ভালো কাজ ছোট হলে ও শ্রমের মর্যাদা দেওয়া উচিত।
আমি @rahimakhatun
from Bangladesh
৯ ই ফেব্রুয়ারি ২০২৩ খৃস্টাব্দ ।
আজ রোজ বৃহস্পতিবার
আ মার বাংলা ব্লগের সকল বাংলাভাষী সদস্যগনকে আমার সালাম এবং আদাব। সবাই কেমন আছেন ? আশা করি, সবাই মহান সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে অনেক ভালো আছেন।
প্রতিদিনের মত নতুন একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি। আজকে আমি ভিন্ন রকম পোস্ট আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। আমি আজকে পরিশ্রমের মর্যাদা নিয়ে আপনাদের সাথে আলোচনা করবো।
যে যত বেশি পরিশ্রমী সে ততবেশী সাফল্য অর্জন করতে পারে।শ্রমের অপরিসীম গুরুত্ব বিবেচনায় শ্রমের মর্যাদা দিতে হবে।আজকের বিশ্বের উন্নতি এর পিছনে শ্রমের গুরুত্ব অপরিসীম। উন্নত দেশগুলো সব সময়ই শ্রমের মর্যাদা দিয়ে থাকে কাজ ছোট হোক কিংবা বড় হোক না কেন।সব কাজ কে তারা মর্যাদা দেয়।তারা সকলকে সব রকম ভালো কাজের প্রতি আগ্রহ দিয়ে থাকে।জীবনের সাথে শ্রমের একটা নিবিড় সম্পর্ক থাকে।
মানুষ একদিনে যেমন সভ্যতার স্রষ্টা অন্যদিকে নিজের ভাগ্যের ও নিজে তৈরি করতে পারে।ভাগ্য তার পরিশ্রমের মাধ্যমে পরিবর্তন করতে পারে।প্রত্যেক মানুষের মধ্যেই আছে সুপ্ত প্রতিভা।পৃথিবীতে যারা বড় বড় প্রতিভাবান ব্যক্তি রয়েছে তারা আজীবন করে গিয়েছেন পরিশ্রম। তাদের এই সফলতার পিছনে পরিশ্রমের ভূমিকা অপরিসীম। আমাদের ইসলাম ধর্মে শ্রমের মর্যাদা দিয়েছে। সকল সৎকাজের মর্যাদা রয়েছে ইসলাম ধর্মে।আসলে আমরা যে কাজগুলোকে ছোট ছোট কাজ মনে করি যাদেরকে ছোট মনে করি,তারা না থাকলে আমরা চলতেই পারতাম না।
এই ধরেন কৃষকরা যদি ধানের চাষ করে চাল উৎপন্ন না করতো তাহলে আমাদের না খেয়ে মরে যেত হতো।এমন আরো অনেক কাজ আছে যারা না থাকলে আমরা চলতেই পারতাম না।এই জন্যই আমাদের ধর্মে শ্রমিকদের অনেক মর্যাদা দিয়েছে। বলা হয়েছে শ্রমিকদের ঘাম শুকানের আগে শ্রমিকদের পারশ্রমিক যেন দিয়ে দেওয়া হয়।এবং শ্রমিকদের সাথে ভালো আচরন করতে তাদের শ্রমের মর্যাদা দিতে।
একটা সাধারণ কথা বলি এই দেখে আমাদের যে নিত্য দিনের সঙ্গী গৃহকর্মী যে আমাদের প্রতিটা কাজে সাহায্য করে ,তারা না থাকলে একটা সময় মনে হয় আমরা বেশ অসহায়। তারা একদিন না আসলে বুঝা যায় তারা কতটা শ্রম দেয়। আমরা যদি তাদের শ্রমের মর্যাদা না দেয় ,তাদেরকে কে না সম্মান করি তাদের কাজ কে ছোট মনে করি তা হলে আমাদের নিজেরই ক্ষতি হয়। আসলে তারা আছে বিদায় আমরা সুন্দর ভাবে বাঁচতে পারছি।
পরিশেষে বলা যায় আমাদের সকলের প্রত্যেকের উচিত শ্রমের মর্যাদা দেওয়া উচিত ছোট হোক কিংবা বড় হোক। যারা সত্যিকার অর্থে জীবনে সম্মান পেয়েছে তারা স্বীকার করেছে যে পরিশ্রমই জীবনের প্রকৃত আনন্দ। পরিশ্রমই জীবনের অশেষ দুঃখ কষ্ট হতে আমাদের মুক্তি দেয়। তাই শ্রমের মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হলেই পরিশ্রমের প্রকৃত সুফল পাওয়া সম্ভব। তাই সকল প্রকার শ্রমের মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হওয়া প্রয়োজন।
আজ এই অব্দি ,আবার আসবো অন্য কোনো দিন ,অন্য কোন ব্লগ নিয়ে ,সেই অব্দি ভালো থাকবেন ,সুস্থ থাকবেন এই প্রত্যাশায়।
এতক্ষন সাথেই থাকার জন্য ধন্যবাদ
250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |

Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
VOTE @bangla.witness as witness

OR
আপু আপনার পোস্টটা পড়ে অনেক ভালো লাগল। আসলে আপু ভাগ্যেের সাথে সাথে পরিশ্রম ও অনেক হয়।আর পরিশ্রম ছাড়া কেউ উন্নতি লাভ করতে ।পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি। ধন্যবার আপু
দুনিয়াতে পরিশ্রম ছাড়া কোন কিছুই সম্ভব না।উন্নতি করতে হলে পরিশ্রম করতে হবে।
শ্রম এবং সফলতা ওতপ্রোতভাবে জড়িত আপনি ঠিক বলছেন।আসলে পরিশ্রম করলে সফলতা আসে পরিশ্রম না করলে আমরা কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবো না।পরিশ্রমের বিনিময়ে যদি সম্মানিত করা হয় তাহলে সে পরিশ্রমের প্রতি আরো বেশি আগ্রহ বেড়ে যায়। আপনি অনেক মূল্যবান কথা বলেছেন এবং বিভিন্ন উদাহরণ দিয়ে দেখিয়েছেন অনেক ভালো লেগেছে।
কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌছাতে হলে অব্যশই পরিশ্রমের প্রয়োজন। শ্রমের পাশাপাশি শ্রমের মর্যাদা উচিত আমাদের সকলেরই।ধন্যবাদ
। কোন কাজ ছোট নয়। কোন কাজকে ছোট করে ভাবা আমাদের উচিত নয়। কাজ ছোট বা বড় যে ধরনের হোক না কেন সৎ ভাবে অর্থ উপার্জন করাটাই হলো মূল কথা। কিন্তু আমাদের সমাজের বাস্তবতা হলো অনেকে কাজকে ঘৃণা করে। তাদের শ্রমের মূল্য দেয় না তা কিন্তু একেবারে ঠিক নয়। সফলতা অর্জন করতে হলে কাজ করতে হবে। কাজের মাধ্যমে সফলতা উচ্চ চূড়ায় আহরণ করা যায়। আপনার পোস্টটি পড়ে খুব ভালো লাগলো।
আসলে সৎ কাজ হলে কোন কাজই ছোট নয়।ছোট ছোট কাজ গুলো মানুষ না করলে আমরা চলতেই পারতাম না।তাই সবার কাজকে মূল্য দেওয়া উচিত।ধন্যবাদ
পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসুতি, এটা একটা চিরন্তন সত্য কথা। কেউ যদি এই কথা এড়িয়ে যায় তবে সে বড্ড বোকা, তবে আরো একটু যোগ করা যায় পরিকল্পিত পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসুতি।
যেটাই হোক পরিশ্রমের একটি মূল দেয়া উচিত সবার আর কোন কাজকে কখনো ছোট করে দেখা উচিত নয়। ভালো লিখনী ছিল আপু।
ঠিক তাই ভাইয়া, পরিশ্রম না করলে কোন কিছুর সাফল্য পাওয়া যায় না।ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর মতামত দেওয়ার জন্য।
আপু সত্যি বলতে আপনি অনেক সুন্দর টপিক তুলে ধরেছেন ৷ আসলেই শ্রম ব্যাতিত্ব সাফল্য সম্ভব নয় ৷ আর তাই আমাদের সবার উচিত কোনো কাজকে যেন আমরা ছোট চোখে না দেখি ৷ আজ পৃথিবী উন্নত যার পিছনে রয়েছে শ্রম ৷
সর্বোপরি সকল পেশার মানুষ কে সম্মান শ্রদ্ধা করা আমাদের ধর্ম ৷
আসলেই শ্রম ব্যাতিত সাফল্য অর্জন করা একে বারেই সম্ভব না। আমাদের সকলকেই মূল্য দেওয়া উচিত।
কথায় আছেনা পরিশ্রম সাফল্যের চাবিকাঠি। যেকোনো কাজকে ছোট করে দেখা কারো জন্যই সঠিক নয়। আসলে কৃষকেরা যদি ধানের চাষ না করতো তাহলে আমরা না খেয়ে মরে যেতাম। শ্রমিকদের সব সময় মর্যাদা করা উচিত। যারা শ্রমিকদের ওপর অত্যাচার করে তারা কখনো ভালো মানুষ হয়ে উঠতে পারে না। আসলে আপনি ঠিকই বলেছেন শ্রমিকের ঘাম শুকানোর আগে তার পারিশ্রমিক দেওয়া উচিত। যে যত বেশি পরিশ্রম করবে সে তত বেশি সাফল্য অর্জন করবে। ভালোই লিখেছেন দেখছি। আজকের লেখার টপিক বেশ ভালো ছিল।
আসলেই কিছু কিছু কথা বাস্তব তার মধ্যে এটা একটা পরিশ্রম সাফল্যের চাবিকাঠি।শ্রমিকদের আসলেই অনেক মর্যাদা দেওয়া উচিত।ধন্যবাদ
কেউ বিনা পরিশ্রমে নিজের লক্ষ্য এবং সাফল্য অর্জন করতে পারে না। মানুষ যত বেশি পরিশ্রম করে তত তাড়াতাড়ি তাদের সাফল্য অর্জন হয়। তাই সবাইকে পরিশ্রম করে নিজের লক্ষ্যে এবং সাফল্যে পৌঁছাতে হবে। যারা পরিশ্রম করে তারা সব সময় সাফল্য অর্জন করতে পারে। আসলে কথায় আছে পরিশ্রম ছাড়া জীবনে এগিয়ে যাওয়া যায় না। এবং পরিশ্রম হচ্ছে সাফল্যের চাবিকাঠি। তাই সব সময় নিজেকে পরিশ্রম করতে হবে। শ্রমিক যদি কাজ না করতো এবং কৃষক যদি ধান চাষ না করতে তাহলে আমাদের না খেয়ে মরতে হতো। ভালোই লাগলো সম্পূর্ণটা পড়ে।
এটা ঠিক যত বেশি পরিশ্রম ঠিক তত বেশি সাফল্য অর্জন করা যায়। আপনার মতামত পড়ে বেশ ভালো লাগলো।ধন্যবাদ আপনাকে।
পরিশ্রম করলে সফলতা আসে, পরিশ্রম না করলে কখনোই কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব না। আপনি ঠিকই বলেছেন, শ্রম ও সফলতা একে অপরের সাথে অতপ্রতভাবে জড়িত। আপনি আজকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং খুবই সুন্দর একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন। আপনার আজকের পোস্ট টি পড়ে খুবই ভালো লাগলো। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
আসলেই ভাইয়া পরিশ্রম আর সফলতা একে অপরের পরিপূরক। একটা ছাড়া আরেকটা কল্পনা করা যায় না।ভালে লাগলো আপনার মতামত গুলো পড়ে।ধন্যবাদ