রেনডম ফটোগ্রাফি
Photo Editing by inshort app
হাই বন্ধুরা
আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি, সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে অনেক অনেক ভালো রয়েছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় অনেক ভালো রয়েছি। 'আমার বাংলা ব্লগ'এর সকল ভাইবোন বন্ধুদের কে আমার পক্ষ থেকে সালাম এবং অভিনন্দন জানিয়ে শুরু করতে যাচ্ছি আজকের নতুন একটি পোস্ট। আজকে আমি আপনাদের মাঝে উপস্থিত হয়েছি রেনডম ফটোগ্রাফি পোস্ট উপস্থাপন করার জন্য। দেখা করব আমার এই রেনডম ফটোগ্রাফি মূলক পোস্ট আপনাদের কাছে অনেক ভালো লাগবে।
'আমার বাংলা ব্লগ' কোয়ালিটি সম্পন্ন পোস্ট |
---|
এই মুহূর্তে আপনারা ফটোগ্রাফিতে দেখতে পাচ্ছেন অনেকগুলো কুল বা বরই। এগুলো আপেল কুল নামে পরিচিত। খেতে অনেক সুস্বাদু। আমার খুবই ভালো লাগে এই ফল। আমাদের বাড়িতে বেশ কয়েক রকমের বরই রয়েছে। মাঘ ফাল্গুন মাসে এই ফলগুলো আমাদের দেশে বেশি দেখতে পাওয়া যায়। তাই বাজারে বিভিন্ন ফলের দোকানে এছাড়াও বিভিন্ন ফল বিক্রেতারা এই ফলগুলো রাস্তার পাশে অথবা দোকানে বিক্রয় করে থাকেন।
এখানে আপনারা যে ফুল দেখতে পাচ্ছেন এটা বনফুল। বর্ষার সময় বন জঙ্গলে এই ফুলগুলো ফুটে থাকতে দেখা যায়। আমাদের পুকুরপাড়ের প্রায় স্থানে লক্ষ্য করে দেখতাম এই ফুলগুলো ফুটে থাকতে। বর্ষার সময় আসলে নাম না জানা এমন অনেক ফুলের দেখা মেলে। ফুলটা ছোট হলেও গাছে অনেক বেশি ফুটে থাকে তাই দেখতে খুব ভালো লাগে।
শরৎকালে এক সন্ধ্যার মুহূর্তে পুকুর পাড়ে মোবাইলের টর্চ জ্বালিয়ে কাশফুলের ফটোগ্রাফি ধারণ করেছিলাম। সারাদিনের প্রচন্ড গরম এর ক্লান্তি শেষে সন্ধ্যাকালীন মুহূর্তে কাশফুলের বনে বসে থাকতে ভালো লাগে। ধীরে ধীরে বাতাসে ফুলগুলো খুব সুন্দর করে দুলতে থাকে। এমন মুহূর্তগুলো আমার কাছে অনেক ভালো লাগে।
কুয়াশাচ্ছন্ন এক শীতের সকলে পুকুর পাড়ে উপস্থিত হয়ে লক্ষ্য করেছিলাম মাছের খাবার দেওয়ার জায়গায় বক পাখি বসে রয়েছে। বক পাখি রাত ফটোগ্রাফি করার চেষ্টা করেছিলাম। সবে মাত্র শীতের আগমন এমন মুহূর্তে ধারণ করা ফটোগ্রাফি টা।
বৃষ্টিভেজা লিচুর পাতা। এবার আলহামদুলিল্লাহ এই লিচু গাছে বেশ ফুল ফুটেছে। আশা করব এই গাছটাতে লিচু হবে। আমাদের বাড়ির লিচু গাছগুলো খুবই ছোট। ছোট গাছ হলেও বেশ ভালো লিচু ধরে। অনেক ভালো লাগলো অনেকদিন পর অ্যালবাম খুঁজতে গিয়ে ফটোগুলো দেখতে পেরে।
অনেক সুন্দর একটি কলার কাইন পড়েছে। বর্ষার সময় কলাগাছ গুলো ঘন সবুজ পাতায় পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে এবং অনেক সুন্দর ভাবে বেড়ে উঠতে থাকে। এরপর সময় হলে এভাবে কলার মোছা বের হয়ে আসে। এখান থেকেই নিচের দিকে ঝুলে আসতে থাকে কাইন। আর সেখানে হয় অনেক অনেক কলা।
এখানে দেখতে পাচ্ছেন পাকা কাঁঠাল খাওয়ার মুহূর্তে ধারণ করা ফটোগ্রাফি। এখন আবার গাছে গাছে কাঁঠাল ধরা শুরু হয়ে গেছে। দেখতে দেখতে আবারো ফিরে আসলো কাঁঠাল হওয়ার সময়। যেখানে বারোমাসি কাঁঠাল গাছ রয়েছে সেখানে পাকা কাঁঠাল খুঁজে পাওয়া যায়। আমাদের পাশের গ্রামে একটা গাছের লক্ষ্য করে দেখি বারোমাসি কাঁঠাল গাছ। সেই গাছের কাঁঠাল গুলো এখন খাওয়ার উপযুক্ত সময়।
বাঁশবাগান। দৈনন্দিন জীবনে গ্রামের মানুষের বাঁশের ব্যবহার অনেক বেশি। আমাদের মত মাছ চাষ অথবা কৃষি কাজ করা মানুষেরা বেশি প্রয়োজন মনে করে থাকে এই বাঁশ। আমরা যেমন বাঁশকে গাছ হিসেবে চিহ্নিত করি তবে এটা এক প্রকার ঘাসই জাতীয়। সবচেয়ে বড় ঘাস বাঁশ কে বলা হয়। আপনারা যারা জানেন না তারা অনলাইনে সার্চ করে দেখতে পারেন। পৃথিবীর বুকে সবচেয়ে বড় ঘাস এর নাম হচ্ছে বাঁশ।
বৃষ্টি ভেজা মুহূর্তে উপস্থিত হয়েছিলাম মাছের খাবার আনতে। তখন লক্ষ্য করে দেখেছিলাম ঢাকা যাওয়া বিভিন্ন গাড়িগুলো এসে থামছে এবং মানুষ উঠাচ্ছে। প্রাকৃতিক বিভিন্ন আবহাওয়া ফেস করতে হয় মানুষের। কখনো রোদ কখনো বৃষ্টি কখনো ঠান্ডা অতিক্রম করে কর্মজীবী মানুষদের চলতে হয় নিজ নিজ কর্মে। ভেবে দেখেছিলাম আমি আমার জন্য এসেছি মাছের খাবার নিতে আবার অনেক মানুষ এক স্থান থেকে আরেক স্থানে পাড়ি জমাচ্ছে বাসে চড়ে। তবে সবাই যে যার অবস্থান থেকে ফেস করছে প্রাকৃতিক আবহাওয়া।
পাশাপাশি দুইটা চাল কুমড়ার ফুল খুব সুন্দরভাবে ফুটে রয়েছে। এমন ফুল গুলো দেখতে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। মাঝেমধ্যে যখন ফুলের বুকে ভ্রমর অথবা প্রজাপতি এসে বসে থাকে, আরও সুন্দর দেখায়।
💌আমার পরিচয়💌
আমি মোঃ নাজিদুল ইসলাম (সুমন)। বাংলা অনার্স-মাস্টার্স ফার্স্ট ক্লাস মেহেরপুর গভমেন্ট কলেজ। আমার বাসা গাংনী-মেহেরপুর। আমার দৈনন্দিন জীবনের লক্ষ সততার সচেতনতা সাহসিকতা, যার মধ্যে ন্যায়নীতি নিহিত। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে সর্বদা প্রস্তুত। |
---|
পোস্টটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
পরিচয় | বিশেষ তথ্য |
---|---|
ব্লগার নাম | sumon |
ফটোগ্রাফি ডিভাইস | মোবাইল |
ব্লগিং মোবাইল | Infinix hot 11s |
ক্যামেরা | camera-50mp |
ঠিকানা | গাংনী-মেহেরপুর |
দেশ | বাংলাদেশ |
পুনরায় কথা হবে পরবর্তী কোন পোস্টে, ততক্ষণ ভালো থাকা হয় যেনো। আল্লাহ হাফেজ। |
---|
দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত হওয়া বিভিন্ন জিনিসপত্রের ছবি এমন সুন্দর করে তুলে পোস্ট করেছেন যে সেগুলিকে খুব স্পেশাল বলে মনে হচ্ছে। ছাড়ানো কাঁঠাল আমরা প্রায়ই খেয়ে থাকি। কিন্তু তার এমন সুন্দর ফটোগ্রাফি সাধারণত দেখা যায় না। তাই আপনার প্রত্যেকটি ফটোগ্রাফি খুব সুন্দর হয়েছে। ভিশন সাধারণ জিনিসকে ছবির মাধ্যমে অসাধারণ বানানোটাই শিল্পীর কাজ।।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
টর্চের আলো জ্বালিয়ে ছবিটা তোলার জন্য কাশফুলে যে লাইটের এফেক্ট হয়েছে সেটা ভীষণ সুন্দর লাগছে দেখতে। অন্যান্য ছবিগুলো বেশ ভালো হয়েছে। বৃষ্টির মধ্যে বাসের ছবিটা ভালো লাগছে।
ভাইয়া আপনি অনেক সুন্দর সুন্দর এলোমেলো ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করছেন।আসলে আমার কাছে এইরকম ভিন্ন ভিন্ন ফটোগ্রাফি গুলো দেখতে খুবই ভালো লাগে।ফটোগ্রাফির পাশাপাশি বেশ সুন্দর বর্ণনা উপস্থাপন করছেন।ধন্যবাদ আপনাকে পোস্ট টি শেয়ার করার জন্য।
এক কথায় দুর্দান্ত ফটোগ্রাফি পোস্ট ছিলো। প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফির মধ্যেই যেনো নতুনত্ব বিরাজমান। কুল এর ফটোগ্রাফি এবং সন্ধ্যেবেলায় পুকুরপাড়ে মোবাইলের টস চালিয়ে কাশফুলের দারুণ ফটোগ্রাফি ক্যাপচার করেছেন। এরকম দৃষ্টিনন্দন ফটোগ্রাফি পোস্টটি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ ভাই।
বেশ দারুন কয়েকটি ফটোগ্রাফি আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন। তবে আমার কাছে কাশফুলের ফটোগ্রাফিটি বেশি ভালো লেগেছে। এছাড়াও কুমড়া ফুল এবং বনফুলের ফটোগ্রাফি বেশ ভালো লাগলো। বাকি ফটোগ্রাফি গুলোও সুন্দর হয়েছে ভাইয়া। বেশ চমৎকার চমৎকার ফটোগ্রাফি সহ দুর্দান্ত বর্ণনার মাধ্যমে দারুন একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করে নিয়েছেন। আপনাকে ধন্যবাদ জানাই।
25-02-25
চোখ জুড়ানো ফটোগ্রাফি গুলো শেয়ার করলেন। বিশেষ করে ফ্রেশ বড়ই এর ফটোগ্রাফি দেখে খেয়ে নিতে ইচ্ছে করছে। তাছাড়া ও কাশফুলের খুব সুন্দর ফটোগ্রাফি শেয়ার করলেন।আর গ্রাম বাংলার প্রাকৃতিক দৃশ্যগুলো দেখতে খুব ভালো লাগে। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর ফটোগ্রাফি গুলো দেখার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।
ভাই আপনি আজকে অনেকগুলো ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন যেগুলো দেখে খুবই ভালো লাগলো। প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফি আমার কাছে ভালো লেগেছে তবে সবথেকে বেশি ভালো লেগেছে রাতের বেলায় কাজ করলে ফটোগ্রাফি। শরৎকালীন সময়ের অপরূপ সৌন্দর্য হচ্ছে কাশফুলের সৌন্দর্য। আমি ব্যক্তিগতভাবে কাশফুলের সৌন্দর্য অনেক বেশি পছন্দ করি। অনেক সুন্দর একটি প্রশ্ন আমাদের সাথে বিস্তারিতভাবে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।
বাহ্ অনেক চমৎকার কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন তো। আমার কাছে তো অনেক ভালো লেগেছে আপনার তোলা প্রতিটা ফটোগ্রাফি দেখতে। এরকম ফটোগ্রাফি গুলো করলে দেখতে ভালো লাগে। তবে প্রতিটা ফটোগ্রাফির থেকে বেশি ভালো লেগেছে কাশফুলের ফটোগ্রাফি। সেই সাথে চাল কুমড়ার ফটোগ্রাফি দেখেও ভালো লাগলো।