সন্তান হারানোর বেদনা!
আজকে আমি এসেছি আপনাদের সকলের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট শেয়ার করতে। আমার লেখার মাধ্যমে আমার চিন্তা ভাবনা গুলো আপনাদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এই লেখাগুলো শেয়ার করা।
আশা করছি যে আপনারা আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের মাধ্যমেই আমার এই লেখাটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবেন এবং আপনাদের মতামত ব্যক্ত করবেন। আমি যদি কোনো কিছু ভুল বলে থাকি। তাহলে অবশ্যই আমাকে শুধরে দিতে ভুলবেন না।
আজকে আপনাদের সাথে আমার এক আত্মীয়ের কথা শেয়ার করবো। প্রতিনিয়ত নিজের চারপাশে কিংবা সামাজিক ঘটে যাওয়া ব্যাপার গুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করা হয়। আপনাদের মতামত ব্যক্ত করার সুযোগ দেওয়া হয় কিংবা আমি নিজেও আমার মতামত ব্যক্ত করি তো। এইসব এর মধ্যে আসলে নিজের লেখার একটি সার্থকতা খুঁজে পাওয়া যায়। আজকেও সেই সার্থকতা খুঁজতেই চলে আসলাম বলা চলে। আর তার নতুন একটি লেখা নিয়ে।
আজকে আসলে আমি এমন একটি লেখা লিখবো। যেটা করে হয়তো অনেকেই কষ্ট পাবেন। আবার হয়তো অনেকের কোনো কিছুই অনুভব হবে না। কারণ একটা ব্যাপার রয়েছে যে, আমরা আমাদের নিজেদের কষ্টে অনেক বেশি কষ্ট পেলেও কখনো কখনো মানুষের কষ্ট একটুও কষ্ট পাই না এবং এটা অনেক বেশি অস্বাভাবিক।
আসলে খুব সাধারন একটি ঘটনা শেয়ার করবো। অর্থাৎ আপাতত পক্ষে ব্যাপারটি দেখতে গেলে অনেক বেশি সাধারন। কিন্তু আসলেই এতোটা সাধারণ নয়। যেমন, আমার এক আত্মীয় রয়েছে। তার ব্যাপারগুলো সত্যি অনেক দুঃখজনক। অর্থাৎ তার ব্যাপার বলতে সে প্রতিভার কনসিভ করে এবং অনেক বেশি খুশি থাকে এবং প্রায় অনেক মাস পর্যন্ত তার বাচ্চা তার পেটে থাকে অর্থাৎ তিনি গর্ভবতী থাকেন। কিন্তু কোনো এক অজানা কারণ এই সাত থেকে আট মাস এর মধ্যে তার বাচ্চাটি নষ্ট হয়ে যায়। ব্যাপারটি সত্যিই অনেক বেশি হৃদয়বিদারক।
কারণ ৬ থেকে ৭ মাস সময়টা কিন্তু খুব একটা কম নয়। অর্থাৎ সময়কালটা যথেষ্ট বেশি আর হঠাৎ করেই যদি এভাবে বাচ্চা নষ্ট হয়ে যায় তাও প্রথমবার নয় প্রতিবার। তাহলে আমি জানিনা ওই মা কি করে সহ্য করে! কারণ সন্তান হারানোর মতো বেদনা এই পৃথিবীতে আর কোনো কিছুই নেই।আমরা আসলে যেটা দেখেছি যে, তিনি অনেক অনেক ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়েছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কিছুই হয় না। উনার জন্য দোয়া করি যেনো দ্রুত উনি উনার এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পায়।