কয়েকটি রেনডম ফটোগ্রাফি।
৪ ই চৈত্র , ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
১৯ই মার্চ ২০২৪খৃস্টাব্দ ।
আজ রোজ মঙ্গলবার
আ মার বাংলা ব্লগের সকল বাংলাভাষী সদস্যগনকে আমার সালাম এবং আদাব। সবাই কেমন আছেন ? আশা করি, সবাই মহান সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে অনেক ভালো আছেন। আমি ও আপনাদের দোয়ায় এবং মহান সৃষ্টিকর্তার রহমতে অনেক ভাল আছি। সবাইকে আন্তরিকভাবে শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি আমার আজকের ব্লগ
কয়েকটি ছবি |
---|
মনটা বেশ খারাপ, তাই পোষ্ট করতে করতে দেরি হয়ে গিয়েছে। আসলে কাল ল্যাপটপে পানি ঢুকে গিয়ে ল্যাপটপ বন্ধ হয়ে গিয়েছে, আমি গ্রাফিক্স এর টুকিটাকি কাজ আর স্টিমের সব কাজ আমার ল্যাপটপ দিয়েই করি।কিন্তু কাল পানি পরার পর কোন কাজেই করতে পারছি না।কাল নিচতলা ফ্ল্যাটের আন্টি আসছিলো কথা বলতে,পরে ওনার হাত লেগে মগের পানি পরে এই অবস্থা হয়েছে। আমি তখন দেখিনি পানি যে গিয়েছে আসলে উনিও বুঝতে পারেনি।কি থেকে যে কি হয়ে গেলো।আমার বেশ কিছু এসাইনমেন্ট ও ছিলো এই ল্যাপটপে।তারপর ও যদি ঠিক করা যায় তাহলে আলহামদুলিল্লাহ, আর যদি ঠিক না হয় খুব বিপদে পরে যাবো।আল্লাহ যদি আমার প্রতি সদয় হয়।আজ তেমন কিছু লিখবো না, যাই হোক প্রতিদিনের মত নতুন একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি।আমি কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করবো আপনাদের সাথে। আমি তেমন ভালো ফোটোগ্রাফি করতে পারি না ,তাও চেষ্টা করি মাঝে মাঝে কিছু ফোটোগ্রাফি করতে। আমি অনেক দিন আগে রাজশাহী তে গিয়েছিলাম সেখান থেকেই ছবি তোলা। আমার ভাই চাকরি জন্য রাজশাহী থাকে তাই বেড়াতে প্রায় রাজশাহী তে যাওয়া হয়। সেখানে পরিবেশটা আমার বেশ ভালো লাগে।পদ্মা নদী আর পদ্মা নদীর পাড় বেশ ভালোই লাগে।পানির সামনে দাড়ালে মন প্রান জুড়িয়ে যায়।পানি যখন অনেক বেশি তখন অনেক ভালো লাগে।আর যদি নৌকাতে উঠা যায় তাহলে তো কোন কথাই নেই।আমি এই অব্দি দুইবাার উঠেছি নৌকাতে।যাদি ও এখানকার নৌকাগুলো মটর চালিত যার জন্য আওয়াজ টা বেশ খারাপ লাগে।যাই হোক চলেন ছবিগুলো দেখে আসি।
এই ছবিটা বাসার ছাদ থেকে তোলা।কসমস ফুল।কালার টা বেশ সুন্দর। আসলে কসমস ফুলের কালার গুলো সবগুলোই সুন্দর। আসলে সৃষ্টিকর্তা তার সৃষ্টি খুব সুন্দর করেই তৈরি করেছেন।
এই পদ্মা নদীর দৃশ্য।এই ছবিটা সন্ধ্যার দিকে তেলা সর্য অস্ত যাওয়ার দৃশ্য।আসলে প্রকৃতি সৌন্দর্য নিয়ে যতই লিখবো ততই কম হয়ে যাবে।
এই ছবিটা ভাইয়ার বাসার ছাদ থেকে তুলা।ভাইয়ার বাসা ছাদ থেকে সূর্য টাকে দেখা যাচ্ছে। দেখতে বেশ ভালো লাগছে।
এই ছবিটা নৌকা থেকে তোলা।আরেকটু কাছ থেকে দেখার চেষ্টা। এই আরকি।
প্রকৃতিকে সৃষ্টিকর্তা এত সুন্দর করে সাজিয়েছেন কোনটার সাথে কোনটা তুলনা হয় না।আমার কাছে এই ছবিটা দারুন লাগে।আসলে আমি তেমন ভালো ফটোগ্রাফার না তাও টুকটাক চেষ্টা এই আরকি।
পদ্মা নদীর মাঝে নৌকার দৃশ্য।
জানি না কেমন হলো ,খারাপ হলে ক্ষমা করবেন। সবার দেখাদেখি আমার ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা। আবার আসবো অন্য কোন দিন অন্য কোন পোস্ট নিয়ে।
এতক্ষন সাথেই থাকার জন্য ধন্যবাদ
device | samsung SM-A217F |
---|---|
Location | Dhaka and rajshahi |
Photograpy | photography |
ডিসকর্ড লিংক:
https://discord.gg/VtARrTn6ht
250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
আসলে নিজের পছন্দের জিনিস ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেলে বেশ খারাপ লাগবে এটাই স্বাভাবিক ব্যাপার। করছি আপনার ল্যাপটপটি ঠিক হয়ে যাবে। আপনার ফটোগ্রাফি পোস্টগুলো দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম আপু বিশেষ করে পদ্মা নদীর মাঝের দৃশ্য আর কসমস ফুলের সৌন্দর্য আমাকে মুগ্ধ করেছে। অসংখ্য ধন্যবাদ আপু সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের সাথে বিস্তারিতভাবে শেয়ার করার জন্য।
পদ্মা নদীর দৃশ্য আর কসমস ফুলের ফটোগ্রাফি আসলেই অনেক সুন্দর। ধন্যবাদ
আসলে দরকারি জিনিশ নষ্ট হয়ে গেলে খুব ঝামেলায় পরতে হয়। ল্যাপটপটি দ্রুতো কোনো মেকানিক্স এর কাছে নিয়ে যান। কারন ভিতরে পানি থাকলে ল্যাপটপ চালু করলে সার্কিট জ্বলে যাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। আশা করি ঠিক হয়ে যাবে আপনার ল্যাপটপ। ছবি গুলো সুন্দর ছিলো।
নিয়ে গিয়েছিলাম আইডিবি ভবনে,ঠিক হয়ে গিয়েছে। ধন্যবাদ আপনাকে
আসলে আপু ল্যাপটপের ধারে কাছেও পানি রাখা ঠিক নয়। যেহেতু এখানে আপনার দোষ নেই পাশের বাসার আন্টির হাত লেগে পানি পড়েছে। তাহলে কি আর করার এখন দেখুন যদি ঠিক হয় আপনার অনেক উপকারে হবে।নাহলে তো বিপদে পড়ে যাবেন। যাইহোক অসাধারণ কিছু ফটোগ্রাফি দেখতে পেলাম আপু।তবে বিশেষ করে সূর্য অস্ত যাওয়ার ফটোগ্রাফি গুলো আমার কাছে অনেক বেশি ভালো লেগেছে। আপনি খুব সুন্দর ভাবে বর্ণনার মাধ্যমে আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন সেজন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাল থাকবেন।
আসলে পরবে বিদায় মনে হয় সেইদিন পানি পাশে ছিলো। ধন্যবাদ ভাই আপনাকে সুন্দর মতামত দেওয়ার জন্য।
পদ্মা নদীর পাড়ে গিয়ে অপরূপ সুন্দর মুহূর্ত উপভোগ করেছেন। আসলে আপনি ঠিকই বলেছেন নদীর পারে আসলে এবং নদীর পারে দাঁড়িয়ে থাকলেন নদীর বাতাসে যেন প্রাণ জুড়িয়ে যায়। কি অপরূপ সুন্দরময় নদীর এই দৃশ্য। সূর্য অস্ত যাবার দৃশ্য গুলো আপনাকে খুবই সুন্দরভাবে উপভোগ করেছেন। সেই মুহূর্তগুলো শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
নদীর পাড়ে দাড়ালে মন প্রান জুড়িয়ে যায়।নদী বলে কথা।ধন্যবাদ আপনাকে
পদ্মা নদীর পাড়ে গিয়ে অপরূপ সুন্দর মুহূর্ত উপভোগ করেছেন। আসলে আপনি ঠিকই বলেছেন নদীর পারে আসলে এবং নদীর পারে দাঁড়িয়ে থাকলেন নদীর বাতাসে যেন প্রাণ জুড়িয়ে যায়। কি অপরূপ সুন্দরময় নদীর এই দৃশ্য। সূর্য অস্ত যাবার দৃশ্য গুলো আপনাকে খুবই সুন্দরভাবে উপভোগ করেছেন। সেই মুহূর্তগুলো শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
একই কমেন্ট দু'বার চলে এসেছে। ধন্যবাদ
প্রথমেই আমি আপনার প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করছি আপু, আপনার এত কাজের জিনিস তথা ল্যাপটপটি অকেজো হওয়ার জন্য আসলে আপনি অনেক কষ্ট পেয়েছেন বোঝাই যাচ্ছে যেহেতু সেখানে আমাদের কমিউনিটি গ্রাফিক ডিজাইন এবং আরো বেশ কিছু অ্যাসাইনমেন্ট ছিল। স্রষ্টা যেন আপনার ল্যাপটপটিকে ভালো করে দেন এই আশায় ব্যক্ত করছি।আপনার ফটোগ্রাফি গুলি একদম অসাধারণ হয়েছে আপু। সব ফটোগ্রাফি গুলোর মধ্যেই মনে হচ্ছিল যেন একটা নতুন করে ভাষা বিদ্যমান। বিশেষ করে সূর্যাস্ত যাওয়ার দৃশ্যটি আর কসমস ফুলের ফটোগ্রাফিটি তার অনন্য দৃষ্টান্ত। আপনি আসলেই অনেক সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি করতে পারেন আপু। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
অকেজো হয়নি,ঠিক হয়ে গিয়েছে, আশা করি ইনশাআল্লাহ আগের মতই কাজ করতে পারবো।ধন্যবাদ আপনাকে
আসলেই নদীর পাড়ে গিয়ে দাঁড়ালে নিজের কাছে এক অন্যরকম ভালো লাগা কাজ করে সব সময়ই, নদী থেকে উঠে আসা বাতাসগুলো যখন গায়ে এসে লাগে তখনকার এই ভালোলাগাটা আসলে বর্ণনা করা যায় না। চমৎকার কিছু রেনডম ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন ফটোগ্রাফি গুলো দেখে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর উপস্থাপনার মাধ্যমে আপনার এই ফটোগ্রাফি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
নদীর বাতাস গায়ে লাগলে আসলেই অনেক ভালো লাগে।আপনাকে অনেক ধন্যবাদ
আমার ল্যাপটপ যদি অস্বাভাবিক আচরণ করে আমি জানি তখন কেমন লাগে। সেজন্য আপনার অবস্থা টা আমি বুঝতে পারছি। একেবারে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে আপনার ল্যাপটপে পানি চলে গিয়েছে। নদী এর সূর্যের কী অসাধারণ এক মেলবন্ধন। আর আপনি ফটোগ্রাফি টা কী চমৎকার করেছেন। সত্যি দারুণ আপু। আবার রাতের আকাশে তারা এই ফটোগ্রাফি টাও চমৎকার লেগেছে। এককথায় অসাধারণ। সবমিলিয়ে দারুণ করেছেন ফটোগ্রাফি গুলো আপু। ধন্যবাদ আমাদের সাথে শেয়ার করে নেওয়ার জন্য আপনাকে।
আসলেই, আমার ল্যাপটপ তো অনই হচ্ছিলো না,কি একটা অবস্থা। আপনার কাছে সবগুলো দারুণ লেগেছে জেনে ভালো লাগলো।ধন্যবাদ
আপনার ল্যাপটপে পানি পড়েছে জেনে খুব খারাপ লাগলো। যাই হোক, আজকে খুব সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন। আপনার ক্যাপচার করা চাঁদের ফটোগ্রাফিটি আসলেই দারুন হয়েছে। আমার কাছেও এই ফটোগ্রাফি টি খুবই ভালো লেগেছে। তাছাড়া নদীর পাড়ের দৃশ্য গুলো মনোমুগ্ধকর ছিল। খুবই ভালো লাগলো এত সুন্দর এবং মনমুগ্ধকর কিছু ফটোগ্রাফি দেখতে পেরে। ধন্যবাদ আপু।
আপনার কাছে চাঁদের ফটোগ্রাফি গুলো ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগলো। কিভাবে যে পানি পরলো,মাথায় ধরলো না।ধন্যবাদ