কাবাব ওয়ালার কাবাব খাওয়ার মূহুর্ত
কেমন আছেন আমার প্রিয় বাংলা ব্লগের বন্ধুরা? আমি আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। আশাকরি আপনারা ও অনেক ভালো আছেন।
আজকে আপনাদের সাথে আরো একটি নতুন পোস্ট নিয়ে চলে আসলাম। কয়েকদিন হলো অফিসে কাজের চাপের জন্য কোন কিছু করা সম্ভব হয়ে উঠছে না। সেই সকাল থেকে রাত এগারোটা পর্যন্ত একটানা চলছে।এই ব্যস্ততার মধ্যে থেকে চেষ্টা করছি কমবেশি এক্টিভ থাকার জন্য। আজকে কাজ থেকে ফেরার পথে কলিগ এর সাথে রিক্সায় করে আসতেছিলাম। হঠাৎ দু'জন কথা বলতে বলতে সিদ্ধান্ত নিলাম আজকে কাবাব খাব বাসায় খাব না।বলার সাথে চলে গেলাম কাবাব ওয়ালার কাবাব খেতে।
রিক্সায় থেকে নেমে কাবাব ওয়ালার সামনে নামলাম। নেমে গিয়ে দেখি অনেক ভিড়। এখানে সবসময় মোটামুটি ভিড় থাকে। পাঁচ মিনিট অপেক্ষা করার পর আসন এ বসে পড়লাম। এরপর অর্ডার করলাম। রেস্টুরেন্টে একটা জিনিস খুব বিরক্তিকর জিনিস হচ্ছে অপেক্ষা করা। অর্ডার দেওয়ার পর বলে দশমিনিট বসতে হবে। পড়ে কি আর করা। এখানে প্রসেস টা খুব ভালো ভাবে করে এইজন্য একটু বেশি সময় লাগে।
আমি একটা চিকেন চাপ আর একটা চিকেন বটি কাবাব অর্ডার দিলাম। সাথে দুটি করে লুচি নিলাম।লুচিটা আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। দুজনে অপেক্ষা করতে ছিলাম।
অপেক্ষা প্রহর শেষে খাবার চলে আসলো। আসলে পেটে খুদা ছিল ভালো।এই জন্য আসার সাথে সাথে শুরু করে দিয়েছিলাম। এই রেস্টুরেন্টে ছালাত টা দারুন লাগে আমার কাছে।এই জন্য প্রথমে এক বাটি ছালাত এমনিতেই খেয়ে ফেলছিলাম। চিকেন টা পারফেক্ট ভাবে প্রসেস করা হয়েছিল। সাথে লুচি টা দারুন হয়েছিল।
এরপর আছতে আছতে সবগুলো খাবার শেষ করে দিলাম। আসলে আমার কাছে ঝাল জাতীয় জিনিস বেশি খাওয়া হয় এই জন্য মাঝে মধ্যে কাবাব খাওয়া হয়ে থাকে। কাবাব বলতে গেলে পছন্দ তালিকায় অন্যতম। এরপর খাওয়াদাওয়া শেষ করে বাসায় চলে এলাম। আজকে এই পর্যন্তই সবাই ভাল থাকবেন এবং সুস্থ থাকবেন।
ফটোমেকার | @engtariqul |
---|---|
ডিভাইস | শাওমি রেডমি নোট ৭ |
আমি তারিকুল ইসলাম। আমি একজন বাংলাদেশী। আমার মাতৃভাষা বাংলা বলে আমি নিজেকে নিয়ে অনেক গর্ববোধ করি। আমি সিভিল ইন্জিনিয়ার থেকে পড়াশোনা শেষ করেছি।
আমি ভ্রমণ এবং ঘোরাঘুরি করতে ভিশন পছন্দ করি। তাছাড়া ফটোগ্রাফি করতে ভিশন ভালো লাগে। ছবি আঁকতে, পড়তে, লিখতে, এবং ডাই বানাতে পছন্দ করি।






Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power

কাবাব খাওয়ার মূহুর্ত পড়ে অনেক ভালো লাগল। আসলে রেস্টুরেন্টে খাবার আসতে একটু সময় লাগে। আসলে ঝাল ঝাল কাবাব খেতে অনেক মজা। সালাত মজা করে খেয়েছেন জেনে অনেক ভালো লাগল।ধন্যবাদ আপনাকে খাওয়া দাওয়া মূহুর্ত আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
বাহ! আপনি তো দারুন খাওয়া দাওয়া করলেন বন্ধুর সাথে কাবাব ওয়ালার কাবাব বেশ মজার হবে দেখে বোঝা যাচ্ছে। তবে জায়গাটা অনেক পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন মনে হচ্ছে এই পরিবেশে কাবাব খেলেই ভালোই লাগবে। তাহলে তো সুন্দর এনজয় করছেন খাওয়া দাওয়ার সাথে।
দারুন একটি পোষ্ট আজ আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। খুবই সুন্দর আনন্দঘন মুহূর্ত আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন আপনি। সব মিলে কিন্তু আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে আপনার পোস্টটি।