মুভি রিভিউ ( পুষ্পা- 2)!!
আমার বাংলা ব্লগে,সবাইকে স্বাগতম।
আমি @emon42.
বাংলাদেশ🇧🇩 থেকে
ইউটিউব থেকে স্কিনশর্ট নেওয়া হয়েছে।
মুভির গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য
----- | ----- |
---|---|
মুভির নাম | পুষ্পা-2 |
পরিচালক | সুকুমার |
মুক্তি | ৫ ডিসেম্বর,২০২৪ |
ভাষা | তামিল, হিন্দি |
দেশ | ভারত |
দৈর্ঘ্য | ২০০ মিনিট |
অভিনয়ে | আল্লু অর্জুন, রাশমিকা মান্দানা, ফাহাদ ফাসিল, সুনীল, রাও রমেশ, আরও অনেকে। |
ব্যাক্তিগত রেটিং | ৮.৫/১০ |
কাহিনী সংক্ষেপ
মুভির শুরুতেই দেখা যায় লাল চন্দন কাঁটার জন্য অনেক শ্রমিক কে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এবং ঐ শ্রমিকদের মধ্যে ছদ্মবেশে ছিল পুলিশ অফিসার শেখাওন্ড। তবে শেষে গিয়ে সে সবাইকে গ্রেপ্তার করে। এবং লাল চন্দনের বতর্মান সিন্ডিকেট প্রধান পুষ্পা গিয়ে সবাইকে ছাড়িয়ে নিয়ে আসে। প্রথমে পুলিশ কাউকে ছাড়তে না চাওয়ায় পুষ্পা সবাইকে টাকা দিয়ে দেয় এবং বলে চাকরি ছেড়ে দিতে। পুলিশরা টাকা পেয়ে চাকরি ছেড়ে দেয়। পুষ্পার বউ শ্রীবাল্লি তার কাছে আবদার করে সে যেন চীফ মিনিষ্টার এর সাথে ছবি উঠে। সে চীফ মিনিষ্টারের কাছে গেলে চীফ মিনিষ্টার ছবি না উঠে বলে আমি যার তার সাথে ছবি উঠতে পারি না। তখনই পুষ্পা বলে আমি এই চীফ মিনিষ্টার চেঞ্জ করব কত টাকা লাগবে। এবং নিজের কাছের একজন এমএলএ কে সে চীফ মিনিষ্টার বানাবে। এর জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন।
এইজন্য পুষ্পা সরাসরি চীনের একজন লাল চন্দনের ডিলারের সাথে ডিল করে মোট ২০০০ টন লাল চন্দন সে তাকে দেবে। প্রতি টন ২.৫ কোটি টাকার মূল্যে। কিন্তু নিয়ে আসাই সবচাইতে বড় সমস্যা। এই লাল চন্দন নিয়ে আসার পথে সবচাইতে বড় বাঁধা ছিল পুলিশ অফিসার শেখাওন্ড। পুষ্পা অনেক পরিকল্পনা করে বুদ্ধি করে পুলিশ কে ফাঁকি দিয়ে শেষমেশ লাল চন্দন চীনে পৌছে দেয়। এবং ঐ টাকা দিয়ে নির্বাচন করে এবং তার পছন্দের ব্যক্তিকে চীফ মিনিষ্টার বানায়। এবং ঐ চীফ মিনিষ্টার তার বাড়িতে এসে তার সাথে ছবি উঠে। কিন্তু পুষ্পার সবচাইতে বড় দুঃখ তার কোন বংশ পরিচয় নেই। অর্থাৎ সে তার বাবার স্বীকৃত সন্তান না। তার অন্য পক্ষের ভাইয়েরা সবসময় তাকে বংশহীন বলে অপমান করে।
পরবর্তীতে দেখা যায় পুষ্পার ঐ পক্ষের ভাইয়ের মেয়েকে ধরে নিয়ে যায় প্রভাবশালী এক রাজনৈতিক পরিবারের ছেলে। পুষ্পা গিয়ে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। এবং সসম্মানে বাড়িতে ফিরিয়ে দেয়। এরপর দেখা যায় এই ঘটনার পরে পুষ্পার অন্য পক্ষের ভাইদের মন পাল্টে যায়। তারা পুষ্পা কে নিজেদের ভাইয়ের স্বীকৃতি দেয়। এবং তার মেয়ের বিয়ের প্রথম আমন্ত্রণ পএ দেয় পুষ্পা কে। এবং কার্ডের গিয়ে পুষ্পার নামের পরে তার বাবার পদবী ছিল। এটা দেখে পুষ্পা কান্না শুরু করে। এবং পুষ্পা -2 মুভি এখানেই শেষ হয়।তবে বেশ কিছু ব্যাপার অসমাপ্ত রেখে পরিচালক মুভি টা শেষ করেছে। এবং খুব দ্রুতই পুষ্পা-৩ এর কাজ শুরু হবে।
ব্যক্তিগত মতামত
২০২২ সালে পুষ্পা মুভি টা বের হয়। দক্ষিণ ভারতের লাল চন্দন সিন্ডিকেট নিয়ে কাহিনী এটা। প্রায় তিনবছর পর পুষ্পা- 2 মুভি আসলো। আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে। পুষ্পার পরে পুষ্পা-2 ও সুপার ডুপার হিট হবে। পুষ্পা - 2 তে পরিচালক একটা দারুণ ম্যাসেজ দিয়েছে। একটা মানুষের কাছে টাকা পয়সা ক্ষমতা এগুলোর থেকে বড় পিতৃ পরিচয়। সবমিলিয়ে অসাধারণ ছিল মুভিটা। এবং যতটা দেখলাম পুষ্পা-3 ও আসবে। এই জন্য পরিচালক বেশ কিছু কিন্তু রেখেই মুভিটা শেষ করেছে। আমি মোটামুটি স্পয়লার মুক্ত রিভিউ দেওয়ার চেষ্টা করেছি।
মুভির অফিশিয়াল ট্রেলার
সবাইকে ধন্যবাদ💖💖💖।
অনন্ত মহাকালে মোর যাএা অসীম মহাকাশের অন্তে। যারা আমাদের পাশে আছে তারা একটা সময় চলে যাবেই, এটা তাদের দোষ না। আমাদের জীবনে তাদের পার্ট ওইটুকুই। আমাদের প্রকৃত চিরশখা আমরা নিজেই, তাই নিজেই যদি নিজের বন্ধু হতে পারেন, তাহলে দেখবেন জীবন অনেক মধুর।তখন আর একা হয়ে যাওয়ার ভয় থাকবে না।
আমি ইমন হোসেন। আমি একজন বাংলাদেশী। আমি একজন ছাএ। তবে লেখাপড়া টা সিরিয়াসলি করি না হা হা। লেখালেখি টা বেশ পছন্দ করি। এবং আমি ফুটবল টা অনেক পছন্দ করি। আমার প্রিয় লেখক হলেন জীবনানন্দ দাস। আমি একটা জিনিস সবসময় বিশ্বাস করি মানিয়ে নিতে এবং মেনে নিতে পারলেই জীবন সুন্দর।।
Daily task
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
অনেক দারুন একটি মুভি রিভিউ করেছেন ভাই। পুষ্পা মুভি আমার অনেক পছন্দের। আমি বেশ অনেকবার এই মুভিটি দেখেছি। পুষ্পা মুভিটি আপনি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অনেক সুন্দর করে উপস্থাপন করেছেন আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই।।
আমি মুভিটা দেখেছি। তবে প্রথম দৃশ্যটার সাথে সারা মুভিতেও কোন মিল পেলাম না। পুস্পা ৩ আসবে কি না আমার সন্দেহ আছে। তবে সব মিলিয়ে মুভিটা ভালো লেগেছে। এক ফটোর জন্য সিএম পরিবর্তন। 🫡