবাই কেমন আছেন? আশা করছি ঈশ্বরের কৃপায় আপনারা সকলেই সুস্থ। আজ আপনাদের মাঝে আমি নেটফ্লিক্স টিভি সিরিজ দ্য উইচারের দ্বিতীয় সিজনের তৃতীয় এপিসোডের রিভিউ নিয়ে হাজির হলাম।
দ্য উইচার সিরিজটি পোল্যান্ডের উপন্যাসিক আন্দ্রেজ সাপকোস্কির দ্য উইচার নামক উপন্যাসের উপর ভিত্তি করে তৈরী হয়েছে। দ্য উইচার মধ্যযুগীয় প্রেক্ষাপটের উপর দ্য কন্টিনেন্ট নামক জায়গায়, যেখানে জেরাল্ট দ্য উইচার অফ রিভিয়া, প্রিন্সেস সিরিলা ও ইয়েনেফার অফ ভেঙ্গাবার্গ হলো মূল চরিত্র।
কের মরহেনে সিরি জেরালটের তত্ত্বাবধানে অস্ত্র চালনার প্রশিক্ষণ নিতে শুরু করেছে। অন্যদিকে এসকিয়েলের মৃত্যুর পর কের মরহেনের বাকি উইচাররা জেরাল্টকেই এসকিয়েলের হত্যার জন্য দায়ী করেন, কিন্তু জেরাল্ট তাদের মনে করিয়ে দেয় সে যে জন্তুটিকে হত্যা করেছে সে আর এসকিয়েল ছিলো না।
ভেসেমির এসকিয়েলের পরিণতির জন্য তার মরদেহে ময়নাতদন্ত শুরু করে, আদপে তার কি হয়েছিল তা নির্ধারণ করাই উদ্দেশ্য। জেরালট তখন ভেসেমিরকে বলে যে এসকিয়েলকে এবার রেস্ট করতে দেওয়াই উচিত।
আরেতুজাতে ইস্ট্রেডকে জাদুকরদের কাউন্সিলের সামনে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় যে ইস্ট্রেড নিলফগার্ডে খনন করার সময় নিলফগার্ডের পরিকল্পনার ব্যাপারে কিছু শুনেছেন কিনা! ইস্ট্রেড যদিও জানায় সে কিছুই শোনেনি। আর্টোরিয়াস নিলফগার্ডের পরিকল্পনার বিষয়ে কিছুই না জানার জন্য ইস্ট্রেডের তার জ্ঞানের অভাবকে দায়ী করে দেয়।
টিসিয়া কাউন্সিলকে মনে করিয়ে দেয় যে তিনি আগে সবাইকে এই ব্যাপারে সতর্ক করেছিলেন কিন্তু তারা ভিলজেফোর্টজের নিলফগার্ড নিয়ে সন্দেহকে উপেক্ষা করেছিলো। তার মাথায় একটি জাদুকরী বাধার প্রমাণ রয়েছে, তাই তাদের অন্য কোথাও অনুসন্ধান করতে হবে। কাউন্সিলের সামনে হঠাৎ করেই ইয়েনেফার উপস্থিত হয়।
ফ্রিনজিলার সাথে ফ্রান্সেসকার সম্পর্কের জোরে নিলফগার্ডে এলভসরা আশ্রয় পায়। ফিলাভান্ড্রেল ফ্রান্সেসকাকে সতর্ক করে যে নিলফগার্ডে তাদের আসার ফলে জিনট্রিয়াতে উত্তেজনা বেড়ে গিয়েছে। ফ্রান্সেসকার তখন বলে নিলফগার্ডের সাথে তাদের সম্পর্কের জন্য সেটা হতে দিতে ফ্রান্সেসকা রাজি।
অ্যারটুজাতে স্ট্রেগোবর ইয়েনেফারকে জোর করে জিজ্ঞাসাবাদ করে, যতক্ষণ না পর্যন্ত টিসিয়া তাতে হস্তক্ষেপ করে। ইয়েনেফার টিসিয়াকে তার জাদু হারানোর ব্যাপারে জানাতে চাইলে টিসিয়া সে বিষয়ে অবগত বলে জানান।
কাউন্সিল অফ ব্রাদারহুড ইয়েনেফারকে তার আনুগত্য প্রমাণের জন্য কাহিরকে মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে বলে নির্দেশ দেয়। মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার সময়, ইয়েনেফার কাহিরের পাশাপাশি হেঁটে পৌঁছান।
কাউন্সিল অফ ব্রাদারহডের সামনে আর্টোরিয়াস উত্তর রাজ্যগুলির অবদানের জন্য তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে তাদের সন্মানিত করেন। সোডেনে, ভিলজেফোর্টজ ব্যাখ্যা করে যে তারা জাদুর ভবিষ্যতের পাশাপাশি কন্টিনেন্টএর ভবিষ্যতের জন্য একসাথে লড়াই করেছে। যুদ্ধের যাদের প্রাণ হারিয়েছে টিসিয়া তাদের নাম কাউন্সিলের সমানে জোরে জোরে পড়ে শোনায়।
ভিলজেফোর্টজ ইয়েনেফারের হাতে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার জন্য কুড়াল এগিয়ে দেয়। কাহির স্টাম্পের উপর ঝুঁকে নিজের মাথা এগিয়ে দেয়। কিন্তু ইয়েনেফার কাহিরের মাথা কেটে ফেলার পরিবর্তে, তার শিকল থেকে কাহিরকে মুক্ত করে দেয়। তারপর তারা দুজনে ঘোড়ার পিঠে একসাথে পালিয়ে যায়।
রোমাঞ্চ আমার বরাবরই খুবই পছন্দের হয়। দ্য উইচারের প্রথম সিজন দেখার পর থেকে আমি অধীর আগ্রহে দ্বিতীয় সিজনের জন্য অপেক্ষা করছিলাম। প্রথম সিজনের পর দ্বিতীয় সিজন মোটেই নিরাশ করেনি। চরিত্র নির্বাচন, সিনেমাটোগ্রাফি, গল্প সব গুলো দিক গুলোই প্রথম সিজনের মতোই অসাধারণ হয়েছে।
তৃতীয় পর্বের শুরুটা হয় কের মরহেনে সিরির অস্ত্র বিদ্যা শিক্ষা দিয়ে আর শেষ হয় ইয়েনেফারের ব্রাদারহুড থেকে কাহিরকে নিয়ে পালানো দিয়ে। সিরি জেরাল্টের তত্ত্বাবধানে ধীরে ধীরে যুদ্ধে পারদর্শী হয়ে উঠছে। অন্যদিকে ইয়েনেফার নিজের জাদুশক্তি হারিয়ে আরেতুজাতে ফিরে আসে। সেখানে স্ট্রেগোবার ইয়েনেফারের জাদু শক্তি হারিয়ে যাওয়া ধরতে পারে। তাই কাউন্সিলের সামনে নিজের আনুগত্য প্রমাণে কাহিরকে হত্যা করার আদেশ দেওয়া হয় কিন্তু ইয়েনেফার কাহিরকে হত্যা করার পরিবর্তে কাহিরকে পালিয়ে যেতে সাহায্য করে।
পরিচালনা | ৯ |
কাহিনী | ৯ |
অভিনয় | ৯ |

250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
দাদা আপনার আজকের নেটফ্লিক্স টিভি সিরিজ দ্য উইচারের দ্বিতীয় সিজনের তৃতীয় এপিসোডের রিভিউটি পরে আমার খুবই ভালো লেগেছে। বিশেষ করে একেবারে শেষের দিকে ইয়েনেফার কাহিরের মাথা কেটে ফেলার তার হাতের শিকল কেটে দিয়ে তাকে ঘোড়ায় চড়িয়ে পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি আমার কাছে খুবই আকর্ষণীয় মনে হয়েছে। দারুন একটি নেটফ্লিক্স পোস্ট উপহার দেওয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ।
মধ্যযুগীয় প্রেক্ষাপট এটা শুনেই প্রথমত বেশ ভালো লাগলো। ইতিহাসের প্রতি আমার বরাবরই টান। এই রোমাঞ্চকর সিরিজটি অবশ্যই দেখবো।