তিনটি লাউ গাছের চারা পেয়ে গেলাম
বন্ধুরা, সবাই কেমন আছেন ? আশা করি ভালোই আছেন, আমিও আলহামদুল্লিাহ ভাল আছি।
আপনারা অনেকে হয়তো জানেন আমি বাগান করতে খুবই ভালোবাসি।প্রতিবছরই আমার বাগানে নানান ধরনের ফল-মূল শাকসবজি ও ফুলের গাছ লাগিয়ে থাকি। প্রতিবছরই বাগান করার জন্য বীজ থেকে নানান রকমের চারা উৎপন্ন করে থাকি, স্পেশালি শাকসবজি।যেমন, লাউ, সীম, মিষ্টি কুমড়া, লাল শাক, ডাঁটা শাক, লাই শাক, টমেটো বেগুন সহ আরও নানান জাতের শাকসবজি ও ফলমূল। কিন্তু এ বছর হাসব্যান্ড অসুস্থ থাকার কারণে কোন কিছুই আর করা হয়নি। হাসব্যান্ড প্রায় দুই মাসের মতো অসুস্থ ছিল।আর ওই সময়ই বীজ বপনের উপযুক্ত সময় ছিল।যেহেতু সময় চলে গিয়েছে তাই এ বছর আর কিছুই করা হয়নি।গতকাল হাসব্যান্ড যখন রেস্টুরেন্ট থেকে বাসায় ফিরেছিল তখন দেখি তার হাতে তরতাজা তিনটি লাউয়ের চারা।আমি তাকে বললাম কোথায় পেয়েছো? বললো রেস্টুরেন্টে একজন তার জন্য নিয়ে এসেছে।তারাও বাসায় বীজ থেকে চারা গজিয়েছে। যেহেতু অনেকগুলো চারা তাদের রয়েছে তাই আমাদের তিনটি গিফ্ট করেছে। যাইহোক হাজব্যান্ড অনেক খুশি, সাথে আমিও।
দেখুন চারাগুলো কত বড়, বেশ তরতাজা হয়ে বেড়ে উঠেছে।
প্রতিবছর আমরাও অনেক লাউয়ের চারা উৎপন্ন করে থাকি।পাড়া প্রতিবেশীদের কেও চারা দিয়ে থাকি। এছাড়া প্রতি বারই মসজিদে কিছু চারা ডোনেট করি।পরে মসজিদ থেকে লোকেরা চারাগুলো কিনে নিয়ে যায়।এ থেকে মসজিদ উপকৃত হয়।এছাড়া গাছে লাউ ধরলে পাড়া-প্রতিবেশী ও আত্মীয় স্বজনের মাঝেও বন্টন করে উপভোগ করে থাকি। আসলে নিজের গাছের ফল মূল শাকসবজি খাওয়ার আনন্দই আলাদা।লাউ আমার অনেক পছন্দের, আর অনেক উপকারী একটি সবজি এটি।অন্যান্য সবজি না হলেও লাউ সবজি মাস্ট গার্ডেনে থাকতে হবে।মনে মনে একটু আফসোস ছিল। আর এখন লাউের চারা গুলো পেয়ে এখন ভীষণ খুশি।আপাতত চারাগুলো ঘরেই রেখেছি। আগামীকাল গার্ডেনে লাগিয়ে দিব।
আমাদের এখানে লোকাল শপগুলোতে এ ধরনের দেশি সবজি পাওয়া যায় না। কারণ আমাদের এলাকাটি ইংলিশ এলাকা তাই দেশি সবজি খেতে হলে প্রায় চার পাঁচ মাইল দূরে যেতে হবে ড্রাইভ করে।অবশ্য লন্ডনের শপগুলোতে এসকল দেশি সবজি এভেলএভেল পাওয়া যায়।এদেশে বেশিরভাগ ঘরবাড়িগুলোতে বাগান করার জন্য যথেষ্ট জায়গা থাকে। তাই সকলেই এ ধরনের শাকসবজি কিছু না কিছু চাষ করে থাকে। এছাড়া অনেকেই সবজি বানিয়ে লোকাল শপগুলোতেও বিক্রি করে থাকে। তাই সব সময় শপগুলোতে সকল দেশি সবজিগুলো পাওয়া যায়, বিশেষ করে সামারের সময়।এছাড়া বাংলাদেশ থেকেও আনা হয় এ ধরনের সবজিগুলো।যাইহোক গাছগুলো একটু বড় হলে পরে আবার আপডেট দিব আপনাদের।
Photographer | @tangera |
---|---|
Device | I phone 15 Pro Max |
বন্ধুরা এটিই ছিল আমার আজকের আয়োজন।আশা করি আপনাদের ভালো লেগেছে।পরবর্তীতে নতুন কিছু নিয়ে হাজির হবো আপনাদের মাঝে।
ধন্যবাদ,
👉 আমাদের discord চ্যানেল এ JOIN করুন :
VOTE @bangla.witness as witness
OR
[

Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
এবার ভাইয়ার অসুস্থতার কারনে বীজ থেকে চারা করতে পারেননি।তাই আফসোস ছিল আপনার।আল্লাহর কাছে শুকরিয়া মাধ্যম হিসেবে লাউয়ের চারা পেয়ে গেলেন।গাছ তিনটি সত্যিই ভীষন তরতাজা।আশাকরি আগামীকাল গার্ডেনে গাছ গুলো লাগিয়ে দিলে আরো বেশী সতেজ হয়ে বেড়ে উঠবে।ধন্যবাদ আপু সুন্দর অনুভূতি গুলো শেয়ার করার জন্য।
আপনার রিজিকে এই লাউ গাছের চারা গুলো ছিল সে জন্যই পেয়ে গিয়েছেন। যেহেতু ভাইয়া অসুস্থ থাকার কারণে বীজ বপন করতে পারেননি তাই সে ব্যবস্থা আল্লাহ নিজেই করে দিয়েছেন। যাই হোক আপনি বাগান করতে ভালোবাসেন এবং বিভিন্ন রকম ফলমূল শাক-সবজি লাগিয়ে থাকেন এটা শুনে খুবই ভালো লাগছে। আসলে সবাইকে দিয়ে আনন্দের সাথে খেতে খুবই ভালো লাগে।
তাহলে তিনটি লাউ গাছের চারা গিফট পেয়ে গেলেন। লাউ গাছের চারা গুলো বেশ সতেজ মনে হচ্ছে। নিজের বাগানের শাকসবজি ফলমূল খাওয়ার আনন্দ অন্যরকম। আপনি লন্ডনেও শাকসবজি চাষ করেন শুনে খুবই আনন্দিত হলাম। ধন্যবাদ।
তরতাজা তিনটি লাউয়ের চারা পেয়ে বেশ ভালোই হলো। এতে করে আপনার আর কোনো আফসোস রইলো না। লাউ আমারও খুব পছন্দ। তাছাড়া লাউ শাক ভাজি করলেও খেতে দারুণ লাগে। আশা করি পরবর্তীতে লাউ বেশ ভালোই ধরবে। এতো চমৎকার একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।