বিখ্যাত লেখকেরাও শিকার হয়েছেন চূড়ান্ত রাইটার’স ব্লকের
বিখ্যাতদের জীবনী সবসময় অবিরত সফলতা বর্ণনা করে না। উত্থান-পতন ও বারবার ব্যর্থতার কথাই বেশি শোনা যায়। যারা খুব বেশি প্রতিভাবান হন, তাদের নিজের প্রতিও অনেক বেশি প্রত্যাশা থাকে এবং অনেক সময় তারা সেটা পূরণে ব্যর্থ হন। তাদের কাছে সে ব্যর্থতা অন্য সবকিছুর চাইতে অনেক বেশি কষ্টকর। লেখকদের ক্ষেত্রে ‘রাইটার’স ব্লক’ এমনই এক ব্যর্থতার নাম, এমনই এক অমানিশার আশ্রয়।
ইতিহাসের বিখ্যাত এমন অনেক লেখক ছিলেন যারা এই ঘোর আঁধারে নিমজ্জিত হয়েছেন। কেউ হয়তো সে আঁধার কাটিয়ে আলোর মুখ দেখেছিলেন, বাকিদের পক্ষে তা-ও সম্ভব হয়নি। আজ আমরা এমন কিছু ইতিহাসবিখ্যাত লেখকের কথা জানবো, যারা চূড়ান্ত ‘রাইটার’স ব্লক’ এ ভুগেছিলেন। তাদের জীবনের বহু সম্ভাবনাময় দিন, এমনকি বছর কেটে গেছে কোনো সৃষ্টিশীলতা ছাড়াই।
তিনি তার এক বন্ধুর কাছে অভিযোগ জানিয়েছিলেন, “আমি আর লিখতে পারছি না। আমার প্রায় ৩০০ জন বন্ধু রয়েছে যারা প্রায়ই কফি পানের ছুতোয় চলে আসে। আমি ভোর ৬টায় উঠার চেষ্টা করেছি, কিন্তু তখন সব ৬টায় জাগা ব্যক্তিরা এক জায়গায় জড়ো হয়!” হার্পার লি একা সময় পাচ্ছিলেন না এবং তার লিখতে না পারার পেছনে তিনি এই ভিড়বাট্টাকে দায়ী করেছিলেন।
তার রাইটার’স ব্লক তাকে জীবনভর যন্ত্রণা দেয়। যার একটি বই-ই পৃথিবীজোড়া এত খ্যাতি ও স্বীকৃতি পেতে পারে, তিনি আরো লিখলে কত বেশি প্রাপ্তি তার ঝুলিতে পড়তো- তা শুধু কল্পনাই করা যায়। ২০১৬ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
good post thank you , @princeshamim & @shamimahosan
plz followed my blog