মোবাইলে ধারণ করা রেনডম ফটোগ্রাফি
Photo Editing by college gridart app
হ্যালো বন্ধুরা,
আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি, সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে অনেক অনেক ভালো রয়েছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় অনেক ভালো রয়েছি। 'আমার বাংলা ব্লগ'এর সকল ভাইবোন বন্ধুদের কে আমার পক্ষ থেকে সালাম এবং অভিনন্দন জানিয়ে শুরু করতে যাচ্ছি আজকের নতুন একটি পোস্ট। আজকে আমি আপনাদের মাঝে উপস্থিত হয়েছি বেশ কিছু ফটোগ্রাফি নিয়ে একটি রেনডম পোস্ট উপহার দেওয়ার জন্য। আশা করব আমার এই রেনডম ফটোগ্রাফি মূলক পোস্ট আপনাদের অনেক অনেক ভালো লাগবে।
'আমার বাংলা ব্লগ' কোয়ালিটি সম্পন্ন পোস্ট |
---|
প্রথমে যে ফটোটা আপনারা লক্ষ্য করছেন, এখানে দেখতে পাচ্ছেন বাজার করতে গিয়ে ধারণ করা আলুর ফটোগ্রাফি। বর্তমান বাংলাদেশের শাক সবজির ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত রয়েছে। আর যার জন্য দেশের নিম্নবিত্ত শ্রেণীর মানুষেরা বেশ কঠিন সময় পার করছেন। কারণ এক কেজি আলুর দাম ৬০/ ৬৫ টাকা। এমন অবস্থায় দেশের পরিস্থিতি বেশ খারাপ পর্যায়ে চলে গেছে। কারণ প্রত্যেকটা শাক সবজির দামি নাগালের বাইরে। জানিনা কবে দেশের এই সংকট দূর হবে।
আমাদের দেশ কৃষি প্রধান বাংলাদেশ। দেশের অধিকাংশ মানুষ কৃষিকাজে নিয়োজিত। তবে বর্তমান সময়ে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত হওয়ার ফলে ধানের জমিগুলোর অবস্থা বেশি একটা ভালো না। এই ফটোগ্রাফি আমি যখন ধারণ করেছিলাম তখন কৃষকেরা মটর অথবা স্যালো মেশিন এর মাধ্যমে পানি ব্যবস্থা করে ধান লাগিয়েছিল। আষাঢ় শ্রাবণে পানির দেখা ছিল না। কিন্তু এখন আশ্বিন মাসে এমন অবস্থা কষ্ট করে লাগানো ধানগুলোর অবস্থা নাজেহাল।
আমাদের আঞ্চলিক ভাষায় এর নাম খ্যাড় বা উলুম। এগুলো বড় হলে বাড়ুন বানানোর জন্য মানুষের সংরক্ষণ করে থাকে আবার পানের বরজে গাছ বাধার জন্য এগুলো সংরক্ষণ করে থাকে। আমাদের পুকুরপাড়ে এগুলো অনেক অনেক হয়ে থাকে। তাই মেহেরপুরের বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষজন এসে এগুলো সংরক্ষণ করে নিয়ে যায়।
আমার মেয়ের সামিয়া। নিজের সন্তানের প্রতি অগাধ ভালোবাসা। তার হাসি মাখা মুখটা আমি সবসময় স্বচক্ষে দেখার চেষ্টা করতাম। কারণ নিজের সন্তান বলে কথা। তবে প্রায় এক মাস এই প্রিয় মুখটা আমার থেকে অনেক দূরে। আমি আমার সন্তানদের জন্য দোয়া করি যেখানে যেভাবেই থাক, যেন সুস্থ থাকে ভালো থাকে। সর্বদা তার মন মানসিকতা যেন ফ্রেশ হয়। যেন তার মধ্যে কখনো মিথ্যা কথা, চিটার বাটপারি,ধান্দা মনোভাব, দুশ্চরিত্র ছায়া না পড়ে। ভবিষ্যতে যেন মানুষের মত মানুষ হয়, যেটা আমরা সকলে প্রত্যাশা করি।
আমাদের ভাগ্নে নয়ন। মাছ ধরতে খুবই পছন্দ করে। পাড়াগাঁয়ের জমে থাকা অতিরিক্ত বৃষ্টির পানি বের হয়ে যাওয়ার সম্মুখে অনেক ছোট ছোট মাছের আবির্ভাব। আমরা সবাই জানি মাছ উজানে চলে। তাই সেই মাছ ধরার জন্য সে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং বেশি সাকসেস হয়েছে। তার হাসি মাখা মুখটা যেন সর্বদা থাকে সেই দোয়া করি।
বামুন্দি বাজার থেকে আইসু কেনার মুহূর্তে ধারণ করা ফটোটা। আমি লক্ষ্য করে দেখেছি এই বাজারে অনেক বড় স্থান জুড়ে এ সমস্ত কাটারি বেচাকেনা হয়। যেখানে অনেক রকমের লোহার জিনিস পাওয়া যায়। বিভিন্ন স্থান থেকে কামারেরা এই সমস্ত জিনিস বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে উপস্থিত হয়।
মায়ের অপারেশনের জন্য ১ লাখ টাকা লোন নেওয়া হয়েছিল ব্যুরো সংস্থা থেকে। এখন প্রতি মাসে মাসে কিস্তি দেওয়া লাগে বড় অংকের টাকা। তবুও দুই ভাইয়ের প্রচেষ্টা আম্মা যেন দ্রুত সুস্থ হয়। কারণ নিজের সন্তান ছাড়া কেউ কখনো নিজের মাকে যত্ন নেয় না বা দেখাশোনার চিন্তা করে না। যদিও কেউ আপন হয়ে আসে তাদের মধ্যে তাকে সাহায্য। তাই দুই ভাইয়ের প্রচেষ্টা সর্বদা অব্যাহত।
বন্ধুর সাথে একদিন বাজার করতে গেছিলাম গাংনী বাজারে। আর সেখানে উপস্থিত হয়ে তার বিশেষ কিছু জিনিস কেনাকাটার মুহূর্তে উপস্থিত হয়েছিলাম একটা গোডাউনে। গোডাউনের উপস্থিত হয়ে দেখছি সাইকেল ভ্যানের বিভিন্ন জিনিস গোডাউনের মধ্যে পালা দেওয়া। আগে কখনো জানতাম না এমন একটা গোডাউন এই স্থানে রয়েছে। এমন এমন জিনিস সেখানে লক্ষ্য করেছি পূর্বে প্রয়োজন বোধ করেও খুঁজে পেতাম না। যাইহোক ওই মুহূর্তে পরিচয় লাভ করলাম স্থানটার এবং মালিকের সাথে।
সোনালী আশ পাট, যা বাংলাদেশের অর্থকারী ফসল। এই পাঠ ধোয়ার পর পাটের খড়ি গুলো এভাবে আটি বেঁধে শুকানো হয়। এগুলো জ্বালানি অথবা বিভিন্ন প্রয়োজনে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। তাই কিছুদিন আগে লক্ষ্য করে দেখলাম গাংনী বাজার থেকে বাড়ি ফিরতে, জায়গায় জায়গায় এভাবেই শুকাতে দেওয়া হয়েছে। তবে আশ্বিন মাস এসে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত হওয়ার মানুষ বেশ বিভ্রান্তির মধ্যে ছিল এগুলো সংরক্ষণ করতে গিয়া।
💌আমার পরিচয়💌
আমি মোঃ নাজিদুল ইসলাম (সুমন)। বাংলা মাস্টার্স ফার্স্ট ক্লাস মেহেরপুর গভমেন্ট কলেজ। আমার বাসা গাংনী-মেহেরপুর। ইলেকট্রনিক্সের যন্ত্রপাতি মেরামত ও সৌর প্যানেল নিয়ে রিসার্চ করতে পছন্দ করি। প্রাকৃতিক দৃশ্য ফটোগ্রাফি করা আমার সবচেয়ে বড় ভালোলাগা। দীর্ঘদিনের আমি পাঙ্গাস মাছ চাষী এবং বিরহের কবিতা লেখতে খুবই ভালোবাসি। |
---|
পোস্টটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
পরিচয় | বিশেষ তথ্য |
---|---|
নাম | @sumon09 |
ফটোগ্রাফি ডিভাইস | মোবাইল |
লোকেশন | সোর্স |
ব্লগিং মোবাইল | Huawei P30 Pro-40mp |
ক্যামেরা | camera-50mp |
আমার বাসা | মেহেরপুর |
দেশ | বাংলাদেশ |
পুনরায় কথা হবে পরবর্তী কোন পোস্টে, ততক্ষণ ভালো থাকা হয় যেনো। আল্লাহ হাফেজ। |
---|
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
আনকমন কিছু ফটোগ্রাফি গ্রহণ করেছেন ভাই। আলুর ফটোগ্রাফি অথবা কাটারি গুলোর ফটোগ্রাফি আমার আনকমনই লেগেছে। সকলে যেরকম ফুল প্রকৃতির ছবি দেয় এ যেন তার একেবারে ভিন্ন এক ধরন। তাই অন্যরকম ছবিগুলি দেখতে বেশ ভালো লাগলো। সবকটি ছবি দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে যুক্ত যা আমাকে বেশ ভাবালো।
আমি মনে করি পোষ্টের মাঝে ভিন্নতা থাকা প্রয়োজন আছে।
এটা ঠিক বলেছেন, বর্তমান সময়ে সব সবজির দাম অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। সবকিছু প্রায় নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। বিভিন্ন ধরনের ফটোগ্রাফি গুলো দেখে বেশ ভালো লাগলো। বিশেষ করে পাটের ফটোগ্রাফি অনেক বেশি ভালো লেগেছে। চমৎকার কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
অনেক সুন্দর মন্তব্য করেছেন আপু
মোবাইল দিয়ে আপনি খুবই সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি করেছেন। প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফি দেখে অনেক ভালো লাগলো। এত সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ
আপনি তো দেখছি আমাদের মাঝে বাস্তব জীবনের বিভিন্ন ধরনের ফটোগ্রাফি নিয়ে হাজির হয়েছেন। আপনার বাচ্চার জন্য আশীর্বাদ রইল। আসলে আপনার প্রত্যেকটা বাস্তব জীবনের ফটোগ্রাফি আমার অনেক বেশি ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
চেষ্টা করি দাদা একটু ব্যতিক্রম আনতে
আপনি দেখছি আমাদের জীবনের বাস্তব কিছু চিত্র তুলে ধরেছেন। সত্যি ভাইয়া সন্তান ছাড়া কেউ কখনো আপন হয় না। আপনার মেয়েকে দেখতে কিউট লাগছে।বেশ ভালো লেগেছে প্রতিটি ফটোগ্রাফি। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
দোয়া করবেন বাবুর জন্য
রেনডম ফটোগ্রাফি দেখতে আমার অনেক ভালো লাগে ।কেননা বিভিন্ন ধরনের ফটোগ্রাফি একসঙ্গে দেখতে পাওয়া যায় ।আপনার মেয়ে সামিয়া দেখছি অনেক বড় হয়ে গিয়েছে ভাইয়া ।দেখতেও অনেক কিউট হয়েছে ।ধন্যবাদ আপনাকে রেনডম ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
বাবুর জন্য দোয়া করবে
আজকে আপনি মোবাইল ধারণকৃত বেশ চমৎকার কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন। আপনার ফটোগ্রাফি গুলো দেখে আমার কাছে বেশ ভালো লাগলো। তবে আলুর ফটোগ্রাফি আমার কাছে বেশি ভালো লাগলো। তবে এটি ঠিক আলু এক কেজি ৬০ থেকে ৬৫ টাকা। সবগুলো ফটোগ্রাফি অনেক সুন্দর করে বর্ণনা দিয়ে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন।
বাংলাদেশের অবস্থা ভালো নয়। যতদিন যাচ্ছে সবজির দাম বাড়ছে
রেনডম ফটোগ্রাফি গুলো দেখতে আমার কাছে বরাবরই অনেক ভালো লাগে। আপনার তোলা ফটোগ্রাফি গুলা খুবই সুন্দর হয়েছে। এত সুন্দর সুন্দর রেনডম ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
কমেন্ট করার জন্য ধন্যবাদ
সু স্বাগতম।
সব গুলো ছবি অনেক সুন্দর হয়েছে। অনেক বিষয় তুলে ধরেছেন। তাছাড়া আপনাদের ভাগ্নে নয়ন তো মাছ ধরতে গিয়ে অনেক খুশি দেখা যায়। ছোট সময় আমিও এমন মাছ ধরেছি। ধন্যবাদ।
হ্যাঁ নয়নের হাসি মুখ দেখে ভালো লাগলো