নাটক রিভিউ :- " স্কুল গ্যাং সিজন ২ " ( পর্ব ১৭ ) ❤️
বিসমিল্লাহি ওয়াস সালাতু ওয়াস সালামু আলাইকা ইয়া রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।
আশা করি আমার বাংলা ব্লগ পরিবারের সবাই ভাল আছেন। আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে ভালো সুস্থ আছি। আমার বাংলা ব্লগ পরিবারের সকলের সুস্বাস্থ্য কামনা করে নতুন ব্লগ করলাম। আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব একটি নাটক রিভিউ। নাটকের নাম হচ্ছে স্কুল গ্যাং সিজন ২ । নাটকটি মূলত পর্ব আকারে করা হয়েছে । বেশি দিন ধরে আমি এই নাটকটি দেখছিলাম। যদি এটা অনেক আগেই বের হয়েছে। তবে যেহেতু এই নাটকটি বেশ কিছুটা পর্ব তৈরি করা হয়েছে, তাই জন্য ভাবলাম আপনাদের মাঝে একটা একটা করে পর্ব শেয়ার করবো। আজকে আমি আপনাদের মাঝে নাটকের ১৭ তম পর্ব টা শেয়ার করবো। আশা করি রিভিউটা পড়ে আপনাদের ভালো লাগবে।
নাটক সম্পর্কে কিছু তথ্য :-
নাম | স্কুল গ্যাং সিজন ২ |
---|---|
কাহিনী, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা | আর্থিক সজীব। |
অভিনয়ে | শহিদুল আলম সাচ্চু, আব্দুল্লাহ রানা, তামিম খন্দকার, শায়লা সাথী, সিয়াম মৃধা , আরোহী মিম, মিরাজ খান, আদর আহমেদ , নাজিয়া বর্ষা, সাকিব সিদ্দিকি, অনন্যা ইসলাম, শোয়েব শান্ত , রকি খান, ফারুক আল ফারুকী সহ আরো অনেকে। |
প্রধান সহকারী পরিচালক | মামুন অর রশিদ |
সম্পাদনা | সাইদুর রহমান সবুজ |
মিউজিক | বি এইচ পারভেজ |
কাহিনী সারসংক্ষেপ
এই পর্বের শুরুতেই আমরা স্কুল গ্যাং এর ৫ বন্ধুকে দেখতে পাই, খায়রুল স্যার আর আরোহীর ব্যাপারে কথা বলছিল। তারপর তারা স্কুল ক্যাপ্টেন নির্বাচনের বিষয়ে কথা বলে। আর সবাই বলে নাজিয়া যেন নির্বাচনে দাঁড়ায়। এরপর সাকিব আর মিরাজ মিলে চলে যায় আদর স্যারের কাছে। আর স্যার কে গিয়ে সবকিছু বলে। এমন কি এটাও বলে নাজিয়া স্কুল ক্যাপ্টেন হতে চায়। অন্যদিকে নাজিয়া সাথী আর শান্ত দূরে দাঁড়িয়ে ছিল। আর স্যার এটা সত্যি কিনা জিজ্ঞেস করাতে নাজিয়া দূর থেকে হ্যাঁ বলে। কারণ সবাই তাকে শিখিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু কি জন্য হ্যাঁ বলেছে এটা সে জানতো না। এভাবে সবাই তাদের প্ল্যান অনুযায়ী কাজ করে ফেলে কিন্তু নাজিয়া এসবের কিছুই বুঝতে পারেনা।
অন্যদিকে আদর স্যার নাজিয়ার কথা শুনে অনেক খুশি হয়েছিল। আর আদর স্যার তাদেরকে জানায়, তার অবশ্যই এই ব্যাপারটা সিরিয়াসলি দেখবে। অন্যদিকে সাথীকে শান্ত আর নাজিয়া দৌড়াতে থাকে। আর তখনই শান্ত একটু মাথায় আঘাত পায়। আর তারা যখন এগুলো নিয়ে কথা বলছিল, তখনই মিরাজ আর সাকিব আসে। তারপর নাজিয়া কে জানায় সে কনফার্ম স্কুল ক্যাপ্টেন হয়ে যাবে। তখনই ওখানে আরোহী চলে আসে, আর তাদেরকে বিভিন্নভাবে ব্ল্যাকমেইল করতে থাকে। এভাবে বিভিন্ন কথা বলে সে ওখান থেকে চলে যায়। তখনি সাকিব ঘরের দিকে তাকিয়ে বলে গার্লস স্কুল ছুটি দিয়ে দিয়েছে।
আর তখনই মিরাজ সাথী নাজিয়াকে সবকিছু ভালো ভাবে খুলে বলে। আর সবাই বাসার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। তারপর আমরা সাকিবকে দেখতে পাই অনন্যার জন্য অপেক্ষা করছে। আর অনন্যা পেছন থেকে এসে দাঁড়িয়ে থাকে। তারপর তারা কথা বলতে থাকে। আর অনন্যা শান্তর কথাও জিজ্ঞেস করে। তারপরে তারা কিছুক্ষণ কথা বলে। আর এক পর্যায়ে সাকিব তার মনের কথা তাকে বলে দেয়। আর এটা শুনে অনন্যা অনেক হাসতে থাকে। তারপর সে ওখান থেকে চলে যায়। আর তখনই পেছন থেকে সাকিব জিজ্ঞেস করতে থাকে। তখন অনন্যা তাকে জানিয়ে দেয় সে রাজি। আর এটা শুনে তো সাকিব অনেক খুশি হয়ে যায়।
তারপর আমরা শান্ত আর সাথীকে দেখতে পাই বাসায় যাচ্ছিল। তারপর সাথী রাস্তার একপাশে বসে শান্তর মাথার ব্যান্ডেজ টা খুলে দেয়। আর তখনই ওখানে তামিম আসে, আর তাদেরকে ভালো-মন্দ জিজ্ঞেস করতে থাকে। তারপর তামিম শান্তকে ওখান থেকে পাঠিয়ে দিয়ে, সাথীকে কিছু কথা বলার জন্য রেস্টুরেন্টে যাওয়ার জন্য বলে। প্রথমে যদিও সাথী রাজি হয় না পরে রাজি হয়ে যায়। আর এইসব কিছু শান্ত গাছের আড়াল থেকে দেখে ফেলে। আর সে অনেক হাসতে থাকে। তামিম যখন সাথীকে নিয়ে যাচ্ছিল তখনই দৃশ্যটা সিয়াম দেখে ফেলে। তারপর আমরা সাথীকে দেখতে পাই, রেস্টুরেন্টে বসে তামিমকে আরোহীর সবগুলো কথা বলছে।
আর তামিম ও তার সামনে ভালো সাজার চেষ্টা করে। এরপর তামিম এগুলো বাদ দিয়ে তার কথা বলার জন্য বলে। আর তারা এভাবে বিভিন্ন কথা বলছিল এগুলো নিয়ে। আর এগুলো শুনে তো সাথী অনেক লজ্জা পাচ্ছিল। আর এক পর্যায়ে সে চলে যায় ওখান থেকে। রাতের বেলায় আমরা শান্তকে দেখতে পাই সাকিবকে সাথীর বিষয়টা বলছে। কিন্তু সাকিব এই বিষয়টা একেবারে বিশ্বাস করতে চায় না। তারপর তারা সাথীর সাথে প্রাঙ্ক করার চিন্তা করে। আর তারা অচেনা নাম্বার থেকে সাথীর কাছে তামিম হয়ে ফোন দেয়। কিন্তু সাথী কিছুই বুঝতে পারে না। তারা গলা চেঞ্জ করে কথা বলার কারনে সাথী বিষয়টা জিজ্ঞেস করে। আর তখনই এই পর্ব টা শেষ হয়ে যায়।
ব্যক্তিগত মতামত
এই পর্বটা অনেক সুন্দর ছিল। আমরা এই পর্বে দেখতে পেয়েছি সাথী আস্তে আস্তে তামিমের প্রেমের ফাঁদে পা দিয়ে দিয়েছে। আর এখন তামিম আস্তে আস্তে নিজের মাস্টার্স প্ল্যানটা শুরু করবে। কিন্তু এই প্ল্যান টা আসলে কি এটাই দেখতে হবে। অন্যদিকে আরোহী ও স্কুল ক্যাপ্টেন হওয়ার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। আবার তার বিপরীত দিকের স্কুল ক্যাপ্টেন হিসেবে নির্বাচনে নাম দেওয়ার জন্য নাজিয়াকে তারা সিলেক্ট করেছে। এখন দেখা যাক সাথী এবং তার বন্ধুদের সাথে কি হতে চলেছে। আর কে হবে স্কুল ক্যাপ্টেন। এগুলো জানার জন্য অপেক্ষা করতে হবে পরবর্তী পর্বগুলোর জন্য। আমি চেষ্টা করবো খুব তাড়াতাড়ি পরবর্তী পর্ব শেয়ার করার জন্য।
ব্যক্তিগত রেটিং
৯/১০
নাটকের লিংক
নিজেকে নিয়ে কিছু কথা
আমার নাম নুরুল আলম রকি। আমার steemit I'd narocky71। আমি বাংলাদেশী নাগরিক । বাংলাদেশে বসবাস করি। তার সাথে সাথে আমি বিশ্বনাগরিক। আমি বাংলা ভাষায় কথা বলি। বাংলা ভাষায় মনের ভাব প্রকাশ করি। আমি বাংলা ভাষাকে ভালবাসি। আমি ফটোগ্রাফি করতে ও ছবি আঁকতে ভালোবাসি। বিশেষ করে জল রং দিয়ে পেইন্টিং করতে পছন্দ করি। এছাড়াও আমি ভ্রমণ করতে পছন্দ করি। যখনই আমার সময় এবং হাতে টাকা থাকে তখন ভ্রমণ করতে বেরিয়ে পড়ি। বিশেষ করে আমি ম্যাক্রো ফটোগ্রাফি করতে পছন্দ করি। আমি অনেক বছর আগ থেকে ফটোগ্রাফি করে থাকি। কিন্তু বিশেষ করে ম্যাক্রো ফটোগ্রাফি বেশি করা হয়। বর্তমানে তার সাথে আর্ট করতে অনেক ভালোবাসি। বর্তমানে আমি বেশি সময় কাটাই আর্ট শিখতে। বর্তমানে আমার স্বপ্ন, আমি একজন ভালো ফটোগ্রাফার, ও একজন ভালো আর্টিস্ট হব। ( ফি আমানিল্লাহ)
https://x.com/NARocky4/status/1894288780938678577?t=Sfjn2c9zEVFSVsHSGfYr6A&s=19
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
আপনি আজকে দারুন একটি নাটকের রিভিউ শেয়ার করেছেন। আমি যদিও তেমন একটা নাটক দেখি, তবে সময় পেলেই নাটক রিভিউ পড়ার চেষ্টা করি। স্কুল গ্যাং নাটকের প্রথম কয়েকটি পর্ব দেখেছিলাম বেশ ভালো লেগেছিল। আপনার এই পর্বটি পড়ে বেশ ভালো লাগলো। আপনি অনেক সুন্দর করে সাজিয়ে গুছিয়ে শেয়ার করেছেন ধন্যবাদ ভাই আপনাকে।
আপনি এই নাটকের প্রথম কয়েকটি পর্ব দেখেছিলেন শুনে ভালো লাগলো।
আপনার আজকের নাটক রিভিউ বেশ উপভোগ্য ছিল ।যদিও নাটক দেখার সুযোগ কম পাই, তবে ভালো বিশ্লেষণ পড়তে সবসময় ভালো লাগে। "স্কুল গ্যাং" নাটকের কিছু পর্ব আগেই দেখেছিলাম, কিন্তু আপনার রিভিউ পড়ে মনে হচ্ছে বাকি পর্বগুলোও দেখা দরকার। এত সুন্দরভাবে বিস্তারিত তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ। আগামীর রিভিউগুলোর অপেক্ষায় রইলাম।
সময় পেলে অবশ্যই বাকি পর্বগুলো দেখার চেষ্টা করবেন।
তুমি অনেক সুন্দর করে নাটকটার সবগুলো পর্বের রিভিউ শেয়ার করছো। প্রতিটা পর্বের রিভিউ পড়তে ভালোই লাগছে। আজকে ১৭ তম পর্বের রিভিউটা পড়ে আরো ভালো লাগলো। সাথী দেখছি তামিমের বিভিন্ন কথা শুনে তার প্রেমে পড়ে গিয়েছে। এখন তামিম বেশ ভালোভাবেই তার কাজ করতে পারবে। দেখা যাক কি হবে।
আমি চেষ্টা করবো খুব তাড়াতাড়ি পরবর্তী পর্ব শেয়ার করার জন্য। রিভিউ টা পড়ে সুন্দর মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ তোমাকে।