অফিস বন্ধুদের সাথে পিকনিক করার মুহূর্ত।
"সবার সুস্বাস্থ্য কামনা করছি" |
---|
![]() |
---|
শুভ রাত্রি 🌃
হ্যালো আমার বাংলা ব্লগ পরিবার। প্রথমেই সবাইকে আমার সালাম ও আদাব। কেমন আছেন সবাই? আশাকরি আপনারা সকলেই আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। সবার সুস্বাস্থ্য কামনা করে আজকের আয়োজন শুরু করছি। আজকে আমি আপনাদের মাঝে হাজির হলাম আমার নতুন একটি ব্লগ নিয়ে। আজকে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। অফিস বন্ধুদের সাথে পিকনিক করার মুহূর্ত। আশাকরি আপনাদের সবার ভালো লাগবে। তাহলে চলুন এবার শুরু করা যাক।
![]() | ![]() |
---|
লোকেশন:- উত্তরখান,ঢাকা, বাংলাদেশ।
আমার পোস্ট যারা ভিজিট করেন তারা অনেকেই জানেন আমি গতমাসে চাকরি ছেড়েছি। অফিসে বেশ কিছু ঝামেলার সৃষ্টি হয়েছিলো। এর পরে থেকে আমার কেনো জানি অফিসে মন টিকতো না। এর পরে ফেব্রুয়ারি মাসে নতুন অফিসে চাকরি নিয়েছি। আল্লাহর রহমতে সব কিছু ঠিক ভাবে চলছে। তবে নতুন অফিস আর এদিকে সামনে ঈদ কাজের চাপ বেড়েছে। তাই একটু সব দিকে সামলানো কষ্ট হচ্ছে। আশাকরি আল্লাহর রহমতে খুব তাড়াতাড়ি আগের মতো কাজ গুলো করতে পারবো ইনশাআল্লাহ।
![]() | ![]() |
---|
লোকেশন:- উত্তরখান,ঢাকা, বাংলাদেশ।
অফিস নতুন হলে কি হবে কম বেশি সবাই আমার পরিচিত। এজন্য খুব সহজেই মনটা অফিসে বসে গেছে। কাজ করতে বেশ ভালো লাগে। ২১ শে ফেব্রুয়ারি রাতে আমরা অফিস বন্ধুরা মিলে পিকনিক এর আয়োজন করি। আমরা প্রায় এক শতজন ছিলাম। সবাই ২০০ টাকা করে দিয়ে পিকনিক এর জন্য সব কিছু কেনাকাটা করি। সবাই মিলে পিকনিক করার চমৎকার মুহূর্ত কাজ করে। আমাদের অফিস এখন প্রতিদিন রাত ৮টায় ছুটি হচ্ছে। তবে আমরা সেদিন বিকেল পাঁচটায় বের হলাম। এর পরে সবাই মিলে পিকনিক এর বাজার করলাম। বাজার করতে করতে প্রায় সন্ধ্যা হয়ে গেলো। এর পরে আমরা রান্না করার জন্য বাবুর্চি ঠিক করলাম।
![]() | ![]() |
---|
লোকেশন:- উত্তরখান,ঢাকা, বাংলাদেশ।
সব কিছু রান্না করতে করতে রাত ১০:৩০ মিনিট হয়ে গেলো। এর পরে আমরা সবাই মিলে খাওয়া শুরু করলাম রাত ১১টা বাজে। আবহাওয়া মোটামুটি ঠান্ডা ছিলো আর গরম গরম খাবার আমরা তো সবাই মিলে জমিয়ে খেয়েছিলাম। খাবার খেতে মজাদার হয়েছিলো। আবারো সামনে রমজান মাসে ইফতার পার্টির আয়োজন করবো ইনশাআল্লাহ। এর পরে সবাই মিলে খাওয়া দাওয়া শেষ করে রাত ১২:৩০ মিনিটে বাসায় চলে যাই। এই ছিলো আমার আজকের আয়োজন। আশাকরি আপনাদের সবার ভালো লেগেছে। কেমন লাগলো অবশ্যই কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না। আপনাদের সবার সহযোগিতা কামনা করছি। সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন সব সময়ই এই কামনাই করি। আল্লাহ হাফেজ 💞
বিভাগ | লাইফস্টাইল পোস্ট। |
---|---|
ডিভাইস | realme 9 |
বিষয় | অফিস বন্ধুদের সাথে পিকনিক করার মুহূর্ত। |
লোকেশন | উত্তরখান, ঢাকা, বাংলাদেশ। |
ফটোগ্রাফার | @limon88 |
![]() |
---|
আমি মোঃ লিমন হক। আমার স্টিমিট একাউন্ট @limon88. আমি একজন বাংলাদেশী। আমার বাড়ি নীলফামারী জেলায়। আমি এখন বর্তমানে জীবিকার তাগিদে পরিবার নিয়ে ঢাকা উত্তরায় থাকি। আমি একটি কোম্পানিতে চাকরি করছি এবং পাশাপাশি স্টিমিট এ কাজ করে আসছি। আমার ব্লগিং ক্যারিয়ার তিন বছর। এখন আমার সবথেকে বড় পরিচয় আমি আমার বাংলা ব্লগের একজন ভেরিফাইড মেম্বার। আমি সত্যিই গর্বিত আমার বাংলা ব্লগের সাথে থাকতে পেরে। স্টিমিট আর আমার বাংলা ব্লগ আমার জীবনের একটা অংশ হয়ে গেছে, তাই যতদিন স্টিমিট রয়েছে ইনশাআল্লাহ আপনাদের সাথেই থাকবো। ভালোবাসি পড়তে ও লিখতে ব্লগিং, ফটোগ্রাফি, মিউজিক, রেসিপি, ডাই, আর্ট আমার অনেক পছন্দের। আমি ঘুরতে অনেক ভালোবাসি। আমি একজন মিশুক ছেলে আমি সবার সাথে মিশতে ভালোবাসি। আমি আমার মতো। আল্লাহ হাফেজ 💞
https://x.com/HouqeLimon/status/1893701315437506667?t=yWA3RbBOlzMgDIvOE9_sgA&s=19
পিকনিকের গল্পটা খুবই মজাদার এবং একে অপরের সঙ্গে সময় কাটানোর মধুর মুহূর্তগুলো সত্যিই অমূল্য। খাবারের খাওয়া-দাওয়া, আড্ডা আর সবার সঙ্গে মিলে এমন সময় কাটানো অনেক ভালো লাগে। রমজান মাসে ইফতার পার্টির পরিকল্পনা আরও আনন্দদায়ক হবে, ইনশাআল্লাহ। আপনার সব কাজে আল্লাহর রহমত থাকুক, এবং আপনি যেন সব দিকে সফলতা অর্জন করেন ধন্যবাদ।
মাঝেমধ্যে এভাবে পিকনিক করতে ভালোই লাগে। সবাই মিলে একসাথে পিকনিক করলে অনেক বেশি আনন্দ হয়। অফিস বন্ধুদের সাথে দেখছি বেশ ভালোই পিকনিকের আয়োজন করলেন। আপনাদের করা পুরো আয়োজনটা কিন্তু খুব দারুণ ছিল। খাবার দেখে তো আমার খেতে ইচ্ছে করছে। সময়টা অনেক ভালো কেটেছিল দেখেই বুঝা যাচ্ছে।
চাকরি ছেড়ে নতুন জায়গায় চাকরি নিয়েছেন সেখানে মনটা বসে গেছে জেনে ভালো লাগলো। সবাই পরিচিত থাকার কারণে মন বসে গেছে। না হলে নতুন নতুন কোথাও সহজে মন বসতে চায় না। যাইহোক আপনারা তো দেখছি অনেকে মিলে ২০০ টাকা করে চাঁদা দিয়ে দারুন পিকনিকের আয়োজন করেছেন। একুশে ফেব্রুয়ারি রাতে জমজমাট পিকনিক করেছেন দেখছি। খাবার-দাবারের মেনু তো অনেক।মাঝে মাঝে বন্ধুদের সাথে এরকম পিকনিক করলে সময়টা বেশ ভালো কাটে।
অফিস বন্ধুদের সঙ্গে পিকনিকের মুহূর্তগুলো সত্যিই অসাধারণ।একসঙ্গে সময় কাটানো, আড্ডা, মজার খাবার সব মিলিয়ে দারুণ অভিজ্ঞতা হয়েছে মনে হচ্ছে। নতুন অফিসেও এত দ্রুত মানিয়ে নিয়েছেন, এটা প্রশংসনীয়। সামনে রমজানের ইফতার পার্টিও নিশ্চয়ই দারুণ হবে।
ঈদের আগে অফিসগুলোতে অনেক চাপ থাকে। নতুন জায়গায় সবার সাথে মানিয়ে নিয়েছেন। বেশ ভালো লাগলো আপনার আজকের পোস্ট পড়ে। সবাই মিলে এভাবে পিকনিক করার মজাটাই আলাদা। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর মুহূর্ত গুলো শেয়ার করার জন্য।