জার্নিময় একটি দিন।
হ্যালো বন্ধুরা।
আসসালামু আলাইকুম।
কেমন আছেন সবাই? আশা করছি সবাই অনেক ভালো আছেন। গতকাল সকাল থেকে রাত অব্দি জার্নি লর উপরে ছিলাম। বাবুকে ঢাকা থেকে অপারেশন করিয়ে আবার ফলোআপের জন্য ঢাকাতেই নিয়ে যাওয়ার কথা ছিলো। বাট এত ছোট বাচ্চাকে নিয়ে এত বড় জার্নি করানো খুবই সমস্যা। যেদিন ঢাকা থেকে আসলাম সেদিন হারে হারে টের পেয়েছি।
ঢাকা থেকে ডাক্তারের সাথে কথা বলে নিয়েছিলাম যে ফলোআপ এখানে কোথাও থেকে করালে হবে কিনা। ডক্টর যশোরের একটি ডক্টরকে দিয়ে ফলোআপের সাজেস্ট করেছিলেন। যেহেতু আমার ওয়াইফের বাসা যশোর তাই চিন্তা করলাম তাহলে ও কিছুদিনের জন্য ওখান থেকে ঘুরে আসুক। ডাক্তার দেখানোও হলো, ওর কিছুদিন ঘুরে আসাও হলো।
সকাল ১১ টার দিকে রেডি হয়ে গেলাম যাওয়ার জন্য। সাড়ে ১১ টার দিকে আমরা আমার বাসা থেকে রওনা দিলাম। দুপুর আড়াইটার দিকে যশোর পৌঁছে নোভা হসপিটালে গেলাম। ডাক্তার আসলো একটু লেট করে। ডক্টর আসার পর বাবুকে দেখলেন। ব্যান্ডেজ লাগানো ছিল সেটি খুলে ড্রেসিং করে আবার আরেকটি ব্যান্ডেজ লাগিয়ে দিলেন।
ডক্টর দেখানো শেষ করে আমরা সোজা ওয়াইফের বাসায় চলে গেলাম। ওদের নামিয়ে দিয়ে ফ্রেশ হয়ে খাওয়া দাওয়া করে আবার বেরিয়ে এলাম। আমার বাবাটাকে বিদায় জানিয়ে এলাম আসার সময়। বাবু মাত্র তিন মাস বয়সেই অনেক জার্নি করে ফেলল। এখানে বেশ কিছুদিন থাকে এরপর ইনশা আল্লাহ নিয়ে যাব আবার।
বিদায় জানিয়ে গাড়িতে উঠে আমি আর ড্রাইভার রওনা দিলাম। ওখান থেকে তিন ঘন্টা লাগে আমাদের এলাকায় আসতে। রাতের ফাঁকা রাস্তা বেশ ভালই লাগছিল। ভেতরের রাস্তা দিয়ে এসেছি যার কারণে রাস্তা অনেকটাই ফাঁকা ছিল। গল্প করতে করতে আমরা চলে এলাম প্রায় আমাদের এলাকায়। এরই মধ্যে আমার ফ্রেন্ড আর ছোট ভাইয়েরা স্টেশনে এসে দাঁড়িয়ে আছে। ভাবলাম গাড়িতে আর বাড়ি পর্যন্ত না গিয়ে ওদের সাথে একটু আড্ডা দিয়ে তারপর ওদের সাথেই বাড়ি ফিরব।
আটটা দশ মিনিটের দিকে পৌঁছালাম স্টেশনে। রাত ৯:৩০ অব্দি আড্ডা দিলাম সবাই একসাথে। এরপরে বাড়ি চলে আসলাম। একদিনের মধ্যে সব কাজ কমপ্লিট। বাড়ি এসে প্রচন্ড ঘুম পাচ্ছিল। কাজ করার মত এনার্জি ছিল না। তাই সকাল সকাল ঘুমিয়ে গিয়েছিলাম। এটাই ছিল আমার গতকালকের ব্যস্ততম দিন। আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি। আল্লাহ হাফেজ।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |

ছোট বাচ্চা তবে তো ভালো ই জার্নি করলো।দোয়া করি সুস্থ হয়ে উঠবে।আপনি ফেরার পথে তো মারাত্মক সুন্দর কিছু পথের ফটোগ্রাফি করলেন ভাইয়া।ফটোগ্রাফি গুলো ভীষণ মায়া মাখানো লাগলো আলো-আঁধারির সৌন্দর্যে।অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি অনুভূতি গুলো শেয়ার করার জন্য।
ফলোআপ এর জন্য ঢাকা না গিয়ে যশোর যাওয়াতে খুব ভালো হয়েছে। এক ঢিলে দুই পাখি মারা হয়ে গেলো। ঐশী আপুদের বাসায় ইয়াফী বেশ কয়েকদিন বেড়াতে পারবে। ফটোগ্রাফি গুলো দেখে বেশ ভালো লাগলো। যাইহোক ব্যস্ততম দিনের গল্প আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।
ভাইয়া আপনার ব্যস্তময় দিনের গল্প পড়ে ভালোই লাগলো। বলছিলাম ছেলেকে রেখে একা একা থাকতে কেমন লাগছে সেই অনুভূতি জানাবেন। আশা করি অবশ্যই বাবুকে মিস করবেন। ধন্যবাদ।