আজকের পোষ্ট || দ্বিতীয়বার বাবা হওয়ার অনুভূতিঃ
বিসমিল্লাহির রাহমানির রহীম। আসসালামু আলাইকুম।
কেমন আছেন বন্ধুরা? আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও ভালো আছি আলহামদুলিল্লাহ। বন্ধুরা, আজকে আবার নতুন একটি পোস্ট নিয়ে আপনাদের মাঝে উপস্থিত হয়েছি।
বন্ধুরা, আজকে আমি দ্বিতীয় বার বাবা হওয়ার অনুভূতিটা আপনাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য উপস্থিত হয়েছি । |
---|
পোষ্ট ক্যাটাগরিঃ সাধারণ পোষ্ট।
পোষ্টের শিরোনামঃ দ্বিতীয়বার বাবা হওয়ার অনুভূতি।
পোষ্টের তারিখঃ ২১ শে অগ্রহায়ণ ১৪২৯ খ্রিস্টাব্দ (বাংলা)
![]() |
---|
Copyright free image source:pixels
আমার প্রথম সন্তান ছেলে। ১লা ডিসেম্বর ২০২২ ইং, দুপুর ২টায় আল্লাহ আমাকে দ্বিতীয় সন্তান দান করেছেন এবং দ্বিতীয় সন্তান ও ছেলেই দান করেছেন। আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর দরবারে লাখো কোটি শুকরিয়া। কিন্তু প্রথম সন্তান জন্মের সময় আমি কাছে ছিলাম না। কাছে না থাকা সেটার ও একটা কারণ আছে বটে, কারণটা হচ্ছে সিজার করানো। আমি কখনোই সিজারের পক্ষে ছিলাম না।
কারণ সিজার করাটা আমার ইসলাম কতটা সাপোর্ট করে বা কোন পর্যায়ে সাপোর্ট সেটা সম্পর্কে আমার পরিস্কার ধারণা নাই, তবে আমি নিজে ব্যক্তিগত ভাবে সিজার করানোটা পছন্দ করি না। যাই হোক সে অনেক কাহিনী, তবে প্রথম বাবা হওয়ার অনুভূতির থেকে দ্বিতীয় সন্তানের বাবা হওয়ার অনুভূতিটা আমার কাছে অনেক বেশি আনন্দের মনে হয়েছে, যদিও আমার দ্বিতীয় সন্তান ও সিজারের মাধ্যমে হয়েছে।
দ্বিতীয় সন্তানের জন্য অনুভূতিটা বেশি হওয়ার কারণ হচ্ছে, আমার দ্বিতীয় ছেলের জন্মের সময় আমি হাসপাতালেই ছিলাম এবং ছেলের জন্মের সাথে সাথেই আমি তার মুখ দেখতে পেয়েছি। এবং আমি আমার ছেলের এক কানে আজান এবং অন্য কানে একামত দিয়েছি। এই যে জন্মের সাথে সাথে ছেলেকে কোলে নেওয়া বা ছেলেকে দেখা এই অনুভূতিটা যে কত আনন্দের, কতো সুখের সেটা আসলে বলে বোঝানো যাবে না। সেটা শুধু যে বাবা হয় সেই জানে। এই আনন্দ এবং এই সুখ কিন্তু আমি আমার প্রথম সন্তানের সময় পাইনি। ছেলেকে কোলে নিয়ে মনে হলো আমি সমস্ত দুনিয়াটাকে কোলে তুলে নিয়েছি।
আমি আমার প্রথম ছেলের সময় এই অনুভূতিটা পাইনি নি কারণআমার বড় ছেলের জন্মের সময় আমি ওর পাশে ছিলাম না। এক সপ্তাহ পরে আমি গিয়েছিলাম ওকে দেখতে যার কারণে প্রথম বাবা হওয়ার অনুভূতিটা
দ্বিতীয় বাবা হওয়ার অনুভূতির মত এতটা প্রখর না। তাই বলে এটা ভাবা যাবে না যে আমি আমার প্রথম সন্তানকে কম আদর করি বা ভালোবাসি।
![]() |
---|
Copyright free image source:pixels
আসলে অনেক সময় দেখি যে, বাবা-মা তার সন্তানকে নির্যাতন বা অনেক বাবা আছেন সন্তানকে মেরে ও ফেলে। আসলে আমি তখন চিন্তা করি যে এ কেমন বাবা-মা যারা নিজের সন্তানকে নিজের হাতে মেরে ফেলতে পারে। আপনারা বিশ্বাস করবেন কিনা জানিনা, আমি আমার ছেলে কখনো নাম ধরে ডাকিনা সব সময় বাবা বলেই ডাকি, আর এতে করে তার উপর আমার যে ভালোবাসার প্রভাব পড়ছে বা ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে, তাতে করে সে একটা পজেটিভ মাইন্ড নিয়েই বড় হচ্ছে।
এবং আমি দেখছি তাকে বাবা বলে ডাকাতে সে ও নিজেকে আমার কাছে ওই ভাবেই উপস্থাপন করার চেষ্টা করে সব সময়। তবে শাসন করার সময় কিন্তু ঠিকই শাসন করছি।এতে করে সে এই মেসেজেটা ও পেয়ে যাচ্ছে যে বাবা আমাকে আদর করে বলে আমার অন্যায়কে কিন্তু প্রশ্রয় দিচ্ছে না।
বন্ধুরা, এই ছিলো আমার দ্বিতীয় সন্তানের বাবা হওয়ার অনুভূতি। আশা করি যারা বাবা হয়েছেন সকলের অনুভূতিটা আমার মতোই বা আমার চেয়ে অনেক বেশি। ধন্যবাদ সবাইকে, আপনাদের এত মুল্যবান সময় নষ্ট করে আমার পোষ্টটি ভিজিট করার জন্য। ধন্যবাদ সবাইকে। সবাই ভালো থাকবেন।

আপনার সাথে একমত হতে পারলাম না।কোন অবস্থায় ইসলাম বিরোধী এটা বলা উচিত ছিলো।কারন অনেক সময় মা ও সন্তানের জন্য সিজার করা জরুরি হয়ে পরে,তা না হলে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়,এ ক্ষেতে সিজার করা পুরোপুরি জায়েজ আছে।এটা আপনি বিস্তারিত না লিখে, এভাবে না লিখলেও পারতেন।
আসলে বাবা হওয়ার আনন্দ সেটা সত্যিই পৃথিবীর সব আনন্দের থেকে বেশি। আপনি দ্বিতীয়বার বাবা হয়েছেন জেনে বেশ ভালো লাগলো ।তবে ভাইয়া আপনার একটা বিষয় পরিষ্কার হতে পারলাম না ।সিজার করাটা ইসলাম বিরোধী এটা আমি কখনোই শুনিনি। আজ আপনার মুখ থেকে প্রথম শুনলাম। কেননা আমাদের ধর্মে চিকিৎসার ক্ষেত্রে কখনো নিষেধ করা হয়নি। আর অনেক সময় দেখা যায় যে সিজার না করলে মা এবং সন্তান দুজনের মৃত্যু ঝুঁকি থাকে সেক্ষেত্রে অবশ্যই সিজার করাটা অনেক জরুরী হয়ে পড়ে। যখন কেউ শখ করে সিজার করে সেটা অন্য বিষয়।
দ্বিতীয়বার বাবা হতে মনে হচ্ছে আপনি অনেক খুশি অনেক অনেক অভিনন্দন রইল আমাদের সাথে শেয়ার করলেন জানতে পেরে আমরা অনেক খুশি।
বাচ্চা এবং বাচ্চার মায়ের জন্য অনেক অনেক দোয়া রইল তারা যেন সুস্থ থাকে। ঠান্ডার সময় সতর্কতা অবলম্বন করে থাকতে বলেন।।
আপনি দ্বিতীয়বার বাবা হয়েছেন জেনে খুশি হলাম। কিন্তু ভাইয়া আপনার এই কথাটা কেমন যেন লাগলো। প্রথম সন্তানের সিজার জন্য আপনি এক সপ্তাহ পরে প্রথম সন্তানকে দেখতে গিয়েছেন। তাহলে কি আপনার ওয়াইফ শখ করে সিজার করেছেন? নাকি বাধ্য হয়ে সিজার করেছেন। তাহলে হঠাৎ এইবার আপনার মনের পরিবর্তন কেন হল? এবারও তো সেই সিজার করেই বাচ্চা হয়েছে। জীবনের ঝুঁকি থাকলে যে কোন ধরনের চিকিৎসা করানোই জায়েজ আছে। আপনার এই লেখাটিকে অনেকেই অন্যভাবেও নিতে পারে। যাই হোক বাচ্চার জন্য অনেক অনেক দোয়া এবং শুভকামনা রইল।
সিজার করা ধর্ম বিরোধী এটা হজম করতে একটু সমস্যা হল।ধর্মে সব সময়েই বিশেষ পরিস্থিতি তে কিছু জিনিস ছাড় দেওয়া হয়।যাই হোক ধর্ম নিয়ে কথা না বলি। নব জাতকের দীর্ঘায়ু ও সুন্দর জীবন কামনা করি।আর আপনাকেও অভিনন্দন।আপনার খুশির ভাগীদার হতে পেরে ভাল লাগল।ধন্যবাদ শুভ সংবাদ আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
আপনি দ্বিতীয় বার বাবা হয়েছেন জেনে অনেক ভালো লাগল। তবে ভাইয়া সিজারটা ইসলাম বিরোধী এটা কি ঠিক। এটা কিন্তু একটু অবাক লাগল আপনার প্রথম সন্তানকে এক সপ্তাহে পরে দেখতে গিয়েছেন। আর ভাইয়া কেউ কিন্তু ইচ্ছে করে সিজার হতে চায় না। যাইহোক ভাইয়া আপনার বাচ্চারা সুস্থ থাকুক, ভালো থাকুক এই কামনাই করি।
আপনি দ্বিতীয় বার বাবা হয়েছেন জেনে অনেক ভালো লাগলো ভাইয়া। আপনার দুটি সন্তানের মঙ্গল কামনা করি। সত্যি এটা মেনে অবাক লাগলো আপনি আপনার প্রথম সন্তানকে এক সপ্তাহ পর দেখতে গিয়েছেন। আপুদের সাথে আমিও একমত ভাইয়া আমার মনে হয় সিজার করাটা ইসলাম বিরোধী নয় । আপনার স্ত্রী ও সন্তানের জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।
ছেলে বাবা হওয়ার আনন্দটা যারা বাবা হয়েছে তারাই হতো ভালো বুঝবে। দ্বিতীয়বারের মতো বাবা হয়েছেন যেনে আমার কাছেও খুবই ভালো লাগলো। এবং আপনার সন্তানের জন্য রইল অনেক শুভেচ্ছা ও দোয়া। তবে সিজার করা ইসলাম বিরোধী এটা এর আগে আমি কখনো শুনিনি। কারণ অনেক সময় বাচ্চা এবং মা দুজনেরই মৃত্যুর ঝুঁকি থাকে। তখন কিন্তু আমি মনে করি সিজার করাটাই অনেক ভালো । ধন্যবাদ আপনাকে আপনি দ্বিতীয়বার বাবা হওয়ার অনুভূতি শেয়ার করার জন্য।
আপনি দ্বিতীয়বার বাবা হয়েছেন এটা জেনে অনেক ভালো লাগলো। আপনার সন্তানের জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইলো। আপনার সন্তানের সুস্বাস্থ্য কামনা করি। ভবিষ্যতে মানুষের মত মানুষ হয় আপনাদের মুখ উজ্জ্বল করতে পারে এই আশাবাদ ব্যক্ত করি। পোস্টটি পড়ে খুবই ভালো লাগলো। শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।