Better Life With Steem || The Diary game || 17 / March / 2025
আসসালামু আলাইকুম। আশাকরছি সবাই ভালো আছেন, আমিও আলহামদুলিল্লাহ্ ভালো আছি। ইন্ডিয়ান বাসী, বাংলাদেশ বাসী,ও ইনক্রিডিবল ইন্ডিয়া কমিউনিটির সবাইকে জানাই, আমার পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও সবার প্রতি আমার ভালবাসা রইল।
আজও আমি প্রতিদিনের মত সকাল ৯টায় ঘুম থেকে উঠেছি। ঘুম থেকে উঠে প্রথমেই ফ্রেশ হয়ে নিলাম। তারপর, প্রতি দিনের মতোই, আজও,আমার প্রিয় ভালোবাসার কবুতরগুলোকে খাবার দিলাম। ঠিক তখনই পাশের বাড়ির খালামণি আমার বাসায় আসলো, কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথাবার্তা বলার জন্য।
একটু খুলে বলি তাহলে বুঝতে অনেক সুবিধা হবে। কিছু দিন আগে আমি একটি পোস্টে জানিয়েছিলাম, আমাদের পাশের বাড়ির এক আঙ্কেল মারা গেছেন। তিনি একটি ফার্মেসির মালিক ছিলেন। আর এই ফার্মেসির ব্যবসার ব্যাপারে পাশের খালামণি আমার সাথে বলেছিলেন, যদি আমি ফার্মেসি ব্যবসায় করতে চাই, তাহলে তিনি আমাকে দোকানটি দিবে।
আজ সকালে তিনি এসে আবার সেই বিষয়েই আলোচনা করার জন্য বাসায় এসেছেন। আমি কিছুটা চিন্তা করে আম্মা ও আব্বার সাথে কথা বললাম। তাদের কাছ থেকে আমি সমর্থন পেলাম। তারা বলল, তুমি ফার্মেসি নিতে চাইলে, সমস্যা নেই, আমরা তোমার পাশে আছি। কিন্তু, টাকা-পয়সার ব্যাপার তো আছেই, এবং সে জন্য কিছুটা চিন্তা করার প্রয়োজন ছিল। আমি তখন খালামণিকে বললাম, আপনি বাসায় যান, আমি পরশু দিন ঠিক করে জানিয়ে দিবো। তিনি আমাদের বাসার থেকে চলে গেলেন।
এবার, আমি আম্মা ও আব্বার সাথে পরামর্শ করছিলাম। ব্যবসায় শুরু করতে তো অনেক টাকা- পয়সার ব্যাপার থাকে, সেই বিষয়টা বুঝতে হবে। তাই, আমাদের মাথায় একটা নতুন বুদ্ধি পেলাম। আমাদের কিছু টাকা ফিক্সড ডিপোজিটে ছিল, সেই টাকা আমরা তুলে ফেলতে পারি। এরপর, আমি ব্যাংকে গিয়ে ব্যাংক অফিসার এর সাথে কথা বললাম। অফিসার জানালেন, যেকোনো সময় আমি ফিক্সড ডিপোজিট খুলে টাকা উত্তোলন করতে পারবো। এতে কোনো সমস্যা নেই।
এটা শোনার পর, আমি শান্ত হলাম, কারণ টাকা ম্যানেজের ব্যাপারে একটা সমাধান মিলেছে। এরপর, আমি ব্যাংক থেকে বের হয়ে সাড়ে বারোটার দিকে আমাদের এলাকার বড় ফার্মেসি এক জায়গায় গেলাম। সেখানে ফার্মেসির মালিকের ছেলে, বাবু ভাইয়ের সাথে সাক্ষাৎ হলো। বাবু ভাই একজন অভিজ্ঞ ব্যবসায়ী এবং অত্যন্ত সহানুভূতিশীল। আমি তাকে জানালাম যে, আমি একজন সৎ কর্মচারী চাই, যে অভিজ্ঞ হতে হবে এবং আমার ফার্মেসির সঠিক পরিচালনার জন্য সাহায্য করবে। বাবু ভাই আমাকে আশ্বস্ত করলেন, তিনি আমাকে সাহায্য করবেন।
এই বিষয়গুলো ভাবনা-চিন্তা করে, আমি বাসায় ফিরে এলাম। ঘরে এসে আবার ভালোবাসার কবুতরগুলোকে খাবার দিলাম, খাঁচা পরিষ্কার করলাম এবং গোসলও করলাম। গোসল শেষে কিছুটা বিশ্রাম নিলাম। বিশ্রাম নিতে-নিতে আমি ভাবছিলাম কিভাবে টাকা-পয়সা ম্যানেজ করা যায় এবং ফার্মেসি ব্যবসায় সঠিকভাবে চালানো সম্ভব। কিছুক্ষণ পর দেখি, ঘড়ির কাঁটায় সাড়ে চারটা বাজে। সময় চলে যাচ্ছে, কিন্তু নানা চিন্তা মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিল।
আজকের আবহাওয়া ছিল ঠান্ডা, বিশেষ করে দুপুর ২টার দিকে আকাশে মেঘ জমতে শুরু করেছিল। বৃষ্টির কয়েকটি ফোঁটাও পড়েছিল, যদিও আমাদের এলাকায় তেমন বৃষ্টি হয়নি, তবে আশেপাশের এলাকায় প্রচুর বৃষ্টি হয়েছে। বিকাল বেলা ছাদে গিয়ে কিছু সময় কাটালাম। এর মধ্যে, আমার ছোট ভাতিজি এসে আমাকে বললো, কাকা- কাকা, দেখো, লাউটা অনেক বড় হয়েছে!
তার কথা শুনে আমি ছুটে গিয়ে লাউ গাছের দিকে তাকালাম। সত্যিই, লাউটা অনেক বড় হয়েছে, দেখে আনন্দ লাগলো। আমি তখন আম্মাকে বললাম, লাউটা কি কেটে আনবো, আম্মা বলল, ঠিক আছে, লাউটা কেটে আন। এরপর আমি এবং আমার চাচা ও ভাতিজা মিলে লাউ গাছ থেকে সুন্দর লাউটি কেটে আনলাম।
লাউটি বেশ সুন্দর হয়েছে এবং ছবিও তুললাম। ছবি তোলার পর, আমরা লাউটি ঘরে নিয়ে আসলাম এবং তারপর একটু বিশ্রাম নিলাম। আলহামদুলিল্লাহ,
এইভাবে, আজকের দিনটি শেষ হয়েগেছে, নানা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, কিছু আনন্দের মুহূর্ত, আর কিছু চিন্তা ও পর্যালোচনার সাথে। সবাই ভাল থাকবেন, সুস্থ থাকবেন, আল্লাহ হাফেজ!