বাইকের ড্রাইভিং লাইসেন্স বানাতে গিয়ে বিড়ম্বনা।পর্ব-১
আমার প্রিয় বন্ধুগন, সবাই কেমন আছেন? সবাইকে আমার আন্তরিক মোবারকবাদ এবং অন্তরের অন্তস্থল থেকে আপনাদেরকে জানাই শুভেচ্ছা।
বাইকের ড্রাইভিং লাইসেন্স বানাতে গিয়ে বিড়ম্বনা।পর্ব-১ |
---|
বন্ধুরা টাইটেল দেখেই বুঝে গিয়েছেন আজকে কি বিষয়ে আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে যাচ্ছি।আসলে বাইকের ড্রাইভিং লাইসেন্স বানাতে গিয়ে যে বিড়ম্বনার শিকার হলাম ভাবলাম তার কিছু বিষয় আপনাদের মাঝে শেয়ার করি।আমরা সব সময় নিজেদের ভালো লাগা মন্দলাগা আমার বাংলা ব্লগে সবার সাথে শেয়ার করি, তাইতো আপনাদের মাঝে চলে এলাম। যাই হোক চলুন কথা না বাড়িয়ে শুরু করি।
বাইক কিনার পর থেকে বাইকের কাগজপত্র করবো করবো বলে করা হয়নি। কারণ বাইকের কাগজ করতে হলে আগে নিজের ড্রাইভিং লাইসেন্স লাগবে তবে আমার তো বাংলাদেশের ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই। যদিও এই সিস্টেমটি আগে ছিল না নতুন করা হয়েছে সেজন্য নিজের ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিল না আর গাড়ির কাগজও করাতে পারেনি।তবে বাংলাদেশের অনেক জায়গায় নাকি ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়াও বানানো যায় তবে আমাদের ফেনীতে হচ্ছে না।
আর এভাবে করতে করতে গাড়ির এক বছর হয়ে গেল,তবে লাইসেন্স ছাড়াই চলছে অন টেস্ট লাগানো অবস্থায়। যদিও বাইরের প্রাইভেট কার লাইসেন্স রয়েছে আর এটা দিয়ে দেশে কিছুই হবে না তাই ভাবলাম যে অবশেষে লাইসেন্স করতেই হবে। আমি এবং আমার বন্ধু দুজন মিলে বাইকের ড্রাইভিং লাইসেন্স করব বলে সিদ্ধান্ত নিলাম এবং দুজনে এক লোকের সাথে কন্ট্রাক্ট করলাম।
মূলত এটা নিজে নিজেও করা যায়,তবে বাংলাদেশে কেমন দুর্নীতি চলে বা বাংলাদেশের প্রত্যেকটা সরকারি সেক্টর কেমন হয়ে থাকে আপনারা ভালো করেই জানেন।কারণ এইসব সেক্টরের কোন কাজ খুব সহজে হয়না। আর সে জন্য সরাসরি না গিয়ে কন্ট্রাক্ট এ বানানোর চেষ্টা করলাম। যাইহোক কন্ট্রাক্ট এ বানানো আর নিজে নিজে বানানোর মধ্যে সুবিধা ও অসুবিধা পরে বলছি।আগে
আমাদের বাইক ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন করে দেওয়ার তিন মাস পরে আমাদের কে এক্সাম ডেট দেয়া হলো।আর সেটি ছিল ১-১-২০২৫। বছরের শুরুতেই এরকম একটি এক্সাম দিবো আসলে কল্পনা করিনি। যাই হোক সেদিন সকাল বেলা আমাদেরকে যেতে হলো সেই বিআরটিসি এর ফেনী অফিসে।
আমরা দুজন সেখানে নিজেদের বাইক নিয়ে গেলাম কারণ এক্সাম নিলে নিজেদের বাইক দিয়ে দেওয়াই ভালো।অন্যথায় যারা নিজেদের বাইক নেয়নি তারা ঐখানে তাদের যে বাইক রয়েছে সেটা দিয়ে এক্সাম দিবে তাদেরকে আবার টাকা পে করতে হবে। যাইহোক বাইক এক জায়গায় পার্কিং করে রেখে দিলাম এবং আমরা সিরিয়ালে লাইন ধরে দাঁড়াতে লাগলাম। লাইনটা মোটামুটি ভবনের বাইরে অনেক দূর চলে গিয়েছে।আজ এই পর্যন্ত বাকি ঘটনা আগামী পর্বে শেয়ার করবো
যাই হোক আশা করছি বিষয়টি আপনাদের ভালো লেগেছে। আজকে আর কথা না বাড়িয়ে বিদায় নিচ্ছি সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে আজকের মত এখানে বিদায় নিলাম।সবাই ভালো ও সুস্থ থাকবেন। আগামীতে আবারো হাজির হবো অন্য কোন না কোন বিষয় নিয়ে। আজকে এখানেই বিদায় নিলাম আল্লাহ হাফেজ।
তো বন্ধুরা এই ছিল আজকের ব্লগ যেটি আমার মত করে আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম। যদি ভালো লেগে থাকে অবশ্যই মন্তব্য করে জানাবেন।আর কষ্ট করে ব্লগটা যারা পড়েছেন তাদেরকে মনের অন্তস্থল থেকে জানাই অনেক অনেক ধন্যবাদ।
VOTE @bangla.witness as witness
OR

ফোনের বিবরণ
ক্যামেরা | স্যামসাং গ্যালাক্সি |
---|---|
ধরণ | জেনারেল রাইটিং । |
ক্যামেরা.মডেল | এম ৩২ |
ক্যাপচার | @nevlu123 |
সম্পাদনা | রিসাইজ &সেচুরেশন। |
লোকেশন | - বাংলাদেশ। |
আমি বাংলাদেশ থেকে ইমদাদ হোসেন নিভলু।আমার স্টিমিট আইডি হল @nevlu123।আমি আমার বাংলা ব্লগের একজন ভেরিফাইড মেম্বার।২০১৮ সালের জানুয়ারি মাস থেকে আমি স্টিমিট এ কাজ করি।আর এই প্লাটফর্মে জয়েন করি শখের বসে। আর সে থেকেই আজ অব্দি ভালোলাগা থেকেই কাজ করি।জাতিগতভাবে আমি মুসলিম। কিন্তু ভাষাগতভাবে আমি বাঙালি। কারণ আমি বাংলা ভাষায় কথা বলি।আমার সবচাইতে বড় শখ হচ্ছে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরাঘুরি করা।এ পর্যন্ত আমার তিনটি দেশ ভ্রমণ করা হয়েছে যদিও আরও ইচ্ছে রয়েছে অন্যান্য দেশ ভ্রমণ করার।যাইহোক শখের মধ্যে আরো রয়েছে গান,ভিডিও ইডিটিং, ফটোগ্রাফি, ভিডিওগ্রাফি,আর্ট এবং টুডি থ্রিডি ডিজাইন এর কাজ।
https://x.com/Nevlu123/status/1899656061105340787
আপনার ব্লগ পড়ে বুঝতে পেরেছি বাইক লাইসেন্স বানাতে গিয়ে আপনার যত ধরনের বিড়ম্বনা। আসলেই বাংলাদেশের কাজগুলো এমন। এখানে নানা ধরনের বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়। সেই সাথে অনেক টাকা পয়সার ব্যাপার সেপাতো রয়েছে। আপনার আজকের ব্লগ অনেক কিছু জানতে পেরেছি। আশা করি পরবর্তী পর্বে বিস্তারিত জানতে পারবো।
জি আপু ঠিক বলেছেন বাংলাদেশের ম্যাক্সিমাম কাজই এমন।
আমাদের দেশের সরকারি সেক্টর হলো তেলের গাড়ির মত। তেল দিলেই গাড়ি চলে।ঠিক তেমনি টাকা দিলেই সরকারি লোকের হাত-পা চলে। আর এই সিস্টেমের জন্য আমরাই দায়ী। পরের পর্বের জন্য অপেক্ষায় রইলাম।
হাহাহা ঠিক বলেছেন ভাই।।
একদম ঠিক বলেছ বাংলাদেশের সরকারি প্রতিটি সেক্টরে এ ধরনের ঝামেলাগুলো পোহাতে হয়। সেদিন অনেক বেশি কুয়াশা পড়েছিল আর তুমি অনেক ভোরে চলে গিয়েছো ।তবে আমারও মনে হয় নিজে নিজে বানানোর চাইতে কন্ট্রাক্ট করে বানানো অনেক বেটার। ধন্যবাদ আগামী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।
কবে যে এগুলো ঠিক হবে ধন্যবাদ মন্তব্য করার জন্য।
খারাপ লাগলেও দুর্নীতি যে আমাদের মাঝে কীভাবে ছড়িয়ে পরেছে প্রতিটি কাজের সাথেই, এটাই বাস্তব! আপনার বিড়ম্বনার আসল অংশ জানার অপেক্ষায় থাকলাম। ভাই কি শুধু ২ হুইলার এর জন্যই লাইসেন্স করতে দিলেন? নাকি ৪ হুইলার ও একসাথেই করে নেয়াটা ভালো হতো না?
আপু দুটোরই দিয়েছি। লাইট ভাইকেল ও বাইক, তারমানে চারচাকা এবং দুই চাকা দুইটারই দেওয়া হয়েছে।
আমি সাউথ কোরিয়া থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে এসেছি এবং সেটার মেয়াদ ২০৩১ সাল পর্যন্ত। তাছাড়া ইন্টারন্যাশনাল লাইসেন্সও নিয়ে এসেছি। কিন্তু সেটা বাংলাদেশে মানে না বলে,শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে আবারও লাইসেন্স করলাম। যাইহোক নিজের বাইক নিয়ে যাওয়াতে খুব ভালো হয়েছে ভাই। পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।