নতুন আশা নাকি নতুন আশংকা...?
Copyright free image source : PixaBay
বিকেলের পর থেকেই আরোও ধংসাত্নক কর্মকান্ড শুরু হয়ে যায় পুরো দেশ জুড়েই.... থানায়, মন্দিরে, আওয়ামীলীগ কর্মীদের বাসায়, বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়ি, হিন্দু- সংখ্যালঘুদের বাড়ি-- দাউ দাউ করে আগুনে পুড়ছে!! হায় ভগবান!! এ কেমন নতুন বিজয়!! স্বৈরাচারের পতন চেয়েছি, তবে এমন বিজয় তো চাই নি!! নতুন আশার ভোর চেয়েছিলাম, অথচ পেলাম নতুন আশংকা....
দেশটা আমাদের সবার। এই কথাটা সকলে মাথায় রেখে, হৃদয়ে গেঁথে নিয়ে দেশের সমস্ত সম্পদ এবং জনবলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে সকলে মিলে। এমন ক্রান্তিকালে এই ধংসযজ্ঞের শেষ হোক- এটাই কামনা!
এতক্ষণ সময় নিয়ে আমার পোষ্টটি পড়ার জন্য আপনাকে 🌼 ধন্যবাদ 🌼
আমি- তিথী রানী বকসী, স্টিমিট আইডি @tithyrani। জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী। পেশায় একজন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার। বিবাহিতা এবং বর্তমানে রাজধানী ঢাকায় বসবাস করছি।২০২৩ সালের জুন মাসের ১৯ তারিখে স্টিমিটে জয়েন করেছি। OR
ভ্রমণ করা, বাগান করা, গান শোনা, বই পড়া, কবিতাবৃত্তি করা আমার শখ। পাশাপাশি প্রতিদিন চেষ্টা করি নতুন নতুন কিছু না কিছু শিখতে, ভাবতে। যেখানেই কোন কিছু শেখার সুযোগ পাই, আমি সে সুযোগ লুফে নিতে চাই৷ সর্বদা চেষ্টা থাকে নিজেকে ধাপে ধাপে উন্নত করার।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
আসলে গণভবনের হামলাটা মেনে নেয়ার মত ছিল না। এখানে অনেকে ছাত্রদের নাম দিয়ে কিন্তু অন্যান্য দলগুলো এসে হাজির হয়েছে। বিবেকহীন মানুষদের এটাই কাজ। যারা নিজেদের সম্পদ গুলোই নিজেরা লুট করছে। স্বৈরাচারী ক্ষমতায় না থাকা ভালো তবে এখন সবচেয়ে ভয়ের বিষয় হলো কোথায় যাবে বাংলাদেশ? কি হবে শেষ পরিণতি?বিজয় উল্লাস ঠিক ততক্ষণ ছিল যতক্ষণ স্বৈরাচারীর পতন হয়েছিল। কিন্তু তারপর যখন দেখলাম বিভিন্ন জায়গায় আগুন দেয়া হচ্ছে তখনই আসলে মনটা খুব খারাপ হয়ে গেল। সুষ্ঠু একটা সমাধান হোক সেই দোয়া রইল আপু, সাবধানে থাকবেন।
স্বৈরাচারী সরকারের পদত্যাগের পর আনন্দ মিছিল টা দেখে সত্যিই কিছুটা প্রশান্তি কাজ করছিল। তবে এরপর বিভিন্ন জায়গায় যেই ধ্বংসযজ্ঞর খবর পাওয়া গেল এটা সত্যিই কাম্য ছিল না। এত রক্ত ঝরে স্বাধীনতা অর্জনের পর এই জিনিস গুলো দেখে অনেক খারাপ লেগেছে। বিজয় উল্লাসের নামে নিজের দেশের সম্পদের ক্ষতি হচ্ছে। পুরো দেশবাসী এখনো আতঙ্কে রয়েছে।