জেনারেল রাইটিং।। অসুস্থতাও আমাদের অনেক কিছুই শিখায়।।
১৮ জানুয়ারি ২০২৪, বৃহস্পতিবার।
আমি @shahid540 বাংলাদেশ থেকে।
জীবন যতদিন আছে মানুষের সাথে অসুস্থতাও ততদিন থাকবে। কোন মানুষ বলতে পারবে না সে অসুস্থ বিহীন তার জীবন অতিবাহিত করছে। বর্তমান সময়ে আবহাওয়ার পরিবর্তনের ফলে মানুষ প্রতিনিয়তই অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে। ছোট বাচ্চা থেকে শুরু করে প্রাপ্তবয়স্ক এবং যারা শ্রদ্ধাভাজন বয়স্ক হয়েছেন প্রতিটি মানুষই বর্তমান সময়ে অসুস্থতার কবলে পড়ছে প্রতিনিয়ত। বর্তমানে হাসপাতালে বেড গুলো অসুস্থ রোগীতে জর্জরিত। কিন্তু প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে যারা কর্মময় জীবনের মধ্য দিয়ে আছেন তারা যদি অসুস্থ হয় তাহলে সে ক্ষেত্রে তাদের পরিবারকে অনেকটা ভোগান্তি পোহাতে হয়, যদি সে ব্যক্তি তার পরিবারের একমাত্র কর্মক্ষম ব্যক্তি হয়। বর্তমান সময়ে এমনটাই ঘটে চলেছে। এবারের শীত একটু ভিন্নধর্মীই মনে হচ্ছে, কারণ প্রথমের দিকে ঠান্ডা এতটাও ছিল না। হঠাৎ করেই আবহাওয়ার পরিবর্তনের ফলে মানুষ নানা বীধ রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।
কিন্তু এই অসুস্থতার মধ্যেও রয়েছে এক চরম শিক্ষা। আমরা মানুষরা প্রতিনিয়ত ছুটে চলেছি অর্থের তাগিদে বিভিন্ন দিকে বিভিন্নভাবে। এ দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা আমাদের নিজেদেরকেই ভুলে যাই, পরিবেশকে ভুলে যাই, আশেপাশে কি ঘটছে সবকিছুই ভুলে যাই আমরা। মনে থাকা বলতে শুধুমাত্র এটুকুই জানি যে আমাকে অর্থ উপার্জন করতে হবে বা কাজের দিকে মনোনিবেশ করতে হবে। আর এই অসুস্থতার মধ্যে পড়লেই বোঝা যায় কে আপনার অতি প্রিয় আর কে আপনাকে তার প্রয়োজন ভাবে।
অসুস্থ হলেই আমরা আমাদের নিজেদের মনকে একটি বেডের মধ্যেই আটকে রাখতে পারি। অসুস্থ থাকা অবস্থায় শরীরে তেমন কোন শক্তি থাকে না বা বল থাকে না যেটা দিয়ে আমরা চতুর্দিকে ঘোরাফেরা করব। আর ঠিক এই রকম মুহূর্তগুলোতেই আমরা আমাদের চারপাশের পরিবেশগুলোকে উপলব্ধি করতে পারি। নিজের পিছনের ফেলে আসা সময়গুলোকে উপলব্ধি করতে পারি। আর অসুস্থ হলেই বুঝতে পারবেন কে আপনাকে অতি আপন ভাবে এটা অবশ্য আমরা সকলেই জানি যে, যে ব্যক্তি আপনাকে অতি আপন ভাববে সে অবশ্যই আপনার সাথে দু-তিন দিন দেখা না হলে আপনার বাসায় খোঁজ নিবে। আর যে আপনাকে তার প্রয়োজন মনে করবে সে হয়তোবা দু একবার ফোন দিতে পারে। ফোন বন্ধ দেখালে নিজ গতিতে চলতে শুরু করবে।
শেষে সকলের প্রতি অনুরোধ থাকবে অবশ্যই আপনারা এই শীতের মধ্যে নিজেদেরকে উষ্ণ রাখার চেষ্টা করবেন এবং ঠান্ডা থেকে দূরে থাকবেন। তাই বলে কাজ থেকে দূরে থাকা যাবে না।অবশ্যই কাজের প্রতি যত্নশীল হতে হবে । আর কাজের ক্ষেত্রে কোন অজুহাত করা যাবে না। যেকনো ভাবেই হোক কাজ সমাপ্ত করতে হবে। আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি বন্ধুরা দেখা হবে পরবর্তী পর্বে ততক্ষণ ভালো থাকবেন ।আল্লাহ হাফেজ।
vote@bangla.witness as a witness
Device | Redmi 9A |
---|---|
Camera | 13 MP |
Country | Bangladesh |
Location | Rangpur, Bangladesh |
সুস্থতা হচ্ছে আল্লাহর বড় নেয়ামত। একজন মানুষ যখন অসুস্থ হয় তখন বোঝে সুস্থতা কত বড় নেয়ামত। তবে এটি ঠিক বলেছেন হাসপাতালে বেড়ে অনেক ধরনের রোগী সব সময় দেখা যায়। তবে আবহাওয়ার কারণে এবং মানুষের খাওয়া দাওয়ার কারণে মানুষ বেশি অসুস্থ হয়। আর মানুষ যখন অসুস্থ হয় তখন বোঝে সুস্থতা কি জিনিস। তবে জীবন যতদিন থাকবে মানুষ কমবেশি অসুস্থ হবে। গুরুত্বপূর্ণ একটি পোস্ট করেছেন তাই ধন্যবাদ আপনাকে।
কথা কিন্তু মন্দ বলেন নি ভাইজান। অসুস্থতা অথবা বিপদ মানুষকে অনেক জ্ঞান প্রদান করে থাকে। আর এই থেকে জানা যায় আপন পর চেনা যায়। যাহোক আপনার লেখাটা কিন্তু আমার ভালো লাগলো।
অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য।
একদমই ঠিক বলেছেন। অসুস্থতা অনেক কিছু শিখায়৷ মানুষকে এই সময়ই চেনা যায় কে আপন কে পর। কারা বন্ধু সেজে এতদিন পাশে ছিল৷ আর কারা বন্ধু না হয়েও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। অনেক ভালো লাগলো আপনার সুন্দর পোস্ট পড়ে৷ অসংখ্য ধন্যবাদ।
ঠিক বলেছেন জীবন যতদিন থাকবে মানুষের অসুস্থতা ততদিন থাকবে। এবং কোন মানুষ বলতে পারবে না সেই জীবনে কখনো তার অসুখ হয় নাই। বর্তমান সময়ে আবহাওয়ার কারণে অনেক মানুষ অসুস্থ হচ্ছেন। এই কারণে সবাই একটু ভালোভাবে থাকার দরকার। কারণ অতিরিক্ত ঠান্ডার কারণেও মানুষ অসুস্থ হচ্ছে। আর আপন মানুষগুলো যখন অসুস্থ হয় তখন নিজের কাছে অনেক খারাপ লাগে। খুব মূল্যবান একটি পোস্ট করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।