শৈশবের স্মৃতিচারণের চেষ্টা ব্যাডমিন্টন খেলা।।
হ্যালো ,আমার বাংলা ব্লগ পরিবারের সদস্যগণ সকলে কেমন আছেন।আশা করি সকলে ভালো আছেন।আমিও সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে ভালোই আছি। আজকে আপনাদের মাঝে আরও একটি নতুন পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি। আজকের পোস্টটি আশা করি আপনাদের সবার কাছেই ভালো লাগবে।
শীতকাল এসে পড়ছে,সাথে ডিসেম্বর মাস ও।আগে যখন স্কুলে পড়তাম তখন ডিসেম্বর মাস আসলেই বন্ধুদের নিয়ে সবার আগেই ব্যাডমিন্টনের কোর্ট কাটা শুরু করতাম। বিশেষ করে এই ডিসেম্বর মাস আসলেই পুরা ধমে ব্যাডমিন্টন খেলা শুরু করে দিতাম।কিন্তু দিন দিন যেন যেইদিন গুলো কেবলই স্মৃতিতে পরিনত হচ্ছে। কারণ যত বড় হচ্ছি সেই ডিসেম্বরকে আর ফিরে পাওয়া যাচ্ছে না। এইবার ভার্সিটিও ডিসেম্বরে কোন বন্ধ দেয়নি।তবে কিছুদিন আগে আমার বাড়িতে গিয়েছিলাম কিছু কাজে। তখন আমার এক বন্ধু আমাকে বললো, মামা আমার ছুটো ভাইয়েরা ব্যাডমিন্টন খেলে ঐখানে খেলি চল।আমিও আর না করতে পারলাম না।আমিও বলে ফেললাম হ্যাঁ মামা খেলবো তুই ব্যবস্থা কর।
যেই কথা সেই কাজ। কয়েকজন বন্ধুদের নিয়ে চলে গেলাম । জায়গাটি ছিল ফুলবাড়ীয়া থানার ভিতরে।আগে এখানে খুবই কম খেলেছে।তবে আন্দোলনের পর থেকে মানুষের ভীতি কমার পর থানার ওসি সাহেবই খেলার আয়োজন করে দেয়। মাঠ টা খুবই ভালো এবং ব্যাডমিন্টন খেলার জন্য একটি পরিপূর্ণ মাঠ ।অনেকদিন পর খেলতে পেরে সবাই আমরা খুবই আনন্দিত হয়েছিলাম।তবে শুধু সেইদিনই খেলি নি। যত দিন বাড়িতে ছিলাম প্রায় প্রতিদিনই খেলেছি।
সবাই বেশকয়েকজন নিয়মিত খেলছি।তবে প্রথম দিন খেলার পর সবারই প্রায় হাত ব্যাথা শুরু হয়ে গেছিলো।যা খুবই সাধারণ বিষয় ব্যাডমিন্টন খেলায়। খেলার মাঝে মাঝে যখন বিশ্রাম নিতাম, তখনই সবাই সেই আগের দিনের খেলার মাঝের খুনসুঁটি গুলি মনে মনে হাসিঠাট্টায় মেতে উঠেছিলাম। আসলেই সেইদিনগুলো কতই না সুন্দর ছিল। ডিসেম্বর মাস স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষা শেষ করে সবাই সারাদিন খেলায় মেতে উঠতাম। তখন মাথায় খেলা ছাড়া কোন চিন্তাই কাজ করতো না। সেইদিনগুলো কতই না সুন্দর ছিল।আর এখন বড় হওয়ার সাথে সাথে ডিসেম্বর মাসের ছুটিই যেন হারিয়ে গেছে ।
আমার মত আপনারা অনেকেই হয়ত সেইদিনগুলি, ডিসেম্বরের সেই স্মৃতিময় দিনগুলি খুবই মিস করেন। এটাই হয়ত জগতের নিয়ম, যতই বড় হবেন , ততই ভালো সুন্দর মুহূর্ত গুলো কেবলই স্মৃতি হয়ে মনের মাঝে বেঁচে থাকবে। চাইলেও ছুটি নিয়ে সেই ডিসেম্বরকে আর খুঁজে পাওয়া যাবে না।তবে জগতের নিয়ম মেনেই আমাদের বেঁচে থাকতে হবে।আশা করি পোস্টটি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে।
সবাই ভালো থাকবেন।সবাই বেশি বেশি গাছ লাগানোর চেষ্টা করবেন। সকলের জন্য শুভকামনা রইলো।
আমি আরাফাত হাসান সৌনক। বর্তমানে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এর কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টেরএকজন ছাত্র । আমি ফটোগ্রাফি করতে ভালোবাসি। আমি ভ্রমণ করতে অনেক পছন্দ করি।আমি আমার পরিবারকে খুব ভালোবাসি।
ডেইলি টাস্ক -
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
আজকে আপনি অনেক সুন্দর ভাবে শৈশবের স্মরণ করে আমাদের মাঝে একটি ব্লগ শেয়ার করেছেন। আপনার এ ব্লকের মধ্য দিয়ে বেশ অনেক কিছু জানতে পারলাম। ব্যাডমিন্টন খেলা আমারও খুব প্রিয় এবং আমিও পছন্দ করি।
শৈশবের স্মৃতিগুলো খুবই মধুর।আর ব্যাডমিন্টন খেলা আমাদের প্রায় অনেকেরই একটা খুবই প্রিয় খেলা। ধন্যবাদ আপনার মূল্যবান মতামত দেয়ার জন্য।
আপনার জন্য শুভকামনা রইলো।
আসলে আপনার এই পোস্টটি দেখে আমার ছোটবেলার কথা মনে পড়ে গেল। যখন আমরা পাড়ার মাঠে ব্যাডমিন্টন খেলতাম এবং বেশি রাত করে ব্যাডমিন্টন খেলার জন্য মা-বাবার কাছে মার খেতাম। এত সুন্দর একটা স্মৃতিচারণ করার পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ ভাইয়া আপনার মূল্যবান মতামত শেয়ার করার জন্য। আমার পোস্টের মাধ্যমে আপনি আপনার ছেলেবেলার কথা স্মৃতি চরণ করতে পারসেন শুনে ভালো লাগলো।
আপনার জন্য শুভকামনা রইলো।
শীতের দিনে ব্যাডমিন্টন খেলার অনুভবই আলাদা। গা গরম করতে এই খেলার জুড়ি মেলা ভার। ব্যাডমিন্টন শীতকালে প্রতি পাড়ায় পাড়ায় অনুষ্ঠিত হয়। এর জন্য আলো দিয়ে যে মাঠ বানানো হয় তা ভীষণ আকর্ষণীয় লাগে বরাবর।
জ্বি ভাই আপনি যথার্থই বলেছেন। শীতকালে ব্যাডমিন্টন খেলা একটা আবেগের ব্যাপার। প্রতি পারা মহল্লায় ব্যাডমিন্টনের কোর্ট কাটা হয় খেলার জন্য।
আপনার জন্য শুভকামনা রইলো।