গল্প: আবিষ্কার (দ্বিতীয় পর্ব)
নমস্কার,
তোমরা সবাই কেমন আছো? আশা করি সবাই অনেক অনেক ভাল আছো । আমিও ভালো আছি। আজকের ব্লগে তোমাদের সাথে একটি গল্পের দ্বিতীয় পর্ব শেয়ার করব । গল্পটির নাম হল " আবিষ্কার "। |
---|
সবাই গভীর ঘুমে তলিয়ে গেল। আলোটা যে জায়গায় পড়েছিল ঠিক সেই জায়গায় এসে নামল একটি যান। ভেতর থেকে বেরিয়ে এলো কমপ্লিট স্যুট পরা তিনজন মানুষ। প্রত্যেকের চোখে সানগ্লাস ও হাতে সাইলেন্সার লাগানো হ্যাংগান। তারা এমন এক পাওয়ার ছড়লো যাতে ঘরের দরজা মূহুর্তে চুরমার হয়ে গেল কিন্তু এতটুকু শব্দও হল না। ঘরে ঢুকেই তারা মিশুক ও হ্যারিনের মুখ চেপে ধরল। একটা টু শব্দও তারা করতে পারল না। জ্ঞান হারাল মিশুক। কিন্তু হ্যারিন সহজে জ্ঞান হারাল না। ঠিক কায়দা করেই যোগাযোগ মডিউলটা সঙ্গে নিয়ে নিল। দুই মিনিটের মাথায় জ্ঞান হারাল সে।
যখন তাদের জ্ঞান ফিরল তখন তারা নিজেদেরকে এসি রুমে আবিষ্কার করল। চারদিকে দেখল স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি এবং প্রত্যেকটিই পৃথিবী থেকে উন্নত। তারা যখন এসব ভাবছিল তখন একটা যান্ত্রিক কন্ঠস্বর শুনতে পেল। স্বাগতম-মিশুক ও হ্যারিন।
হ্যারিন : তোমরা কে? আমাদের এখানে কেন নিয়ে এসেছে?
সবই জানতে পারবে। আমরা পৃথিবী থেকে ৫০,০০০ আলোক বর্ষ দূরে অবস্থিত "টুপরেঞ্জ” গ্রহের অধিবাসী।
মিশুক : কিন্তু ৫০,০০০ আলোক বর্ষ অতিক্রম করতে তো ৫০ বছর লাগবার কথা।
দুঃখিত তোমাদের পৃথিবীর যান গুলোর চেয়ে আমাদের যানগুলো অনেক উন্নত। তাই তোমাদের এখানে নিয়ে আসতে আমাদের সময় লেগেছে মাত্র ১০ সেকেন্ড। তোমাদের পৃথিবী থেকে আমাদের এই গ্রহ অনেক উন্নত। কিন্তু তোমাদের তৈরি "জিমস" আমাদের থেকে তোমাদের উন্নত করে তুলবে। সত্যি কথা বলতে কি জিমসটা আমাদের চাই।
চলবে...